Advertisement

'আমি হিন্দুবাড়ির ছেলে',অষ্টমীর অঞ্জলী দিয়েই বামেদের নিয়ে রাজ্যবাসীকে সতর্ক করলেন শুভেন্দু

অষ্টমীর সকালে কাঁথিতে নিজের ক্লাবে পুজো দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। এ দিন সেখানে পুষ্পাঞ্জলিও দেন তিনি। সেই সঙ্গে নিজেকে সনাতনী এবং হিন্দু বাড়ির ছেলে বলেও উল্লেখ করেন শুভেন্দু। পাশাপাশি আরশোলা এবং ছারপোকাদের থেকেও সাবধান থাকার কথা বলেন মুখ্যমন্ত্রী।

পাড়ায় পুজো দিয়ে আর কী বললেন শুভেন্দু?পাড়ায় পুজো দিয়ে আর কী বললেন শুভেন্দু?
Aajtak Bangla
  • কাঁথি,
  • 19 Oct 2026,
  • अपडेटेड 5:38 PM IST

অষ্টমীর সকালে কাঁথিতে নিজের ক্লাবে পুজো দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। এ দিন সেখানে পুষ্পাঞ্জলিও দেন তিনি। সেই সঙ্গে নিজেকে সনাতনী এবং হিন্দু বাড়ির ছেলে বলেও উল্লেখ করেন শুভেন্দু। পাশাপাশি আরশোলা এবং ছারপোকাদের থেকেও সাবধান থাকার কথা বলেন মুখ্যমন্ত্রী।

প্রসঙ্গত, কাঁথির ৩৯ বছরের ঐতিহ্যবাহী নান্দনিক ক্লাবের পুজো মণ্ডপে এবার অখণ্ড মেদিনীপুরের বীর স্বাধীনতা সংগ্রামীদের ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলন ও সংগ্রামের নানা অধ্যায় ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। মণ্ডপসজ্জা থেকে প্রতিমা, সবেতেই রয়েছে ইতিহাসের ছোঁয়া। কলকাতার বড় বাজেটের পুজোগুলির সঙ্গে পাল্লা দিয়ে তৈরি এই মণ্ডপ দেখতে দর্শনার্থীদের ভিড় নজর কাড়ছে। এদিন এই পুজো মণ্ডপে এসে মায়ের কাছে পুজো দেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। এটি মুখ্যমন্ত্রীর পাড়ার পুজো। পুষ্পাঞ্জলি দিয়ে দেশ ও দেশবাসীর কল্যাণ কামনা করেন তিনি। পাড়ার ক্লাবে পুজো দিতে গিয়ে শুভেন্দুর নিশানায় ছিলেন বামেরা। এছাড়াও দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফার দাবিতে আবার রাস্তায় নামা ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)-কে কটাক্ষ করেন মুখ্যমন্ত্রী। 

কী বললেন শুভেন্দু?
পুজো দেওয়ার পর শুভেন্দু অধিকারী  বলেন, 'আরশোলা থেকে সাবধান থাকুন। আমি নাস্তিক নই, আমি কমিউনিস্ট নই। আমি সনাতনী হিন্দু। সনাতন ধর্মের নিয়ম-নীতি মেনেই পুজো করি।'

বামেদের নিশানা
 শুভেন্দু অধিকারী বলেন, 'প্রতি বছর পুজো করি। আমি কমিউনিস্ট নই। আমি নাস্তিক নই। আমি হিন্দুবাড়ির ছেলে। সনাতনী। প্রতি বছর করি। আমার বয়স এখন ৫৬ বছর। গত ৫০ বছর ধরে করছি। পাঁচ-ছয় বছর বয়স থেকে করছি। এটা আস্থার জায়গা। যাঁরা লেকচার মারছে কমিউনিস্টরা এগুলো করে না। পুষ্পাঞ্জলি দেয় না, চরণামৃত খায় না। কপালে টিকা লাগায় না।'  বাম ও ককরোচদের একযোগে আক্রমণ করে সাবধানে থাকার পরামর্শও দেন তিনি। বলেন, 'এই আরশোলা-ছারপোকা, যাঁদের বাপঠাকুরদা চিনে থাকে, তাঁদের থেকে সাবধানে থাকবেন। গোটা ভারতবর্ষ জুড়ে এরা অস্থিরতা তৈরি করতে চাইছে বাংলাদেশের মতো। এদের থেকে সাবধানে থাকবেন।'

Advertisement

Read more!
Advertisement
Advertisement