Advertisement

বাংলাদেশ থেকে অবৈধ ভাবে ভারতে, একই পরিবারের ৫ জনকে হোল্ডিং সেন্টারে পাঠাল পুলিশ

অবৈধভাবে বাংলাদেশ থেকে ভারতে ঢোকা ও স্থায়ী ভাবে থাকার অভিযোগে একই পরিবারের ৫ জনকে পাকড়াও করল পুলিশ। তাঁদের হোল্ডিং সেন্টারে পাঠানো হয়েছে।

একই পরিবারের ৫ জনকে পাকড়াও করে হোল্ডিং সেন্টারে পাঠাল পুলিশএকই পরিবারের ৫ জনকে পাকড়াও করে হোল্ডিং সেন্টারে পাঠাল পুলিশ
Aajtak Bangla
  • বহরমপুর,
  • 07 Jun 2026,
  • अपडेटेड 11:49 AM IST
  • ভারতে অনুপ্রবেশের অভিযোগে পুলিশের জালে একই পরিবারের পাঁচ সদস্য।
  • অভিযোগ প্রায় ১৩ বছর আগে বাংলাদেশ থেকে ভারতে অবৈধ ভাবে ঢুকেছিল পরিবারটি।
  • সাগরদিঘি থানার ধুমারপাহাড় এলাকা থেকে ওই ৫ জনকে আটক করেছে পুলিশ।

আবারও অবৈধভাবে ভারতে অনুপ্রবেশের অভিযোগে পুলিশের জালে একই পরিবারের পাঁচ সদস্য। অভিযোগ প্রায় ১৩ বছর আগে বাংলাদেশ থেকে ভারতে অবৈধ ভাবে প্রবেশের পর থেকেই ওই পরিবারটি ভারতেই স্থায়ী ভাবে বসবাস করছিল। মুর্শিদাবাদ জেলার সাগরদিঘি থানার ধুমারপাহাড় এলাকা থেকে ওই ৫ জনকে আটক করেছে পুলিশ।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃতদের নাম উজির আলি (৪৩), তার স্ত্রী জাইনুর খাতুন (৩৬) এবং তাদের তিন ছেলে শিহাদ শেখ (১৫), ইনজামুল হক (১০) ও আব্দুল সামাদ শেখ (৪)। তাদের আদি বাড়ি বাংলাদেশের চাপাইনবাবগঞ্জ জেলায়। 

প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ জানতে পেরেছে, প্রায় ১৩ বছর আগে উজির আলি অবৈধভাবে ভারতীয় সীমান্ত পেরিয়ে এদেশে আসে। পরে সাগরদিঘির ধুমারপাহাড় এলাকায় স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করে। জীবিকার তাগিদে সে দক্ষিণ ভারতের বিভিন্ন জায়গায় রাজমিস্ত্রীর কাজ করত। ওই এলাকায় প্রায় ১৫ শতক জমি কিনে বাড়িও তৈরি করে বলে তদন্তে উঠে এসেছে। 

পুলিশের দাবি, ভারতে আসার পর ধৃত ব্যক্তি ভুয়ো নথির মাধ্যমে ভোটার কার্ড ও আধার কার্ডও সংগ্রহ করেছিল। জেরায় উজির আলি জানিয়েছে, বাংলাদেশ থেকে আসার সময় উজির আলির সঙ্গে এক ছেলে ছিল। পরে ভারতে থাকাকালীন আরও দুই সন্তানের জন্ম হয়। বর্তমানে বড় ছেলে ক্লাস এইট এবং মেজো ছেলে ক্লাস ফোরে পড়ে। 

রবিবার অভিযানের পর এই পাঁচজনকেই আটক করে প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে পুলিশ। পরে তাঁদের সুতি থানা এলাকার আহিরণের হোল্ডিং সেন্টারে পাঠানো হয়েছে। বর্তমানে পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ এবং কীভাবে তাঁরা দীর্ঘদিন ধরে ভারতে বসবাস করছিল ও সরকারি পরিচয়পত্র সংগ্রহ করেছিল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

 

Read more!
Advertisement
Advertisement