Advertisement

Dilip Ghosh on Baruipur Encounter: 'পশ্চিমবঙ্গেও পুলিশকে পূর্ণ স্বাধীনতা দেওয়া হয়েছে,' এনকাউন্টার নিয়ে UP, অসমের প্রসঙ্গ টানলেন দিলীপ

বারুইপুর এনকাউন্টার নিয়ে মুখ খুললেন দিলীপ। তিনি জানালেন, বর্তমানে এ রাজ্যের পুলিশকে পূর্ণ স্বাধীনতা দেওয়া হয়েছে। অসম, উত্তরপ্রদেশের মতোই কাজ করবে এখানকার পুলিশ।

বারুইপুর এনকাউন্টার নিয়ে কী বললেন দিলীপ?বারুইপুর এনকাউন্টার নিয়ে কী বললেন দিলীপ?
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 09 Jul 2026,
  • अपडेटेड 10:11 AM IST
  • বারুইপুর এনকাউন্টার নিয়ে মুখ খুললেন দিলীপ
  • বর্তমানে এ রাজ্যের পুলিশকে পূর্ণ স্বাধীনতা দেওয়া হয়েছে
  • অসম, উত্তরপ্রদেশের মতোই কাজ করবে এখানকার পুলিশ

'গুজরাত, মহারাষ্ট্র, উত্তরপ্রদেশ, বিহার, অসম এবং মধ্যপ্রদেশ, ওই সব জায়গায় আইন ব্যবস্থা ঠিক রাখার জন্য পুলিশ একটা রাস্তা নিয়েছে। এখানেও পুলিশকে স্বাধীনতা দেওয়া হয়েছে। এখানেও অপরাধীদের কোনও ক্ষমা নেই। আইন ব্যবস্থা স্থাপনের জন্য যা প্রয়োজন পড়বে, সব করা হবে।', বারুইপুরে পুলিশ এনকাউন্টার প্রসঙ্গে ঠিক এমনটাই দাবি করলেন পঞ্চায়েতমন্ত্রী দিলীপ ঘোষ।

তিনি আরও বলেন, 'মানুষ আমাদের ভোট দিয়েছেন। সাধারণ মানুষ শান্তি চান। বিকাশ চান জনতা। তার জন্য সরকার সব কিছু করবে।' আর তাঁর এই বার্তাতেই পরিষ্কার হয়ে গেল যে বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশকে সম্পূর্ণ ছাড় দেওয়া হয়েছে। তাঁরা আইনত ব্যবস্থা নিতে পারেন। 

ঠিক কী হয়েছিল? 
বারুইপুরে নাবালিকা খুনে অন্যতম অভিযুক্ত প্রভাস মণ্ডলের মৃত্যু হয় পুলিশের গুলিতে। পুলিশ সূত্রে দাবি, মঙ্গলবার রাতে তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয় ঘটনাস্থলে। সেখানে ঘটনা পুনর্নির্মাণের কাজ শুরু হয়। সেই সময়ই পুলিশের হাত থেকে আগ্নেয়াস্ত্র কেড়ে পালানোর চেষ্টা করেছিলেন প্রভাস বলে অভিযোগ। তিনি পুলিশের দিকে গুলিও চালান। তখনই পাল্টা গুলি চালায় পুলিশ। সেই গুলিতে জখম হন তিনি। এমতাবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করে বারুইপুর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানেই চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করে দেন। 

এই ঘটনা পরই শুরু হয়ে যায় রাজনৈতিক তরজা 
বাংলার পুলিশের এই নয়া রূপ নিয়ে রাজ্যে রাজনীতি সরগরম। বিজেপির একাধিক শীর্ষ নেতা পুলিশের এই এনকাউন্টারকে সরাসরি সমর্থন করেছেন। তাঁদের দাবি, এর ফলে অপরাধ প্রবণতা কমবে। মিলবে দ্রুত বিচার। আর এই ভাবনার তালিকায় এবার নাম জুড়ে গেল দিলীপ ঘোষের। 

তবে পুলিশের এই কাণ্ডতে বেজায় 'রেগে' রাজ্যের বিরোধী দলগুলি। কংগ্রেস, সিপিআইএম এবং তৃণমূল কংগ্রেস একযোগে এই ঘটনার নিন্দা করেছে। তাঁদের দাবি, এটা উত্তরপ্রদেশের সংস্কৃতি। এই সংস্কৃতি বাংলায় আমদানি করা চলবে না। 

এছাড়া তারা মনে করছেন, এনকাউন্টারকে প্রশ্রয় দেওয়ার অর্থ হল দেশের আইন ব্যবস্থাকে বুড়ো আঙুল দেখান। আদালতকে এড়িয়ে গিয়ে ন্যায় দেওয়ার ভাবনা। এখানেই শেষ না করে অনেকেই মনে করছেন, তথ্য প্রমাণ লোপাট করতে চেয়েই এই এনকাউন্টার করা হয়েছে। যদিও এই সব অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছে রাজ্য বিজেপি। বরং তারা পুলিশের পাশেই দাঁড়ালেন। 

Advertisement


 

 

Read more!
Advertisement
Advertisement