
টুলু মণ্ডল কাণ্ডে জোর কদমে চলছে পুলিশি তদন্ত, উঠে আসছে একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য। এবার টুলু মণ্ডলকাণ্ডে নজর পূর্ব বর্ধমানের মঙ্গলকোটে। গভীর রাতে মঙ্গলকোটের আইমাপাড়া গ্রামে টুলু মণ্ডলের পাথর খাদানের ম্যানেজার ইফাজুল হকের বাড়িতে তল্লাশি চালাল পুলিশ।
দীর্ঘক্ষণ তল্লাশি চালানো হয়
স্থানীয় সূত্রে খবর, পাঁচিল টপকে বাড়িতে প্রবেশ করেন পুলিশকর্মীরা। দীর্ঘক্ষণ তল্লাশি চালানো হয়। একটি লোহার ট্রাঙ্ক ও একটি লাল স্যুটকেসের তালা ভেঙেও তল্লাশি চালায় পুলিশ। তদন্তকারী সূত্রে জানা যাচ্ছে, টুলু মণ্ডলের একাধিক ম্যানেজারের খোঁজ মিলেছে। এর আগে আরও দুই ম্যানেজারের বাড়িতে তল্লাশি চালানো হয়েছে। এবার সেই তালিকায় যুক্ত হলেন ইফাজুল হক।
ইফাজুল হকও ছিলেন টুলুর ম্যানেজার
এদিকে পুলিশের এই অভিযানে, বেজায় অস্বস্তিতে ইফাজুল হকের বাবা। তিনি জানান, ইফাজুল বাড়িতে এসেছিলেন, তবে চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার নাম করে বেরিয়ে যান। একইসঙ্গে ইফাজুলের বাবার তরফে কার্যত জানান হয়, দুর্ঘটনায় আহত হওয়ার কারণে বিগত একমাসেরও বেশি সময় ধরে বাড়িতেই ছিলেন ইফাজুল। সেক্ষেত্রে ইফাজুল এখনও টুলু মণ্ডলের কাছে কাজ করেন কিনা, বা কাজ ছেড়ে দিলেও কবে ছেড়েছেন, সেইসব বিষয়ে নির্দিষ্ট করে কিছুই জানেন না তিনি।
ইফাজুলের আনা একটি লাল সুটকেস ও একটি বড় লোহার ট্রাঙ্কে তল্লাশি
জানা যাচ্ছে, এই অভিযানে যৌথভাবে অংশ নেয় মঙ্গলকোট থানার পুলিশ এবং বীরভূম জেলা পুলিশ। ইফাজুলের পরিবারের সদস্যদের দাবি, পুলিশ মূলত ইফাজুলের আনা একটি লাল সুটকেস ও একটি বড় লোহার ট্রাঙ্কে তল্লাশি করেছে। তবে তল্লাশিতে আদৌ কিছু উদ্ধার হয়েছে কিনা, বা হলেও ঠিক কী কী উদ্ধার হয়েছে, সেই বিষয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে এখনও পর্যন্ত অফিসিয়ালি কিছু জানান হয়নি। তবে পরিবারের দাবি, পুলিশি তল্লাশিতে আপত্তিকর বা সন্দেহজনক কোনও জিনিস পাওয়া যায়নি।
রিপোর্টার: সুজাতা মেহরা