Advertisement

Egg Therapy in Bengal: কে কত ডিম ছুড়তে পারে TMC নেতাকে, প্রতিযোগিতায় ধুন্ধুমার দুর্গাপুর আদালত চত্বরে, VIDEO VIRAL

পুলিশ সূত্রে খবর, ২০০২ সালের একটি পুরনো মামলায় জারি থাকা গ্রেফতারি পরোয়ানার ভিত্তিতে বালি মাফিয়া যুধিষ্ঠির ঘোষকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অন্যদিকে, স্থানীয় তৃণমূল নেতা ও পেশায় শিক্ষক নিত্যানন্দ অধিকারী ওরফে নীতু মাস্টারকে নির্বাচনকালীন হুমকি, হিংসা এবং বোমাবাজির অভিযোগে গ্রেফতার করেছে পাণ্ডবেশ্বর থানার পুলিশ।

দুর্গাপুরে ডিম ছোড়াকে ঘিরে ধুন্ধুমারদুর্গাপুরে ডিম ছোড়াকে ঘিরে ধুন্ধুমার
Aajtak Bangla
  • দুর্গাপুর,
  • 12 Jun 2026,
  • अपडेटेड 2:55 PM IST
  • দেদার ডিম ছোড়া ঘিরে অশান্তি
  • তৃণমূল নেতা নিত্যানন্দ অধিকারীর বিরুদ্ধে মারাত্মক অভিযোগ
  • তৃণমূলকে ভোট দেওয়ার জন্য চাপ সৃষ্টি করা হত

তৃণমূল নেতা ও বালি মাফিয়াকে ডিম ছোড়ার ঘটনা ঘিরে অশান্ত পরিস্থিতি তৈরি হল দুর্গাপুরে। পশ্চিম বর্ধমানের পাণ্ডবেশ্বরে দুটি পৃথক মামলায় গ্রেফতার হওয়া এক তৃণমূল নেতা ও এক বালি মাফিয়াকে দুর্গাপুরে আদালতে তোলার সময় তুমুল চাঞ্চল্য। এখানেও সেই ডিম থেরাপি। কে কত বেশি ডিম ওই তৃণমূল নেতা ও বালি মাফিয়াকে লক্ষ্য করে মারতে পারে, তার প্রতিযোগিতা শুরু হয়ে যায় সাধারণ মানুষের মধ্যে। দুই অভিযুক্তকে যখন পুলিশ গাড়িতে তুলছে, তখন ডিম ছোড়া চলছে তুমুল।

দেদার ডিম ছোড়া ঘিরে অশান্তি

পুলিশ সূত্রে খবর, ২০০২ সালের একটি পুরনো মামলায় জারি থাকা গ্রেফতারি পরোয়ানার ভিত্তিতে বালি মাফিয়া যুধিষ্ঠির ঘোষকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অন্যদিকে, স্থানীয় তৃণমূল নেতা ও পেশায় শিক্ষক নিত্যানন্দ অধিকারী ওরফে নীতু মাস্টারকে নির্বাচনকালীন হুমকি, হিংসা এবং বোমাবাজির অভিযোগে গ্রেফতার করেছে পাণ্ডবেশ্বর থানার পুলিশ। পরে দু’জনকেই আদালতে তোলা হয়। আদালত থেকে দুই অভিযুক্ত পুলিশ যখন ভ্যানে তুলতে যায়, তখনই বিপত্তি। একদল লোক চোর চোর স্লোগান দিতে থাকেন ও একের পর এক ডিম ছুড়তে শুরু করে। 

তৃণমূল নেতা নিত্যানন্দ অধিকারীর বিরুদ্ধে মারাত্মক অভিযোগ

আদালত চত্বরে নিত্যানন্দ অধিকারীর বিরুদ্ধে বিক্ষোভ দেখান স্থানীয় বাসিন্দারা। তাঁর বিরুদ্ধে দুর্নীতি, রাজনৈতিক প্রভাব খাটানো এবং এক মহিলাকে মানসিকভাবে নির্যাতনের অভিযোগ তোলা হয়। মৃত মহিলার স্বামী সুশান্ত সূত্রধর দাবি করেন, তাঁর স্ত্রীর উপর দীর্ঘদিন ধরে মানসিক চাপ সৃষ্টি করা হয়েছিল। তাঁর অভিযোগ, নিত্যানন্দ অধিকারীর কারণেই তাঁর স্ত্রী আত্মহত্যার পথ বেছে নিতে বাধ্য হন। বাড়িতে হুমকি, নজরদারি এবং মানসিক নির্যাতনের জেরে এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটেছে বলে দাবি তাঁর।

তৃণমূলকে ভোট দেওয়ার জন্য চাপ সৃষ্টি করা হত

এছাড়াও বেলডাঙার বাসিন্দা উর্মিলা নামে এক মহিলা অভিযোগ করেন, তাঁদের বাড়িতে ভাঙচুর চালানো হয়েছিল এবং রাজনৈতিক কর্মসূচিতে যোগ দেওয়া ও তৃণমূলকে ভোট দেওয়ার জন্য চাপ সৃষ্টি করা হত। এদিকে বিজেপি মুখপাত্র সুমন্ত মণ্ডল দাবি করেছেন, পূর্ববর্তী শাসনকালে বালু ও কয়লা মাফিয়াদের দাপট বেড়েছিল। তাঁর কথায়, দুর্নীতি ও অবৈধ ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না। ঘটনাকে কেন্দ্র করে আদালত চত্বরে কড়া পুলিশি নিরাপত্তা মোতায়েন করা হয়। পুলিশ জানিয়েছে, পুরো ঘটনার তদন্ত চলছে এবং আইনি প্রক্রিয়াও অব্যাহত রয়েছে।
 

Advertisement

Read more!
Advertisement
Advertisement