Advertisement

হাওড়ার ফুলবাজারে বিধ্বংসী আগুন, ব্যাপক যানজট স্ট্র্যান্ড রোডে

রাত তখন ঘড়ির কাঁটায় ন’টা ছুঁইছুঁই। হঠাৎই ফুলবাজারের পাশের একটি মুদিখানার দোকান থেকে ধোঁয়া বেরোতে দেখেন স্থানীয় ব্যবসায়ীরা। বাজার এলাকা হওয়ায় দাহ্য পদার্থের অভাব ছিল না, ফলে কিছু বুঝে ওঠার আগেই আগুনের শিখা আকাশ ছুঁতে শুরু করে।

হাওড়ার ফুলবাজারে বিধ্বংসী আগুন, ব্যাপক যানজট স্ট্র্যান্ড রোডেহাওড়ার ফুলবাজারে বিধ্বংসী আগুন, ব্যাপক যানজট স্ট্র্যান্ড রোডে
Aajtak Bangla
  • নয়াদিল্লি,
  • 16 Apr 2026,
  • अपडेटेड 11:54 PM IST

হাওড়া ব্রিজের ঠিক নিচেই ব্যস্ত ফুলবাজার সংলগ্ন এলাকায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে চাঞ্চল্য ছড়াল। একটি মুদিখানার দোকান থেকে আগুনের সূত্রপাত হলেও মুহূর্তের মধ্যে তা রাক্ষুসে আকার ধারণ করে গ্রাস করে আশপাশের এলাকাকে। কালো ধোঁয়ার কুণ্ডলীতে ঢেকে যায় গোটা হাওড়া স্টেশন ও সংলগ্ন চত্বর। যার জেরে ব্যাহত হয় যান চলাচলও।

রাত তখন ঘড়ির কাঁটায় ন’টা ছুঁইছুঁই। হঠাৎই ফুলবাজারের পাশের একটি মুদিখানার দোকান থেকে ধোঁয়া বেরোতে দেখেন স্থানীয় ব্যবসায়ীরা। বাজার এলাকা হওয়ায় দাহ্য পদার্থের অভাব ছিল না, ফলে কিছু বুঝে ওঠার আগেই আগুনের শিখা আকাশ ছুঁতে শুরু করে। আতঙ্কিত হয়ে পড়েন ফুল ব্যবসায়ীরা। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় দমকলের চারটি ইঞ্জিন। কিন্তু আগুনের তেজ এতটাই ছিল যে, পরে আরও তিনটি ইঞ্জিন পাঠাতে বাধ্য হয় প্রশাসন। দীর্ঘক্ষণ যুদ্ধের পর মোট ৭টি ইঞ্জিনের তৎপরতায় রাত ৯টা ৪০ মিনিট নাগাদ নিয়ন্ত্রণে আসে পরিস্থিতি।

স্তব্ধ হাওড়া ব্রিজের যান চলাচল
আগুন লাগার খবর ছড়াতেই নিরাপত্তার স্বার্থে কলকাতা থেকে হাওড়াগামী রাস্তায় গাড়ি চলাচল নিয়ন্ত্রণ করে পুলিশ। হাওড়া ব্রিজের ওপর থেকে স্পষ্ট দেখা যাচ্ছিল ধোঁয়ার কুণ্ডলী। এর জেরে অফিস ফেরত যাত্রীরাও চরম নাকাল হন। বড়সড় দুর্ঘটনার আশঙ্কায় ওই এলাকায় যানবাহন ঘুরিয়ে দেওয়া হয়।

দমকলের তৎপরতায় প্রাণহানি এড়ানো গেলেও, ব্যবসায়িক ক্ষতির পরিমাণ কিন্তু কম নয়। ফুলবাজারের মতো জনবহুল এলাকায় মুদিখানার মজুত মালপত্র এবং আশপাশের কিছু দোকান আগুনের গ্রাসে ছাই হয়ে গিয়েছে। তবে কীভাবে এই আগুন লাগল, শর্ট সার্কিট নাকি অন্য কোনও কারণ, তা খতিয়ে দেখতে তদন্ত শুরু করেছে দমকল ও পুলিশ।

 

Read more!
Advertisement
Advertisement