
হাতে দু-তিন দিনের ছুটি পেলেই বহু বাঙালি বেরিয়ে পড়েন দিঘার উদ্দেশে। রোজকার কর্মব্যস্ততা থেকে একটু ছুটি পেতে বঙ্গবাসীর কাছে দিঘার মাহাত্ম্যই আলাদা। সপরিবারের ছুটি কাটানোর ক্ষেত্রে আজও দিঘার জুড়ি মেলা ভার। এমতাবস্থায় দিঘার সমুদ্রে স্নান ও বিচ সংলগ্ন এলাকার নিরাপত্তা নিয়ে বড় বার্তা দিলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায়।
দাবি করা হচ্ছে, স্বাস্থ্যমন্ত্রী নাকি শাড়ি-সালোয়ার পরে সমুদ্রে নামতে নিষেধাজ্ঞা জারি করার কথা বলেছেন। কিন্তু বাস্তবে তা নয়। মন্ত্রী জানিয়েছেন, “সপ্তাহান্তে বিপুল সংখ্যক পর্যটক সমুদ্রে নামেন। অনেকেই শাড়ি বা সালোয়ার কামিজ পরে স্নান করেন। যা দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়াতে পারে। তাই নিরাপত্তার স্বার্থে সুইমসুট বা সমুদ্রস্নানের উপযোগী পোশাক ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।”
তবে এর সঙ্গেই তিনি বলেছেন, "ভারতীয় সংস্কৃতিতে সুইমশুট পাওয়া যায় এখন। তবুও তাতে কারও যদি অসুবিধা হয়। তবে শাড়ি, সালোয়ার কামিজের রঙের ক্ষেত্রে কিছু পরিবর্তন আনতে হবে। পর্যটকদের চিহ্নিত করতে যাতে উজ্জ্বল রঙের শাড়ি, সালোয়ার কামিজ পরা যায়, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।" অর্থাৎ দিঘায় সমুদ্রে স্নানের ক্ষেত্রে শাড়ি বা সালোয়ার নিষিদ্ধ নয়।
দিঘার সমুদ্রতটে মদের ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা
শাড়ির ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা না হলেও, দিঘার সমুদ্রতটে মদ খাওয়া পুরোপুরি ব্যান করার প্রস্তাব রাখলেন শারদ্বত মুখোপাধ্যায়। তিনি এ প্রসঙ্গে বলেছেন, "সমুদ্রতট ও তট সংলগ্ন এলাকায় মদ্যপান পুরোপুরি ব্য়ান করে দেওয়া উচিত। পুরো দিঘার যে তট সংলগ্ন এলাকা আছে, সেখানে মদ্যপান করে নামা অপরাধ।" পুলিশ-প্রশাসনকে এ বিষয়ে নজর রাখতে নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। দরকারে ব্রেথ অ্যানালাইজার মেশিনও সঙ্গে রাখতে পুলিশকে নির্দেশ দেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন এ বিষয়ে জেলা প্রশাসনের সঙ্গে কথা বলে, শীঘ্রই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।