Advertisement

100 Tonnes Hilsa Fish: প্রায় ১০০ টন ইলিশ মাছ ঢুকল বাজারে, নতুন সপ্তাহেই দাম কমছে? বড় আপডেট

গোটা বাংলাতেই বর্ষার আগমন ঘটে গিয়েছে। আর সেইসঙ্গে রাজ্যের বাজারে ধীরে ধীরে বড় আকারে ঢুকতে শুরু করেছে ইলিশ। ইতিমধ্যেই দক্ষিণ ২৪ পরগনার উপকূলীয় অঞ্চলগুলিতে ইলিশের জালে ধরা পড়ার হার বেড়েছে। সপ্তাহের শেষে বাজারে ঢুকেছে ১০০ টনেরও বেশি ইলিশ। দক্ষিণ ২৪ পরগনার বিভিন্ন মৎস্যঘাট থেকে বিপুল পরিমাণ ইলিশ এসে পৌঁছেছে ডায়মন্ড হারবারের নগেন্দ্রবাজারে। আর তাতেই খুশির হাওয়া ছড়িয়েছে মাছ ব্যবসায়ী থেকে সাধারণ ক্রেতাদের মধ্যে।

 বাজারে এল ১০০ টন ইলিশ বাজারে এল ১০০ টন ইলিশ
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 21 Jun 2026,
  • अपडेटेड 11:57 AM IST

গোটা বাংলাতেই বর্ষার আগমন ঘটে গিয়েছে। আর সেইসঙ্গে রাজ্যের বাজারে ধীরে ধীরে বড় আকারে ঢুকতে শুরু করেছে ইলিশ। ইতিমধ্যেই দক্ষিণ ২৪ পরগনার উপকূলীয় অঞ্চলগুলিতে ইলিশের জালে ধরা পড়ার হার বেড়েছে। সপ্তাহের শেষে বাজারে ঢুকেছে ১০০ টনেরও বেশি ইলিশ। দক্ষিণ ২৪ পরগনার বিভিন্ন মৎস্যঘাট থেকে বিপুল পরিমাণ ইলিশ এসে পৌঁছেছে ডায়মন্ড হারবারের নগেন্দ্রবাজারে। আর তাতেই খুশির হাওয়া ছড়িয়েছে মাছ ব্যবসায়ী থেকে সাধারণ ক্রেতাদের মধ্যে। বাজারে আসা ইলিশগুলির আকারও যথেষ্ট বড় হওয়ায় উৎসাহ আরও বেড়েছে ইলিশপ্রেমীদের মধ্যে।

প্রায় ১০০ টন ইলিশ ধরা পড়েছে
বর্ষার মরসুম শুরু হতে না হতেই এ  এক লাফে প্রায় ১০০ টন ইলিশ মাছ এসে পৌঁছাল বাজারগুলিতে।  জানা গিয়েছে, সপ্তাহ শেষে রাজ্যের বাজারে বাজারে এসে পৌঁছাতে শুরু করেছে ইলিশ।  দক্ষিণ ২৪ পরগনার নানা মাছ ঘাট থেকে বিপুল পরিমাণে মাছ এসে পৌঁছেছে ডায়মন্ড হারবারের নগেন্দ্রবাজারে। এর ফলে এখন খুশির হাওয়া বইছে ক্রেতা থেকে শুরু করে বিক্রেতাদের মধ্যে। এখান থেকেই  কলকাতা-সহ রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় ছড়িয়ে পড়ছে মাছ। এবারের মরশুমের শুরুতেই এত বড় পরিমাণ ইলিশ আসায় ব্যবসায়ীদের মুখেও হাসি ফুটেছে। দক্ষিণ ২৪ পরগনার কাকদ্বীপ, নামখানা, ফ্রেজারগঞ্জ, রায়দিঘি, পাথরপ্রতিমার, সীতারামপুর ঘাটে এই কয়েকদিনে তোলা হয়েছে টন টন ইলিশ। সেই ইলিশ ডায়মন্ড হারবারের নগেন্দ্র বাজার মাছের আড়ত ঘুরে পৌঁছে যাচ্ছে রাজ্যের বিভিন্ন বাজারে। ফলে ইলিশের চাহিদা অনেকটাই পূরন হবে এবার। 

