Advertisement

Chorbagan Incident: চোরবাগানের পদপিষ্টে মৃত্যু নিয়ে ভুয়ো তথ্য ছড়ানোর অভিযোগ, কোচবিহার থেকে গ্রেফতার ১

Chorbagan Death: চোরবাগানে পদপিষ্ট হওয়ার ঘটনা নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় ভুয়ো তথ্য ছড়ানোর অভিযোগে গ্রেফতার এক। কোচবিহার থেকে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

চোরবাগানের পদপিষ্টে মৃত্যু নিয়ে ভুয়ো তথ্য ছড়ানোর অভিযোগচোরবাগানের পদপিষ্টে মৃত্যু নিয়ে ভুয়ো তথ্য ছড়ানোর অভিযোগ
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 20 Oct 2026,
  • अपडेटेड 3:09 PM IST
  • চোরবাগানে পদপিষ্ট হয়ে মৃত্যুর ঘটনা নিয়ে একের পর এক কড়া পদক্ষেপ নিচ্ছে পুলিশ প্রশাসন।
  • পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্স-(STF) এর হাতে গ্রেফতার হন ওই ব্যক্তি।
  • উত্তর কলকাতার চোরবাগানের দুর্গাপুজোর মণ্ডপে পদপিষ্ট হয়ে মৃত্যু হয় ১৯ জনের।

কলকাতার চোরবাগানে পদপিষ্ট হয়ে মৃত্যুর ঘটনা নিয়ে একের পর এক কড়া পদক্ষেপ নিচ্ছে পুলিশ প্রশাসন। সোশ্যাল মিডিয়াতেও চলছে নজরদারি। তিন দিন আগের ওই ঘটনায় সামাজিক মাধ্যমে ভুয়ো তথ্য ছড়ানোর অভিযোগে কোচবিহার জেলায় গ্রেফতার করা হল এক ব্যক্তিকে। পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্স-(STF) এর হাতে গ্রেফতার হন ওই ব্যক্তি। মঙ্গলবার এক পুলিশ আধিকারিক এই তথ্য জানিয়েছেন।

মূল ঘটনা কী?

শনিবার সন্ধ্যায় উত্তর কলকাতার চোরবাগানের দুর্গাপুজোর মণ্ডপে পদপিষ্ট হয়ে মৃত্যু হয় ১৯ জনের। পাশাপাশি জখম হন আরও ২৫ জন।

পুলিশ আধিকারিক সংবাদ সংস্থা PTI-কে বলেন, “চোরবাগানের মণ্ডপে পদপিষ্ট হওয়ার ঘটনায় মৃতের সংখ্যা নিয়ে ভুয়ো তথ্য ছড়ানোর অভিযোগে আমরা এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছি। সোমবার তাঁর বাড়ি থেকে তাঁকে আটক করা হয়। রাজ্যে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বিঘ্নিত করতে পারে, এমন কোনও প্রচেষ্টা আমরা বরদাস্ত করব না।”

পুলিশ সূত্রে খবর, ধৃত ব্যক্তির নাম আইনুল হক। তিনি কোচবিহারের স্থায়ী বাসিন্দা। পুলিশ আধিকারিক জানান, সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে ভুয়ো তথ্য ছড়িয়ে পড়া নিয়ে আমরা উদ্বিগ্ন। কিছু ব্যক্তি দাবি করেছেন, এই ঘটনায় ৬০ জনের মৃত্যু হয়েছে। যা পুরোপুরি ভুয়ো।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি কলকাতার এই ভয়াবহ ঘটনায় ময়নাতদন্ত রিপোর্টে উঠে এসেছে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য। রিপোর্ট অনুযায়ী, বুকে তীব্র চাপ এবং Asphyxiation বা শ্বাসরোধের কারণেই অধিকাংশের মৃত্যু হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে মনে করা হয়েছে।

চিকিৎসকদের প্রাথমিক পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, বুকে অতিরিক্ত চাপের কারণে Traumatic Asphyxia বা আঘাতজনিত শ্বাসরোধ মৃত্যুর অন্যতম প্রধান কারণ। এই পরিস্থিতিতে বাইরে থেকে তীব্র চাপ পড়ায় স্বাভাবিকভাবে শ্বাস নেওয়া যায় না। তার ফলে মৃত্যু হয়। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ময়নাতদন্তের এই রিপোর্টগুলি এখনও প্রাথমিক পর্যায়ের। চূড়ান্ত ও বিস্তারিত পোস্টমর্টের রিপোর্ট প্রকাশিত হওয়ার পরই মৃত্যুর নির্দিষ্ট কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত সিদ্ধান্তে পৌঁছনো যাবে।

 

Read more!
Advertisement
Advertisement