
পশ্চিম মেদিনীপুরের খড়্গপুরে চাঞ্চল্যকর ঘটনা। সাতটি গাড়িতে করে মাংস নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল বিভিন্ন স্থানে৷ নির্দিষ্ট সূত্রে পাওয়া খবরের ভিত্তিতে খড়্গপুর গ্রামীণ এলাকার রূপনারায়ণপুরে গাড়িগুলিকে আটক করে পুলিশ ৷ সেখান থেকে পাঁচ হাজারেরও কেজির বেশি প্রাণীজ মাংস উদ্ধার হয় ৷ কসাই খানার অনুমতি পত্র না পেয়ে ১৮ জনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ৷ মাংস বাজেয়াপ্ত করে পশু চিকিতসকদের মাধ্যমে ল্যাবরেটরিতে পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে৷
পুলিশের তরফে জানা গিয়েছে, এই বিপুল পরিমাণে মাংস তা জানা যাবে সেই পরীক্ষায়৷ ধৃতদের বিরুদ্ধে প্রাণী হত্যার ধারা-সহ বিভিন্ন অভিযোগ দেওয়া হয়েছে ৷ ধৃতেরা সকলে খড়্গপুর ও কলকাতার বিভিন্ন স্থানের বাসিন্দা বলে জানা যাচ্ছে ৷
এই বিষয়ে পুলিশ সুপার পাপিয়া সুলতানা বলেন, "সব মিলিয়ে সাতটা গাড়ি আটক করা হয়। সাতটা গাড়িতে প্রচুর মাংস রয়েছে। অথচ ওই গাড়ির লোকজনদের কাছে মাংস কাটার, কসাইখানার বা বহন করার কোনও অনুমতিপত্র ছিল না। এই সাতটা গাড়ির মধ্যে ১৮ জন লোক ছিল, তাদের যখন জিজ্ঞাসা করা হয় তখন তারা ওই মাংস কোথা থেকে কোথায় নিয়ে যাচ্ছিল, কোথায় কাটা হয়েছিল তার কোনও সদুত্তর দিতে পারেনি। নির্দিষ্ট ধারাতে মামলা শুরু করা হয়েছে। এরপর এই মাংসগুলো পরীক্ষা করার জন্য পশু চিকিৎসকদের কাছে পাঠানো হয়েছে।"
ধৃতদের বিরুদ্ধে প্রাণীহত্যার ধারা সহ একাধিক অভিযোগ আনা হয়েছে। ধৃতদের কাছ থেকে পাওয়া মাংসের ওজন প্রায় ৫৮২১ কিলোগ্রাম। ওই মাংসগুলো কোথায় নিয়ে যাচ্ছিল তা এখনো জানা যায়নি। একইসঙ্গে যে গাড়িগুলিতে করে ওগুলি নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল সেগুলিও আইনত অনুমোদিত নয় বলে জানান পুলিশ সুপার।
- শাহজাহান আলি