Advertisement

Lakshmi Puja Weather Update: বঙ্গোপসাগরে গভীর নিম্নচাপে ঘূর্ণিঝড়ের ভ্রুকুটি,লক্ষ্মীপুজোয় বৃষ্টি হবে বাংলায়? জানুন ২৩ জেলার আপডেট

বঙ্গোপসাগরে ঘূর্ণাবর্ত ঘনীভূত হয়ে ইতিমধ্যেই তৈরি হয়েছে নতুন একটি নিম্নচাপ অঞ্চল। আবহাওয়াবিদদের অনুমান, আজ শনিবারই এটি গভীর নিম্নচাপে পরিণত হতে পারে। সেইসঙ্গে মৌসম ভবন জানাচ্ছে, জলীয় বাষ্প সংগ্রহ করে আগামী কয়েকদিনের মধ্যে এই সিস্টেমটি আরও শক্তিশালী হয়ে ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে। এদিকে রবিবার লক্ষ্মীপুজো, কেমন থাকবে বাংলার ২৩ জেলার আবহাওয়া? চলুন জেনে নেওয়া যাক হাওয়া অফিসের আপডেট।

রবিবার কেমন থাকবে বাংলার সব জেলার আবহাওয়া?রবিবার কেমন থাকবে বাংলার সব জেলার আবহাওয়া?
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 24 Oct 2026,
  • अपडेटेड 7:05 PM IST

বঙ্গোপসাগরে ঘূর্ণাবর্ত ঘনীভূত হয়ে ইতিমধ্যেই তৈরি হয়েছে নতুন একটি নিম্নচাপ অঞ্চল। আবহাওয়াবিদদের অনুমান, আজ শনিবারই এটি গভীর নিম্নচাপে পরিণত হতে পারে। সেইসঙ্গে মৌসম ভবন  জানাচ্ছে, জলীয় বাষ্প সংগ্রহ করে আগামী কয়েকদিনের মধ্যে এই সিস্টেমটি আরও শক্তিশালী হয়ে ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে। এদিকে রবিবার লক্ষ্মীপুজো, কেমন থাকবে বাংলার ২৩ জেলার আবহাওয়া? চলুন জেনে নেওয়া যাক হাওয়া অফিসের আপডেট। 

রবিবারের আবহাওয়া
বঙ্গোপসাগরে তৈরি হয়েছে সিস্টেম। সোমবারের মধ্যেই ঘূর্ণিঝড় তৈরির সম্ভাবনা রয়েছে।  এই ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টি হলে প্রাথমিক ভাবে তার অভিমুখ হতে পারে উত্তর অন্ধ্রপ্রদেশ ও তার সংলগ্ন দক্ষিণ ওড়িশা উপকূল। এখনও পর্যন্ত সরাসরি বাংলায় প্রভাব পড়ার আশঙ্কা নেই। তবে পরোক্ষ প্রভাব পড়বে। উপকূলে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সতর্কবার্তা শুনিয়েছে মৌসম ভবন। তবে রবিবার লক্ষ্মীপুজোর দিন বাংলার ২৩ জেলার কোথাও বৃষ্টির কোনও পূর্বাভাস নেই। 

