Advertisement

Malda Holding Centre: রাজ্যের প্রথম হোল্ডিং সেন্টার মালদায়, রাখা হল ৯ বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীকে

মালদার ইংলিশবাজারের হোল্ডিং ক্যাম্পে এই কেন্দ্রে নিয়ে আনা হয়েছে ৯ সন্দেহভাজন বাংলাদেশি নাগরিককে। পুলিশ সূত্রের খবর, ধৃতদের মধ্যে ৩ জন মহিলা এবং ৬ নাবালক।

মালদায় রাজ্যের প্রথম হোল্ডিং সেন্টারমালদায় রাজ্যের প্রথম হোল্ডিং সেন্টার
Aajtak Bangla
  • কলকাতা ,
  • 25 May 2026,
  • अपडेटेड 10:55 PM IST
  • মালদায় প্রথম হোল্ডিং সেন্টার।
  • প্রথম দিনেই ৯ বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী।

রাজ্যে এই প্রথম। মালদার ইংলিশবাজারে চন্দন পার্কে চালু হয়ে গেল হোল্ডিং সেন্টার। আপাতত মালদা জেলায় একমাত্র হোল্ডিং সেন্টার এটাই। সেখানে রাখা হয়েছে ৯ বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীকে। কড়া নজরদারিতে ধৃতরা।  

মালদার ইংলিশবাজারের হোল্ডিং ক্যাম্পে এই কেন্দ্রে নিয়ে আনা হয়েছে ৯ সন্দেহভাজন বাংলাদেশি নাগরিককে। পুলিশ সূত্রের খবর, ধৃতদের মধ্যে ৩ জন মহিলা এবং ৬ নাবালক। অতিসম্প্রতি গাজোলের পাণ্ডুয়া থেকে তাদের আটক করা হয়েছিল। সেখান থেকেই রবিবার হোল্ডিং সেন্টারে আনা হয়।

এই হোল্ডিং সেন্টারটিকে ঘিরে কড়া নিরাপত্তার বলয় তৈরি করেছে প্রশাসন। গোটা চত্বর মুড়ে ফেলা হয়েছে নজরদারি ক্যামেরায়। প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, আপাতত ১২ জন পুলিশকর্মী, ৩ জন সিভিল ডিফেন্স ভলান্টিয়ার এবং ৩ জন সিভিক ভলান্টিয়ারকে নিরাপত্তার দায়িত্বে রাখা হয়েছে। এ ছাড়াও আবাসিকদের জন্য রাখা হয়েছে এক জন রাঁধুনিও। 

বিধানসভা নির্বাচনের প্রচারে বিজেপির অন্যতম ইস্যু ছিল রাজ্যে বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী। নতুন সরকার আসার পর থেকেই শুরু হয়েছে ধরপাকড়। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী নির্দেশ দিয়েছেন, হাওড়া বা শিয়ালদা স্টেশনে অবৈধ বাংলাদেশি ধরা পড়লে তুলে দিতে হবে বিএসএফের হাতে। তারপর সীমান্তে পুশব্যাক। 

তবে হোল্ডিং ক্যাম্প নিয়ে আপত্তি তুলেছে তৃণমূল। তাদের বক্তব্য, এটা আদতে ডিটেনশন ক্যাম্প। তৃণমূল বিধায়ক তথা দলের মুখপাত্র কুণাল ঘোষের কথায়,'আমরা এই ধরনের ডিটেনশন ক্যাম্পের তীব্র বিরোধী। অবৈধ বাংলাদেশি ঢুকলে বিএসএফের দায়িত্ব। অবৈধভাবে ঢুকে থাকলে গ্রেফতার করে জেলে পাঠানো হয়। তারপর আদালতের নির্দেশে পুশব্যাক করা হয় নির্দিষ্ট নিয়মে'।

দলের রাজ্যসভার সাংসদ বাবুল সুপ্রিয়র মন্তব্য,'ওটা আদতে ডিটেনশন সেন্টার। সন্দেহভাজন হলেই ডিটেনশ ক্যাম্পে রাখা যায় না। তথ্যপ্রমাণ না দেখাতে পারলে বাংলাদেশে পাঠিয়ে দিক। একটা আইনি প্রক্রিয়া আছে'। 
 

Read more!
Advertisement
Advertisement