
উপনির্বাচনের আগে সোমবার নন্দীগ্রামে প্রশাসনিক সভা করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। এদিন সভামঞ্চ থেকে বেশ কয়েকটি প্রকল্পের বার্তা দিয়ে একাধিক বড় ঘোষণা করলেন তিনি। হরিপুরে নবনির্মিত দমকল কেন্দ্রের সূচনা, স্বনির্ভর গোষ্ঠীকে ৩০ হাজার টাকা ট্রান্সফার করা, আবাস যোজনার টাকা দেওয়ার মতো একাধিক বড় ঘোষণা করার পাশাপাশি আসন্ন নন্দীগ্রাম উপনির্বাচন নিয়েও বড় বার্তা দিলেন শুভেন্দু অধিকারী।
নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনে তিনি যে বিরাট ভোটে বিজেপির জয় চান, তা আরও একবার স্পষ্ট করে আমজনতার কাছে রেকর্ড ভোটে বিজয়ী করার আহ্বান জানান মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, "রেকর্ড ভাঙবেন তো? আমাকে একবার ৮২ হাজার ভোটে জিতিয়েছিলেন। এবার রেকর্ড ভাঙতে হবে। ফলতাকে হারাতে হবে। ফলতার উপরে যেতে হবে। আর আমি রাজ্যের উন্নয়ন তো করবই। নন্দীগ্রাম আমার অগ্রাধিকারের এক নম্বর থাকবে।"
ফলতা পুনর্নিবাচনে মোট ভোটার ছিল ২ লক্ষ ৩৬ হাজার ৪৪৪ জন। ভোটদানের হার ছিল ৮৮.১৩ শতাংশ। এরমধ্যে বিজেপি ভোট পেয়েছিল ১ লক্ষ ৪৯ হাজার ৬৬৬টি। দ্বিতীয় স্থানে থাকা CPM পেয়েছিল ৪০,৬৪৫ ভোট। অর্থাৎ ১ লক্ষ ৯ হাজার ২১ ভোটে জয় পেয়েছিল পদ্ম শিবির। এদিন নন্দীগ্রামে দাঁড়িয়ে ফলতার সেই রেকর্ড ভাঙার বার্তাই দিলেন শুভেন্দু অধিকারী।
উপনির্বাচন ছাড়াও, এদিন নন্দীগ্রামের মানুষের জন্যও একাধিক ঘোষণা করেছেন শুভেন্দু অধিকারী। হরিপুরে একটি নতুন দমকল কেন্দ্রের উদ্বোধন করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, এরপর আগুন লাগার মতো ঘটনা ঘটলে আর কাঁথি বা হলদিয়া থেকে দমকল আসার জন্য অপেক্ষা করতে হবে না বিপদে পড়া মানুষকে।
এছাড়াও, এদিন নন্দীগ্রামে জি রামজি জব কার্ডের অধীনে ১২৫ দিন কাজের সূচনা করলেন মুখ্যমন্ত্রী। প্রত্যেকটি স্বনির্ভর গোষ্ঠীকে ৩০ হাজার টাকা করে ট্রান্সফার করার পাশাপাশি, আয়ুষ্মান ভারত ও অন্নপূর্ণা যোজনা নিয়েও বড় বার্তা দেন মুখ্যমন্ত্রী।
শুভেন্দু অধিকারী বলেন, "অন্নপূর্ণা যোজনায় নন্দীগ্রামে ৬৭ হাজার মানুষকে ৩০০০ হাজার টাকা করে দেওয়া হয়েছে। এখন আরও ৫ হাজারের আবেদন যাচাইয়ের মধ্যে রয়েছে। তাঁরাও পেয়ে যাবেন।"