ঘূর্ণিঝড় নিয়ে বুলেটিনে কী জানান হয়েছে?
শনিবারsর বুলেটিনে জানান হয়েছে, পূর্ব-মধ্য এবং সংলগ্ন দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগরের উপর যে নিম্নচাপ অঞ্চলটি ছিল, তা সকালে সুস্পষ্ট নিম্নচাপ অঞ্চলে পরিণত হয়েছে। এর সংলগ্ন ঘূর্ণাবর্তটি রয়েছে সমুদ্রতল থেকে ৫.৮ কিলোমিটার উচ্চতায়। শনিবারই নিম্নচাপ অঞ্চলটি আরও ঘনীভূত হয়ে পূর্ণাঙ্গ নিম্নচাপে পরিণত হবে। তখনও তার অবস্থান পূর্ব-মধ্য এবং সংলগ্ন দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগর। নিম্নচাপ তৈরি হয়ে যাওয়ার পর ক্রমে তা পশ্চিম-উত্তর পশ্চিম দিকে এগিয়ে রবিবার গভীর নিম্নচাপে ঘনীভূত হবে। সোমবার সকালের মধ্যে সেখান থেকে জন্ম নিতে পারে ঘূর্ণিঝড়। বঙ্গোপসাগরে এই ঘূর্ণিঝড় তৈরি হলে তার নাম হবে ‘অর্ণব’।  ঘূর্ণিঝড় ক্রমে পশ্চিম-উত্তর পশ্চিমে সরে সমুদ্রের উপর থেকে আরও শক্তি সঞ্চয় করবে বলে মনে করছেন আবহবিদেরা। ২৮ অক্টোবর, বুধবার সকালে অন্ধ্রপ্রদেশ উপকূলের কাছে তা পৌঁছে যাবে। তার পর হতে পারে ‘ল্যান্ডফল’। এর প্রভাবে দক্ষিণবঙ্গের বিস্তীর্ণ অংশে, বিশেষত উপকূলবর্তী এলাকায় ভারী বর্ষণের সম্ভাবনা রয়েছে।

বাংলায় কবে থেকে বৃষ্টি?
ঘূর্ণিঝড়ের সম্ভাব্য গতিপথ অন্ধ্রপ্রদেশ ও ওড়িশা উপকূলের দিকে হলেও তার প্রভাবে এ রাজ্যের আবহাওয়াতেও পরিবর্তন আসতে পারে। আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২৭ থেকে ৩০ অক্টোবর পর্যন্ত দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। বিশেষ করে দক্ষিণ ২৪ পরগনা এবং পূর্ব মেদিনীপুরের মতো উপকূলবর্তী জেলাগুলিতে ভারী বৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে। পাশাপাশি বাঁকুড়া ও ঝাড়গ্রামেও ২৮ থেকে ৩০ অক্টোবরের মধ্যে ভারী বৃষ্টি হতে পারে। ২৭ অক্টোবর থেকে বাংলার উপকূলবর্তী এলাকায় দমকা হাওয়া বইতে পারে বলেও পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। ফলে সমুদ্র উপকূলে আবহাওয়ার পরিস্থিতির দিকে নজর রাখা জরুরি। তবে কলকাতায় আপাতত মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনার কথা জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর। 

Advertisement

 বুধবার থেকে দক্ষিণের ৬ টি জেলায় রয়েছে ভারী বর্ষণের সম্ভাবনা। আবহাওয়ার রিপোর্ট বলছে, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুরে বুধবার, পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রামে বুধবার থেকে শুক্রবার পর্যন্ত টানা ভারী বৃষ্টি হতে পারে। এছাড়াও বৃহস্পতিবার এবং শুক্রবার, পুরুলিয়া ও বাঁকুড়ায় ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। মঙ্গলবার বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি হবে দক্ষিণ ২৪ পরগনা এবং দুই মেদিনীপুরে। ঝড় বৃষ্টির সম্ভানা রয়েছে উত্তরবঙ্গেও। বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ারে ভারী বৃষ্টি হতে পারে। আবহাওয়ার রিপোর্ট বলছে, উত্তরের বাকি জেলাগুলিতে ওই দুটি দিন বিক্ষিপ্ত বর্ষণ এবং ঘণ্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যাওয়ার পূর্বাভাস রয়েছে। ফলত, লক্ষ্মীপুজো মিটে গেলেই দক্ষিণ ও উত্তর দুই দিকেই আবহাওয়ার মুড সুইং দেখা যেতে চলেছে। এদিকে, মঙ্গলবার থেকে মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যেতে নিষেধ করা হয়েছে। জারি হয়েছে লাল সতর্কতা।

Read more!
Advertisement
Advertisement