Advertisement

Shubhankar Sarkar on 21 July: একুশে জুলাইয়ের ফাইল সামনে আনুক শুভেন্দু, চাইছেন কংগ্রেসের শুভঙ্কর

২১ জুলাই নিয়ে সরগরম রাজ্য রাজনীতি। এতদিন এই কর্মসূচিতে সব লাইমলাইট পেয়ে এসেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও তাঁর দল তৃণমূল কংগ্রেস। তবে ২০২৬ সালের 'পরিবর্তীত বাংলায়' ব্যাকফুটে মমতা। ভেঙে খান খান তাঁর দল। এমন পরিস্থিতিতেই আবার নিজেদের হারিয়ে যাওয়া শক্তি পুনরুদ্ধারে লেগে পড়েছে ভারতের জাতীয় কংগ্রেস। তারা এবার জোরকদমে শুরু করে দিয়েছে ২১ জুলাইয়ের প্রস্তুতি। তারা এবার বড় করে এই কর্মসূচি পালন করতে চলেছে। আর এই বিষয়টা নিয়ে bangla.aajtak.in-এর সঙ্গে কথা বলার সময় বাংলার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে ২১ জুলাইয়ের ফাইল খোলার দাবি করলেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকার।

২১ জুলাই নিয়ে কী বললেন শুভঙ্কর সরকার?২১ জুলাই নিয়ে কী বললেন শুভঙ্কর সরকার?
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 17 Jul 2026,
  • अपडेटेड 12:27 PM IST
  • এবার জোরকদমে শুরু করে দিয়েছে ২১ জুলাইয়ের প্রস্তুতি
  • বড় করে এই কর্মসূচি পালন করতে চলেছে
  • মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে ২১ জুলাইয়ের ফাইল খোলার দাবি করলেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকার

২১ জুলাই নিয়ে সরগরম রাজ্য রাজনীতি। এতদিন এই কর্মসূচিতে সব লাইমলাইট পেয়ে এসেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও তাঁর দল তৃণমূল কংগ্রেস। তবে ২০২৬ সালের 'পরিবর্তীত বাংলায়' ব্যাকফুটে মমতা। ভেঙে খান খান তাঁর দল। এমন পরিস্থিতিতেই আবার নিজেদের হারিয়ে যাওয়া শক্তি পুনরুদ্ধারে লেগে পড়েছে ভারতের জাতীয় কংগ্রেস। তারা এবার জোরকদমে শুরু করে দিয়েছে ২১ জুলাইয়ের প্রস্তুতি। তারা এবার বড় করে এই কর্মসূচি পালন করতে চলেছে। আর এই বিষয়টা নিয়ে bangla.aajtak.in-এর সঙ্গে কথা বলার সময় বাংলার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে ২১ জুলাইয়ের ফাইল খোলার দাবি করলেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকার।


তিনি বলেন, 'দেখুন আমরা ৩৩ বছর ধরে, ১৯৯৩ সালের ২১শে জুলাই থেকে আজ পর্যন্ত শ্রদ্ধার সঙ্গে এই দিনটা পালন করে আসছি। পবিত্রতার সঙ্গে শহিদদের স্মৃতি তর্পণ করছি। এটা আমাদের কাছে পরিবারের সদস্যদের হারিয়ে ফেলার,  আমাদের সেই ভাইদের স্মরণ করার দিন।'

এরপরই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আক্রমণ করেন শুভঙ্কর। তিনি অভিযোগ করেন, 'আমরা ইতিহাস ভুলিয়ে দিতে চাই না। বিকৃত করতে চাই না। সে দিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আন্দোলনের নেতৃত্ব দিচ্ছিলেন। কংগ্রেসের নেতারা ছিলেন। পরবর্তী ক্ষেত্রে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দল ছেড়ে আলাদা পতাকার নীচে শহিদ দিবস পালন করেন। ওই শহিদ দিবসগুলো চটুল গানের মধ্যে দিয়ে, বিভিন্ন অনুষ্ঠানের মধ্যে দিয়ে ক্ষমতা প্রদর্শনের একটি কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছিল। পরিণত হয়েছিল যোগদানের মেলায়।'

