Advertisement

Vikram Jhalmuri Seller Bengal: 'মোটামুটি সেলিব্রিটি হয়ে গিয়েছি' রাতারাতি বদলে গিয়েছে ঝালমুড়িওয়ালা বিক্রমের জীবন

Vikram Jhalmuri Seller Bengal: অবস্থা এমন দাঁড়িয়েছে যে, বিক্রমের ঝালমুড়ির দোকানে মানুষের লম্বা লাইন। ঝালমুড়ি খেতে যতটা না মানুষ আসছেন, তার চেয়ে বেশি আসছেন প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলা সেই ‘তারকা’ বিক্রেতাকে একবার দেখতে। বিক্রম হাসিমুখে বলছেন, ‘সবাই এসে জিজ্ঞেস করছেন মোদীজি কী বললেন? কেউ তো আবার সেলফি তোলার জন্যও ভিড় জমাচ্ছেন।

Vikram Jhalmuri Seller Bengal: 'মোটামুটি সেলিব্রিটি হয়ে গিয়েছি' রাতারাতি বদলে গিয়েছে ঝালমুড়িওয়ালা বিক্রমের জীবনVikram Jhalmuri Seller Bengal: 'মোটামুটি সেলিব্রিটি হয়ে গিয়েছি' রাতারাতি বদলে গিয়েছে ঝালমুড়িওয়ালা বিক্রমের জীবন
Aajtak Bangla
  • নয়াদিল্লি,
  • 20 Apr 2026,
  • अपडेटेड 10:55 PM IST

Vikram Jhalmuri Seller Bengal: ভাগ্যদেবতা কখন কার সহায় হন, তা বলা বড় দায়। মালদহের অলিগলিতে ঝালমুড়ি বেচে যাঁকে দিন গুজরান করতে হতো, সেই বিক্রম এখন রাতারাতি প্রচারের আলোয়। সৌজন্যে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কয়েক মুহূর্তের মোলাকাত আর আলাপচারিতাই বদলে দিয়েছে বিক্রমের জীবন। ডালমুট-চানাচুরের মশলা মাখা হাতে এখন আর শুধু ঝালমুড়ি নেই, রয়েছে একরাশ আত্মবিশ্বাস। তাঁর কথায়, ‘এখন তো অনেকটা সেলিব্রিটি হয়ে গিয়েছি!’

বাংলায় নির্বাচনী প্রচারে এসে হঠাৎই মোদী চলে যান ঝাড়গ্রামের এই ঝালমুড়ি বিক্রেতার দোকানে। বিক্রমের ঝালমুড়ির স্বাদ নিতে নিতেই প্রধানমন্ত্রী খোঁজ নিয়েছিলেন তাঁর পরিবারের, জানতে চেয়েছিলেন তাঁর রুটিরুজির হাল হকিকত। প্রধানমন্ত্রীর মতো ব্যক্তিত্বের সঙ্গে মুখোমুখি কথা বলা যে তাঁর কাছে স্বপ্নাতীত ছিল, তা অকপটে স্বীকার করছেন বিক্রম। মোদীর সেই আন্তরিকতা এখন তাঁকে খবরের শিরোনামে নিয়ে এসেছে।

বিক্রমের এই ‘হঠাৎ হিরো’ হওয়ার গল্প এখন গোটা রাজ্য জুড়ে চর্চার বিষয়। বিক্রম জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রী তাঁকে কেবল উৎসাহই দেননি, বরং তাঁর কাজের প্রতি নিষ্ঠার প্রশংসাও করেছেন। মোদী তাঁকে জিজ্ঞেস করেছিলেন, কতদিন ধরে এই ব্যবসায় তিনি যুক্ত এবং তাঁর হাতের স্বাদের রহস্য কী। বড় বড় নেতাদের ভিড় ঠেলে সাধারণ এক ঝালমুড়ি বিক্রেতার কাছে প্রধানমন্ত্রীর পৌঁছে যাওয়াকে এক বড় পাওনা হিসেবেই দেখছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

এখন অবস্থা এমন দাঁড়িয়েছে যে, বিক্রমের ঝালমুড়ির দোকানে মানুষের লম্বা লাইন। ঝালমুড়ি খেতে যতটা না মানুষ আসছেন, তার চেয়ে বেশি আসছেন প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলা সেই ‘তারকা’ বিক্রেতাকে একবার দেখতে। বিক্রম হাসিমুখে বলছেন, ‘সবাই এসে জিজ্ঞেস করছেন মোদীজি কী বললেন? কেউ তো আবার সেলফি তোলার জন্যও ভিড় জমাচ্ছেন। ছোটবেলার বন্ধুরা এখন মজার ছলে ভিআইপি বলে ডাকছে।’

তবে খ্যাতির আলো গায়ে লাগলেও পা মাটি থেকে সরাতে নারাজ বিক্রম। তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন, প্রচার বা ক্যামেরা নিয়ে তাঁর বিশেষ মাথাব্যথা ছিল না। কিন্তু প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া উৎসাহ তাঁর আগামী দিনের লড়াইয়ের রসদ হয়ে থাকবে। সামান্য ঝালমুড়ি বিক্রেতা থেকে মানুষের আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে ওঠা, এই রূপান্তরই যেন বদলে দিয়েছে বিক্রমের প্রতিদিনের লড়াইয়ের ছন্দ।

Advertisement

রাজনৈতিক লড়াইয়ের মাঝে এক প্রান্তিক মানুষের এই প্রাপ্তির গল্প এখন সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল। বিক্রমের ঝালমুড়ির কৌটোয় এখন কেবল মশলাই নয়, মিশে আছে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কাটানো সেই সোনালি মুহূর্তের স্মৃতি। আমজনতার কাছে বিক্রম এখন আর কেবল এক হকার নন, তিনি মোদী-স্পর্শে ধন্য এক ‘সেলিব্রিটি’। বাংলার ভোটের উত্তাপের মাঝে এই লঘুকথা যেন এক টাটকা বাতাসের মতো।


 

Read more!
Advertisement
Advertisement