
বুধবার উত্তরবঙ্গ সফর করেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সেখানে গিয়ে উত্তরবঙ্গের ‘অভিমান’ দূর করে উত্তর আর দক্ষিণকে একসূত্রে গাঁথার কথাও বলেছেন তিনি। আর আজ দুর্গাপুরে প্রশাসনিক বৈঠক করবেন তিনি। উত্তরবঙ্গ সফরের পরের দিনই জঙ্গলমহল-সহ দুই বর্ধমান জেলা প্রশাসনের সঙ্গে বৈঠক করতে দুর্গাপুর যাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। দুর্গাপুরের বৈঠক শেষ করে মুখ্যমন্ত্রী রওনা হবেন দিল্লির উদ্দেশে। সেখানে রাজ্য মন্ত্রিসভার সম্প্রসারণ নিয়ে বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সঙ্গে আলোচনা হতে পারে তাঁর।
পশ্চিম বর্ধমানের দুর্গাপুর সৃজনী প্রেক্ষাগৃহে দুই বর্ধমান, বীরভূম, পুরুলিয়া এবং বাঁকুড়ার প্রশাসনিক কর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। আজকের মুখ্যমন্ত্রীর বৈঠকে এলাকার জন প্রতিনিধিদেরও হাজির থাকতে বলা হয়েছে। বেলা দুটো থেকে শুরু হওয়া দুর্গাপুরের বৈঠক থেকে মুখ্যমন্ত্রী বেআইনি কয়লা,বালি, পাথর খাদানের পাশাপাশি শিল্প-সহ বিভিন্ন ইস্যুতে বার্তাও দিতে পারেন বলে মত রাজনৈতিক মহলের।
এই বৈঠকে পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান, বাঁকুড়া, বীরভূম ও পুরুলিয়ার জেলাশাসক, পুলিশ কমিশনার, পুলিশ সুপার-সহ গুরুত্বপূর্ণ দফতরের আধিকারিকরা থাকবেন। থাকবেন পাঁচ জেলার বিধায়করাও। মুখ্যমন্ত্রীর বৈঠকের জন্য কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে সৃজনী হল ও সংলগ্ন এলাকায়। জানা গিয়েছে, অন্ডাল বিমানবন্দর থেকে বেরিয়ে ১৯ নম্বর জাতীয় সড়ক ধরে গাড়িতে সৃজনী হলে আসবেন তিনি। গান্ধী মোড় হয়ে প্রবেশ করবেন দুর্গাপুরে।
মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পরে এই প্রথম দুর্গাপুরে আসছেন শুভেন্দু অধিকারী। তাঁকে স্বাগত জানানোর জন্য গান্ধী মোড়, ডিএমসি মোড়ে তোরণ করা হয়েছে। রাস্তার ধারে লাগানো হয়েছে মুখ্যমন্ত্রীর ছবি। সূত্রের খবর, আজ অত্যন্ত ব্যস্ততম সূচি রয়েছে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর। সকালে প্রথমেই তিনি বেলুড় মঠে গিয়ে পুজো দেবেন। মঠ থেকে বেরিয়ে তিনি সরাসরি চলে যাবেন হাওড়া জেলা শাসক (ডিএম) অফিসে, যেখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করার কথা রয়েছে তাঁর। হাওড়ার সেই প্রশাসনিক কাজ সেরেই মুখ্যমন্ত্রী সোজা দমদম হয়ে রওনা দেবেন অন্ডাল বিমানবন্দরের উদ্দেশ্যে। অন্ডাল পৌঁছানোর পর সেখান থেকে তিনি যাবেন দুর্গাপুরে। এরপর অন্ডাল থেকেই দিল্লি যাওয়ার কথা শুভেন্দু অধিকারীর।