গত কয়েক বছরের তুলনায় পরিস্থিতি ভালো
নামখানা, কাকদ্বীপ, রায়দিঘি সহ দক্ষিণ ২৪ পরগনার একাধিক মৎস্যঘাট  থেকে গত কয়েক দিনে প্রচুর পরিমাণ ইলিশ ধরা পড়েছে বলে মৎস্যজীবী সংগঠন সূত্রে জানা গিয়েছে। ধরা পড়া এই মাছের একটি বড় অংশই সরাসরি পৌঁছে যাচ্ছে ডায়মন্ড হারবারে, যা পরে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে সরবরাহ করা হচ্ছে। প্রাথমিক হিসেব অনুযায়ী, ইতিমধ্যেই বাজারে ১০০ টনেরও বেশি ইলিশ প্রবেশ করেছে। এবারের মরশুমের শুরুতেই এত বিপুল পরিমাণ ইলিশ আসায় বাজারে ইতিবাচক পরিবেশ তৈরি হয়েছে। মাছ ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, গত কয়েক বছরের তুলনায় এবারের মরশুমের শুরুটা তুলনামূলকভাবে ভালো। বাজারে ইলিশের সরবরাহ বাড়ায় ক্রেতাদের মধ্যেও আগ্রহ বেড়েছে। যদিও সরবরাহ বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে দাম কিছুটা ওঠানামা করছে, তবুও বড় আকারের ইলিশ পাওয়ায় ক্রেতাদের চাহিদা অব্যাহত রয়েছে।

Advertisement

মৎস্যজীবী সংগঠনের প্রতিনিধি অলোক হালদার  সংবাদ মাধ্যমকে জানিয়েছেন, উপকূলীয় এলাকাগুলিতে জালে ইলিশ পড়ার পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। তাঁর কথায়, 'নামখানা, কাকদ্বীপ, রায়দিঘি সহ একাধিক জায়গা থেকে প্রচুর ইলিশ ধরা পড়ছে। সেই মাছ দ্রুত ডায়মন্ড হারবারে আনা হচ্ছে। ইতিমধ্যেই প্রায় ১০০ টনের বেশি ইলিশ বাজারে পৌঁছেছে। এত অল্প সময়ে এত পরিমাণ মাছ পাওয়ায় আমরা আশাবাদী।' মৎস্যজীবীদের একাংশের বক্তব্য, সমুদ্রের পরিস্থিতি এবং আবহাওয়ার অনুকূল পরিবেশের কারণেই এবারে জালে তুলনামূলক বেশি ইলিশ ধরা পড়ছে। বিশেষ করে মরশুমের একেবারে শুরুতেই বড় আকারের ইলিশ ধরা পড়ায় তাঁরা আগামী দিন নিয়ে আরও আশাবাদী হয়ে উঠেছেন।

কমবে ইলিশে দাম?
প্রসঙ্গত, ডায়মন্ড হারবারের নগেন্দ্রবাজার দীর্ঘদিন ধরেই দক্ষিণবঙ্গের অন্যতম বড় মাছের পাইকারি বাজার হিসেবে পরিচিত। উপকূল এলাকা থেকে ধরা পড়া বিপুল পরিমাণ মাছ এখান থেকেই কলকাতা-সহ রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় ছড়িয়ে পড়ে। এবারের মরশুমের শুরুতেই এত বড় পরিমাণ ইলিশ আসায় ব্যবসায়ীদের মুখেও হাসি ফুটেছে। তাঁদের মতে, এখনও মরশুমের মূল সময় পুরোপুরি শুরুই হয়নি। তার আগেই যদি এত মাছ বাজারে আসে, তাহলে আগামী ট্রিপগুলিতে আরও বড় পরিমাণ ইলিশ ধরা পড়তে পারে। অনেক মৎস্যজীবীরই দাবি, পরের কয়েক দফায় বাজার কার্যত ইলিশে ভরে যেতে পারে। বাজারে ইলিশের জোগান বাড়তে শুরু করায় সাধারণ ক্রেতারাও আশায় রয়েছেন। কারণ, সরবরাহ বাড়লে দাম কিছুটা নিয়ন্ত্রণে থাকতে পারে বলে মনে করছেন ব্যবসায়ীদের একাংশ। যদিও বড় আকারের ইলিশের চাহিদা বরাবরই বেশি থাকে, তাই প্রথম দফার মাছের দাম এখনও তুলনামূলক উঁচুতেই রয়েছে। তবে ব্যবসায়ীদের মতে, আগামী কয়েক দিনে যদি একই হারে মাছ উঠতে থাকে, তাহলে বাজারে ইলিশের জোগান আরও বাড়বে। তাতে মাঝারি আকারের ইলিশের দামও কিছুটা সাধারণ মানুষের নাগালের মধ্যে আসতে পারে।

Read more!
Advertisement
Advertisement