Advertisement

Mamata Banerjee Afraid: ‘মধ্যরাত থেকে অপারেশন শুরু হবে', কোন আশঙ্কা করছেন মমতা?

Mamata Banerjee Afraid: গত কয়েকদিনে তৃণমূলের প্রথম সারির নেতাদের ওপর কেন্দ্রীয় এজেন্সির তৎপরতা তুঙ্গে। রেশন দুর্নীতি মামলায় দুই বিদায়ী মন্ত্রী তথা এবারের প্রার্থী সুজিত বসু ও রথীন ঘোষকে তলব করেছে ইডি। অন্যদিকে, জমি সংক্রান্ত তদন্তে তিনবারের জন্য ডাক পেয়েছেন রাসবিহারীর প্রার্থী দেবাশিস কুমার।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।-ফাইল ছবিমমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।-ফাইল ছবি
Aajtak Bangla
  • খণ্ডঘোষ (বর্ধমান),
  • 12 Apr 2026,
  • अपडेटेड 9:39 PM IST

Mamata Banerjee Afraid: রবিবার পূর্ব বর্ধমানের খণ্ডঘোষের সভা থেকে তেমনই আশঙ্কার কথা শুনিয়ে রাজ্য রাজনীতিতে শোরগোল ফেলে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর দাবি, ভোট মেটানোর আগেই তাঁর দলের অনেককে গ্রেফতার করার ছক কষা হচ্ছে। শুধু তাই নয়, মুখ্যমন্ত্রী এদিন স্পষ্ট হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “আজ মধ্যরাত থেকেই না কি অপারেশন শুরু হবে। খবর আমরাও পাই।”

ঘটনাচক্রে, গত কয়েকদিনে তৃণমূলের প্রথম সারির নেতাদের ওপর কেন্দ্রীয় এজেন্সির তৎপরতা তুঙ্গে। রেশন দুর্নীতি মামলায় দুই বিদায়ী মন্ত্রী তথা এবারের প্রার্থী সুজিত বসু ও রথীন ঘোষকে তলব করেছে ইডি। অন্যদিকে, জমি সংক্রান্ত তদন্তে তিনবারের জন্য ডাক পেয়েছেন রাসবিহারীর প্রার্থী দেবাশিস কুমার। জোড়াফুলের এই রথী-মহারথীদের ঘিরে যখন টানটান উত্তেজনা, ঠিক তখনই মুখ্যমন্ত্রীর এই ‘অপারেশন’ মন্তব্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

এদিন খণ্ডঘোষের মঞ্চ থেকে শুধু আশঙ্কা প্রকাশ করাই নয়, দলের নেতা-কর্মীদের রীতিমতো রণকৌশল বাতলে দেন তৃণমূল নেত্রী। ইভিএম মেশিন নিয়ে বিশেষ সাবধানতা অবলম্বনের পরামর্শ দিয়ে তিনি বলেন, বিরোধীদের আসল পরিকল্পনা হলো ‘স্লো ভোটিং’ এবং ‘স্লো কাউন্টিং’। গোড়ার দিকে বিজেপি এগিয়ে থাকার ভেলকি দেখাতে পারে বলেও কর্মীদের সতর্ক করে দিয়ে তাঁর বার্তা, বুদ্ধি খরচ করে লড়াই করুন।

তবে শুধু রাজনৈতিক ময়দান নয়, কর্মীদের ব্যক্তিগত স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন মমতা। বাঁকুড়ার ছাতনার সভা থেকে তিনি সতর্ক করে বলেন, “ভোটের সময় যে যা দেবে, তা খাবেন না।” মুখ্যমন্ত্রী বলেন, তিনি নিজে বাইরে কিছু খাওয়ার আগে কয়েকবার ভাবেন। বিশেষ করে রাজনীতিবীদ, ডাক্তার বা প্রশাসনিক কর্তাদের ২৪ ঘণ্টা কাজ করতে হয় বলে তাঁদের খাবারে ‘বিষ’ মিশিয়ে দেওয়ার চক্রান্ত থাকতে পারে বলেও তিনি সন্দেহ প্রকাশ করেন।

হুমায়ুন কবীরের সাম্প্রতিক বিতর্কিত ভিডিও নিয়েও এদিন মুখ খোলেন মুখ্যমন্ত্রী। নাম না করে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে বিঁধে তিনি বলেন, একটি পার্টিকে ভাঙার জন্য ১০০০ কোটি টাকার ডিল হয়েছে। বিরোধীরা ওই ভিডিওটিকে ‘আর্টিফিশিয়াল’ বা এআই বলে উড়িয়ে দিতে চাইলেও মুখ্যমন্ত্রী প্রশ্ন তোলেন, “কতটা শাক দিয়ে মাছ ঢাকবেন?” ভিডিওটি যে সত্যি, তা নির্মাতা নিজেই স্বীকার করেছে বলে তাঁর দাবি।

Advertisement

 

Read more!
Advertisement
Advertisement