
৬ অক্টোবর রাজ্যে নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরে উপনির্বাচন। তার আগে দুই কেন্দ্রের দুই প্রার্থীকে পুরনো মামলায় গ্রেফতার করল পুলিশ। আগেই নন্দীগ্রামের কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধানকে গ্রেফতার করেছিল পুলিশ। এবার শনিবার পাকড়াও করা হল রেজিনগর কেন্দ্রের নির্দল প্রার্থী সইফুল ইসলামকে।
পুলিশ সূত্রে খবর, ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের সময় দুই গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় দায়ের হওয়া প্রায় পাঁচ বছরের পুরনো একটি মামলায় তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে। জানা গিয়েছে নির্দল প্রার্থী হলেও সইফুল ইসলাম আম জনতা উন্নয়ন পার্টির (AJUP) নেতা হুমায়ুন কবীরের ঘনিষ্ঠ। ফলে তাঁর গ্রেফতারি নিয়ে সরব হয়েছেন হুমায়ুন।
পুলিশের এক আধিকারিক PTI-কে জানিয়েছেন, “বহরমপুর থানার আধিকারিকরা সইফুল ইসলামকে গ্রেফতার করেছেন। আগের বিধানসভা নির্বাচনের সময় দুই গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় দায়ের হওয়া একটি মামলায় তাঁর নাম ছিল।” ওই পুলিশ আধিকারিক নিজের পরিচয় প্রকাশ করতে চাননি।
উল্লেখ্য বিষয় হল, বাংলায় উপনির্বাচন নিয়েও একের পর এক ঘটনা ঘটেই চলেছে। প্রথমে মমতা অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেস দুই কেন্দ্রে প্রার্থী দিলেও, নন্দীগ্রামের প্রার্থী সঞ্চিতা প্রধান দে, নাম প্রত্যাহার করেন। শেষে কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধানকে সমর্থনের বার্তা দেন মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায়। কিন্তু ঠিক তারপরই গ্রেফতার হন নন্দীগ্রামের কংগ্রেস প্রার্থী। আর এবার গ্রেফতার হলেন রেজিনগরে উপনির্বাচন।
তাৎপর্যপূর্ণভাবে, শনিবারই বহরমপুর পুলিশ AJUP প্রধানকে একটি নোটিস পাঠিয়েছে। দুই সম্প্রদায়ের মধ্যে উত্তেজনা ছড়ানোর ষড়যন্ত্রের অভিযোগে দায়ের হওয়া একটি মামলায় তদন্তকারী আধিকারিকদের সামনে সোমবার হাজির হতে বলা হয়েছে তাঁকে।
এই গ্রেফতারির ঘটনায় বিজেপির মুখপাত্র দেবজিৎ সরকার বলেন, "পুরনো যদি মামলা থাকে আর জামিন না নেওয়া থাকে তাহলে তো গ্রেফতার হতেই হবে। কেউ কিছু করতে পারবে না।"