
BJP সরকারের 'অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার'-এর ফর্ম ফিলআপ করাতে সাহায্য করছেন CPIM-এর বিধায়ক মুস্তাফিজুর রহমান। ডোমকলে দেখা গেল এমনই চিত্র। যে CPIM একটা সময়ে তৃণমূল সরকারের 'লক্ষ্মীর ভাণ্ডার'-কে দান-খয়রাতি বলে উল্লেখ করেছিল, সেই দলেরই একমাত্র বিধায়ককে দেখা যাচ্ছে মাসিক অনুদানের টাকা পাইয়ে দেওয়ার ক্ষেত্রে ফর্ম ফিলআপে সাহায্য করতে। এই নিয়ে bangla.aajtak.in-কে প্রতিক্রিয়া দিলেন ডোমকলের MLA।
১১-১২ পাতার অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের ফর্ম ফিলআপ করতে গিয়ে নাকানি-চোবানি খাচ্ছেন অধিকাংশ মহিলা। ফর্ম দেখে কার্যত ভিড়মি খাচ্ছেন অনেকে। কেউ কেউ বলছেন, ৩ হাজার টাকার জন্য বাড়ির হাঁড়ির খবরও নিয়ে নিচ্ছে সরকার! তবে প্রশাসনের বক্তব্য, লক্ষ্মীর ভাণ্ডারে বহু ভুয়ো নাম ঢুকেছিল। তাই প্রতিটি পরিবারের আর্থ-সামাজিক অবস্থান বিবেচনা করেই অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার দেওয়া হবে। আবার মুসলিমদের মধ্যেও এই সরকারি প্রকল্পের টাকা থেকে বঞ্চিত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
নিজে হাতে ডোমকলের মহিলাদের জন্য অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের ফর্ম ফিলআপ করে দিলেন CPIM বিধায়ক। এ প্রসঙ্গে bangla.aajtak.in-কে মুস্তাফিজুর বলেন, 'নতুন প্রকল্প, তাছাড়া মানুষের মধ্যে একটা বিভ্রান্তি রয়েছে। মুসলিম এলাকার মানুষ ভাবছেন, এই ফর্ম দিয়েই NRC করা হবে। সে কারণে আমি বিধায়ক হিসেবে কিছুজনের ফর্ম ফিলআপ করে দিলাম। তাঁদের বলার চেষ্টা করলাম, না এটা সরকারি প্রকল্প, তথ্য নেওয়ার কোনও ব্যাপার নয়।'
লক্ষ্মীর ভাণ্ডারকে একটা সময়ে 'ভিক্ষা' বলা বামেরা এখন অন্নপূর্ণা যোজনার ফর্ম ফিলআপে সাহায্য করছেন। এ প্রসঙ্গে মুস্তাফিজুর রহমান বলেন, 'গ্রামের গরিব মানুষ, সমর্থক, যাঁরা আমাদের ভোট দিয়েছে, তাঁরা কেন সরকারি প্রকল্প থেকে বঞ্চিত থাকবে? সরাসরি যেটকু পাচ্ছেন, সেটাই তাঁদের কাছএ অনেক বড় ব্যাপার। ৩ হাজার টাকা যদি গ্রামের একটা গরিব পরিবার পায়, সেটা কি কম নাকি। BJP-র সঙ্গে লড়াই হবে বিধানসভায়, রাস্তায়। সরকারি প্রকল্প তো কোনও দলের নয়।'