শুভঙ্করের মতে, যাঁরা বুকের রক্ত দিয়ে হাতের পতাকাকে মাটিতে পড়তে দেয়নি, তাঁদের আত্মা আজও পশ্চিম বাংলার আকাশে-বাতাসে প্রতিবাদ করতে চাইছে। তাঁরা বলতে চাইছে, আমাদের আত্মা তখনই শান্তি পাবে, যখন কংগ্রেসের পতাকার নীচে শহীদ তর্পণ হবে। তিনি বলেন,  'আমরা অঙ্গীকার করতে চাই, বাংলার কোনও মায়ের কোল—সে যে রাজনৈতিক আদর্শ-নীতিতে বিশ্বাস করুন না কেন—কোনও মায়ের কোল যাতে খালি না হয়।' 

শুভঙ্কর দাবি করেন, যখন এই ঘটনা ঘটছে তখন তিনি ছাত্র পরিষদ করতেন। তিনি সবে সর্বভারতীয় ছাত্র সংগঠনের দায়িত্ব পেয়েছেন। তিনি সেদিন উপস্থিত হয়েছিলেন। সেদিন মারা যেতে পারতেন। আর এই বেদনাদায়ক ঘটনা ঘটার সময়ই তিনি ঠিক করেন, কোনওদিন যদি রাজ্য কংগ্রেসের দায়িত্ব পান, তাহলে এই শহিদ দিবস ধর্মতলা চত্বরেই করবেন।

Advertisement

মমতা ফাইল খোলেননি
প্রদেশ কংগ্রেসের সভাপতির অভিযোগ, 'যিনি (মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়) একসময় নেতৃত্ব দিয়েছিলেন, তিনিই আবার প্রধান হলেন সরকারের। অথচ দেখা গেল যে তিনি কোনওভাবেই সুবিচার করলেন না। কমিশনের রিপোর্ট বের করলেন না। মনীশ গুপ্তের ফাইল খুললেন না। বরং মনীশ গুপ্তের পদোন্নতি করে দিলেন। তিনি নির্বাচিত প্রতিনিধি হলেন, মন্ত্রী হলেন...'

এরপরই বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর প্রতি সেই ফাইল খোলার আবেদন করেন তিনি। শুভঙ্কর বলেন, 'বর্তমান বাংলার মুখ্যমন্ত্রী, তিনি সেদিন কংগ্রেসেরই ছাত্র নেতা ছিলেন। পরে বিজেপির নেতা হয়েছেন। বর্তমানে তিনি বাংলার মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর কাছেও আবেদন থাকবে যে মনীশ গুপ্তের ফাইল খুলুন। নির্বিচারে কার নির্দেশে গুলি হয়েছিল এবং কমিশনের রিপোর্ট কী ছিল তা পাবলিক ডোমেনে আনুন।'


তিনি আরও বলেন, 'কংগ্রেসের শহিদ মিনারের শহিদের মঞ্চ খোলা থাকবে। যাঁরা মনে করবেন আমরা দিকভ্রান্ত হয়ে গিয়েছিলাম, আমরা পথভ্রষ্ট হয়ে গিয়েছিলাম, আমরা অন্যায় করেছিলাম, আমরা কংগ্রেসের রক্তক্ষরণ করে দেশের সংহতিকে নষ্ট করেছিলাম, জাতীয় পতাকা নষ্ট করেছিলাম, সংবিধানের ওপরে আঘাত করেছিলাম—আজকে তারা আমাদের মঞ্চে আসতে পারেন। ভুল স্বীকার করতে পারেন।'

 

Read more!
Advertisement
Advertisement