Advertisement

'হোল্ডিং সেন্টার' চালু হতেই ফিরতে মরিয়া বাংলাদেশিরা, হাকিমপুর সীমান্তে লম্বা লাইন

অনুপ্রবেশে 'জিরো টলারেন্স' নীতি নিয়েছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সরকার গঠনের ২ সপ্তাহের মাথায়, অনুপ্রবেশকারী সন্দেহে ধৃতদের রাখার জন্য জেলায় জেলায় হোল্ডিং সেন্টার তৈরির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সরকারের নির্দেশের পরই মুর্শিদাবাদের লালগোলা ও মালদায় চালু হয়েছে হোল্ডিং সেন্টার। আর এই আবহেই দেশে ফেরার জন্য সীমান্তে জড়ো হতে দেখা গিয়েছে শতাধিক অবৈধ বাংলাদেশি অভিবাসীকে।

হাকিমপুর সীমান্তে  ভিড় বাংলাদেশিদেরহাকিমপুর সীমান্তে ভিড় বাংলাদেশিদের
তাপস সেনগুপ্ত
  • হাকিমপুর,
  • 26 May 2026,
  • अपडेटेड 10:43 AM IST

অনুপ্রবেশে 'জিরো টলারেন্স' নীতি নিয়েছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।  সরকার গঠনের ২ সপ্তাহের মাথায়, অনুপ্রবেশকারী সন্দেহে ধৃতদের রাখার জন্য জেলায় জেলায় হোল্ডিং সেন্টার তৈরির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সরকারের নির্দেশের পরই মুর্শিদাবাদের লালগোলা ও মালদায় চালু হয়েছে হোল্ডিং সেন্টার।  আর এই আবহেই দেশে ফেরার জন্য সীমান্তে জড়ো হতে দেখা গিয়েছে শতাধিক  অবৈধ বাংলাদেশি অভিবাসীকে।

মঙ্গলবার সকালে হাকিমপুর চেকপয়েন্টে শতাধিক অবৈধ অভিবাসী জড়ো হতে দেখা গিয়েছে।  ভারতে অবৈধভাবে বসবাস করার কারণে ধৃত বাংলাদেশি অথবা রোহিঙ্গাদের, নিজের দেশে ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া সম্পর্কে নির্দেশ দিয়েছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার। তারপরেই অবৈধ অনুপ্রবেশকারীরা দলে দলে বাংলাদেশে ফিরছে। 

হোল্ডিং সেন্টার সংক্রান্ত নির্দেশিকা জারির পর বাংলাদেশিরা দেশে ফেরার জন্য সীমান্তে ভিড় করতে শুরু করেছেন। উত্তর ২৪ পরগনার বসিরহাট মহকুমার স্বরূপনগর থানার বিঠারি হাকিমপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের অধীনস্থ হাকিমপুর চেকপয়েন্টে এখন তাই বাংলাদেশিদের ভিড় চোখে পড়ছে।

রাজ্যের বিভিন্ন অংশে অবৈধভাবে বসবাস করা শতাধিক বাংলাদেশী অভিবাসী নিজ দেশে ফেরার জন্য হাকিমপুর চেকপয়েন্টে জড়ো হন। সম্প্রতি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানান যে, অবৈধ বাংলাদেশি বাসিন্দাদের শনাক্ত করে পুলিশের হাতে তুলে দিতে হবে, এরপর বিএসএফ তাদের দেশে ফেরার ব্যবস্থা করবে। এই ধরনের পদক্ষেপ শুরু হওয়ার আগেই শত শত বাংলাদেশি সীমান্তে ভিড় জমাচ্ছেন।

Read more!
Advertisement
Advertisement