Advertisement

গভীর রাতে সার্কিট হাউসের ঘর খালি করার নির্দেশ, বিস্ফোরক অভিযোগ মহুয়ার

তাঁর দাবি, রাত ১০টা ৫২ মিনিট নাগাদ একই বিষয়ে তাঁকে লিখিত মেসেজও পাঠানো হয়। একজন নির্বাচিত মহিলা সাংসদকে অতিরিক্ত জেলাশাসকের ফোন করে সার্কিট হাউসের ঘর খালি করতে বলার ঘটনায় তিনি বিস্ময় প্রকাশ করেন।

মহুয়া মৈত্র মহুয়া মৈত্র
Aajtak Bangla
  • কৃষ্ণনগর ,
  • 15 Aug 2026,
  • अपडेटेड 9:02 AM IST
  • মহুয়া মৈত্র জানিয়েছেন, সন্ধ্যা ৬টা ৩০ মিনিট নাগাদ তিনি কৃষ্ণনগর সার্কিট হাউসে পৌঁছন
  • তাঁকে সেই ঘরই দেওয়া হয়েছিল, যেখানে তিনি সাধারণত থাকেন

তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ মহুয়া মৈত্রর অভিযোগ, শুক্রবার গভীর রাতে তাঁকে কৃষ্ণনগর সার্কিট হাউসের ঘর খালি করতে বলে জেলা প্রশাসন। তাঁর দাবি, সার্কিট হাউসের বাইরে একটি বড় ভিড় জড়ো হয়ে ‘জয় শ্রী রাম’ স্লোগান দিতে শুরু করে। জেলা প্রশাসনের তরফেও তাঁকে বারবার ফোন করে ঘর খালি করার জন্য বলা হয়।

মহুয়া মৈত্র জানিয়েছেন, সন্ধ্যা ৬টা ৩০ মিনিট নাগাদ তিনি কৃষ্ণনগর সার্কিট হাউসে পৌঁছন। তাঁকে সেই ঘরই দেওয়া হয়েছিল, যেখানে তিনি সাধারণত থাকেন। রাত ৯টা ২০ মিনিট নাগাদ তাঁর ঘরে খাবারও পৌঁছে যায়। এরপর রাত ৯টা ৪৭ মিনিটে তাঁর কাছে ফোন আসে এবং তাঁকে ঘর খালি করতে বলা হয়।

তাঁর দাবি, রাত ১০টা ৫২ মিনিট নাগাদ একই বিষয়ে তাঁকে লিখিত মেসেজও পাঠানো হয়। একজন নির্বাচিত মহিলা সাংসদকে অতিরিক্ত জেলাশাসকের ফোন করে সার্কিট হাউসের ঘর খালি করতে বলার ঘটনায় তিনি বিস্ময় প্রকাশ করেন।

মহুয়া মৈত্র সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম এক্স-এ বিরোধী দলের সাংসদ ও নেতাদের উদ্দেশে লেখেন, তিনি এমন একটি জেলা সদর সার্কিট হাউসে রয়েছেন, যা সাংসদদের জন্য সরকারি আবাসন হিসেবে ব্যবহৃত হয়। তাঁর অভিযোগ, তাঁকে এবং অন্য নেতাদের এলাকা থেকে দূরে রাখার জন্য প্রশাসন মরিয়া হয়ে উঠেছে।

লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লাকে ট্যাগ করে মহুয়া মৈত্র লেখেন, তিনি ২০২৯ সাল পর্যন্ত নির্বাচিত সাংসদ এবং লোকসভার অধিবেশন মাত্র একদিন আগেই শেষ হয়েছে। প্রশাসনের নির্দেশ সত্ত্বেও তিনি ঘর খালি করতে অস্বীকার করেছেন বলেও জানান।

মহুয়া মৈত্র আরও দাবি করেন, সুপ্রিম কোর্ট তাঁকে ‘গুলির মুখোমুখি হতে’ বলেছিল। তাই তিনি পিছিয়ে যাবেন না বলেও বার্তা দেন।

এই ঘটনায় সমাজবাদী পার্টির নেতা তথা সাংসদ অখিলেশ যাদবও প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। লোকসভার স্পিকারকে উদ্দেশ করে তিনি প্রশ্ন করেন, কোনও সাংসদকে এইভাবে সরকারি সার্কিট হাউস থেকে ঘর খালি করতে বলা কি তাঁর বিশেষাধিকারের লঙ্ঘন কি না।

Advertisement

ঘটনায় তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও। তিনি অভিযোগ করেন, একজন মহিলা সাংসদকে মাঝরাতে সার্কিট হাউস থেকে বের করে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তাঁর কটাক্ষ, পরের দিন বিজেপির নেতারাই আবার মহিলা ক্ষমতায়নের কথা বলবেন।

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, যে সরকার একজন মহিলার মর্যাদাকেও রাজনৈতিক ইস্যুতে পরিণত করে, তারা আসলে ওই মহিলাকে নয়, নিজেদেরই ছোট করে।
 

Read more!
Advertisement
Advertisement