Advertisement

'বোধহয় পেরেক মেরে ফুটো করা হয়েছিল...' লকআপে TMC-র বিরজুকে অত্যাচার নিয়ে বিস্ফোরক দাবি স্ত্রীর

পুলিশি হেফাজতে তৃণমূল কর্মী বিরজু কেওতের মৃত্যু ঘিরে রাজ্যজুড়ে শোরগোল পড়েছে। নিহতের পরিবারের দাবি, পুলিশের অত্যাচার-মারধরের কারণেই মৃত্যু হয় বিরজুর।

পুলিশের লকআপে স্বামীর মৃত্যু নিয়ে কী বললেন স্ত্রী?পুলিশের লকআপে স্বামীর মৃত্যু নিয়ে কী বললেন স্ত্রী?
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 10 Aug 2026,
  • अपडेटेड 12:41 PM IST
  • তৃণমূল কর্মী বিরজু কেওতের মৃত্যু ঘিরে রাজ্য রাজনীতিতে শোরগোল।
  • মৃত্যু প্রসঙ্গে মুখ খুললেন নিহত বিরজুর স্ত্রী ও প্রাক্তন তৃণমূল কাউন্সিলর জেনি শর্মা কেওত।
  • মৃতের স্ত্রীকে পার্সোনাল অ্যাটেন্ডেন্ট হিসেবে চাকরি দেওয়ার ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী।

পুলিশি হেফাজতে তৃণমূল কর্মী বিরজু কেওতের মৃত্যু ঘিরে রাজ্য রাজনীতিতে শোরগোল। বলা চলে এই মুহূর্তে রাজ্যের রাজনৈতিক উত্তেজনার ভরকেন্দ্র রয়েছে হালিশহর। খোদ মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী সোমবার হালিশহরে গিয়ে নিহতের পরিবারের সঙ্গে দেখা করেছেন। এবার এই মৃত্যু প্রসঙ্গে মুখ খুললেন নিহত বিরজুর স্ত্রী ও প্রাক্তন তৃণমূল কাউন্সিলর জেনি শর্মা কেওত। 

সোজা সাপ্টা ভাবে জেনি বলেন, যেহেতু তাঁরা তৃণমূল পরিবার, তিনি নিজেও একজন প্রাক্তন TMC কাউন্সিলর, ঠিক সেই কারণেই পুলিশ তাঁর স্বামী বিরজু কেওতকে তুলে নিয়ে যায়। 

পুলিশের দিকে আঙুল তুলে জেনি অভিযোগ করে বলেন, "পুলিশি হেফাজতে বিরজুকে নির্মম ভাবে পেটানো হয়। যেদিন ওকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়, তার পরের দিন ওর মেডিক্যাল করানো হয়েছিল, তখন পুরো সুস্থ ছিল। আমি থানায় গিয়ে দেখাও করে এসেছিলাম। কিন্তু এরপর এক রাতের মধ্যে মৃত্যু হয়। তাঁর হাত পা বেঁধে মারা হয়েছে। হাতে পায়ে দাগ রয়েছে। পায়ের উপরে পেরেক দিয়ে ফুটো করে দেওয়ার দাগ রয়েছে। পায়ের তলাতেও কালো দাগ রয়েছে, গরম জলে ছেঁকা দিলে ওরকম হয়।" এই মৃত্যুর বিষয়ে হালিশহর থানার পুলিশকেই নিশানা করেছেন তিনি।

এদিন শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে দেখা করার পর মুখ্যমন্ত্রীর কাছে দুটি দাবি জানান নিহতের স্ত্রী। স্বামীর মৃত্যুর ঘটনায় দোষীদের শাস্তি চেয়ে বিচারের দাবি জানান জেনি শর্মা কেওত। একইসঙ্গে পরিবারের একমাত্র রোজগেরে সদস্যের মৃত্যুতে সংসার কী ভাবে চলবে, বাচ্চাদের কী করে মানুষ করবেন, সে প্রশ্নও মুখ্যমন্ত্রীকে জিজ্ঞাসা করেন জেনি। 

তার পরিপ্রেক্ষিতে মৃতের স্ত্রীকে পার্সোনাল অ্যাটেন্ডেন্ট হিসেবে চাকরি দেওয়ার ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। একইসঙ্গে রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে ১০ লক্ষ টাকা আর্থিক সাহায্য করার ঘোষণাও করেন তিনি।

 

Read more!
Advertisement
Advertisement