Advertisement

মারধর, ইট, ডিম ছোড়া, সোনারপুরে অভিষেকের সঙ্গে ঠিক কী কী ঘটল? বিস্তারিত

প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, কামালগাছির সিগন্যালে অভিষেকের কনভয় থামতেই কয়েকজন পুরুষ ও মহিলা তাঁর গাড়ির দিকে এগিয়ে যান। প্রথমে কালো পতাকা দেখানো হয়, পরে শুরু হয় স্লোগান। এরপর সোনারপুরে নিহত তৃণমূল কর্মীর বাড়ির পথে আরও বড় জমায়েত তৈরি হয়। অভিযোগ, সেখানে উপস্থিত কয়েকজনকে ডিম প্রস্তুত রাখতে বলতেও শোনা যায়।

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।-ফাইল ছবিঅভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।-ফাইল ছবি
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 30 May 2026,
  • अपडेटेड 5:47 PM IST
  • সোনারপুরে নিহত তৃণমূল কর্মীর পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে তীব্র বিক্ষোভের মুখে পড়লেন তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।
  • কালীঘাট থেকে রওনা হয়ে কামালগাছি ও সোনারপুর এলাকায় পৌঁছতেই তাঁকে ঘিরে শুরু হয় বিক্ষোভ।

সোনারপুরে নিহত তৃণমূল কর্মীর পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে তীব্র বিক্ষোভের মুখে পড়লেন তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। কালীঘাট থেকে রওনা হয়ে কামালগাছি ও সোনারপুর এলাকায় পৌঁছতেই তাঁকে ঘিরে শুরু হয় বিক্ষোভ। কালো পতাকা দেখানো, ‘চোর-চোর’ স্লোগান এবং পরে ডিম ছোড়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।

প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, কামালগাছির সিগন্যালে অভিষেকের কনভয় থামতেই কয়েকজন পুরুষ ও মহিলা তাঁর গাড়ির দিকে এগিয়ে যান। প্রথমে কালো পতাকা দেখানো হয়, পরে শুরু হয় স্লোগান। এরপর সোনারপুরে নিহত তৃণমূল কর্মীর বাড়ির পথে আরও বড় জমায়েত তৈরি হয়। অভিযোগ, সেখানে উপস্থিত কয়েকজনকে ডিম প্রস্তুত রাখতে বলতেও শোনা যায়।

পরিস্থিতি জটিল হয়ে উঠলে গাড়ি থেকে নেমে বাইকে করে এগোনোর চেষ্টা করেন অভিষেক। নিরাপত্তার কারণে তিনি মাথায় হেলমেট পরেন। কিন্তু জনতার ভিড়ের কারণে বাইকও আটকে যায়। এরপরই তাঁর উদ্দেশে একের পর এক ডিম ছোড়া শুরু হয় বলে অভিযোগ। চারপাশ থেকে ‘মার, মার’ স্লোগানও শোনা যায়।

বিক্ষোভের এক পর্যায়ে অভিষেককে ধাক্কাধাক্কি করা হয় এবং তাঁর জামা ছিঁড়ে দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ। নিরাপত্তারক্ষীরা তাঁকে ঘিরে সুরক্ষিত রাখার চেষ্টা করেন। ঘটনায় তাঁর চশমাও ভেঙে গিয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।

নিহত কর্মীর বাড়িতে পৌঁছে অভিষেক অভিযোগ করেন, পর্যাপ্ত পুলিশি নিরাপত্তা ছিল না। তাঁর বক্তব্য, 'আমি আগেই সাক্ষী রাখার জন্য হোয়াটসঅ্যাপে বার্তা পাঠিয়ে রেখেছিলাম। এখনও পর্যন্ত কোনও পুলিশকে দেখা যায়নি। আমার চশমা ভেঙে দেওয়া হয়েছে, আমাকে খুনের চেষ্টা হয়েছে। আমি হাইকোর্ট এবং রাজ্যপালের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। এটাই কি গণতন্ত্রের নমুনা?'

তিনি আরও দাবি করেন, আক্রান্ত পরিবারের নিরাপত্তা নিয়েও তিনি উদ্বিগ্ন। তাঁর কথায়, 'আমি এখান থেকে বেরিয়ে গেলে এই পরিবারের উপর হামলা হতে পারে। যতক্ষণ না পর্যাপ্ত পুলিশ আসে, ততক্ষণ আমি এখান থেকে বেরোব না।'

Advertisement

 

Read more!
Advertisement
Advertisement