Advertisement

West Bengal University Bill 2026: বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপক বদলি বিলের বিরোধিতা, রাজ্যপালকে চিঠি শিক্ষাবিদদের

১০ সেপ্টেম্বর পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় পাস হয়েছে 'ওয়েস্ট বেঙ্গল ইউনিভার্সিটিজ অ্যান্ড কলেজেস (অ্যাডমিনিস্ট্রেশন অ্যান্ড রেগুলেশন) (অ্যামেন্ডমেন্ট) বিল, ২০২৬'। এই বিলের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীদের অন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে বদলি করার ক্ষমতা পেয়েছে সরকার। এমতাবস্থায় পশ্চিমবঙ্গ ও দেশের বিভিন্ন স্বনামধন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের একাধিক প্রবীণ শিক্ষাবিদ রাজ্যপাল আর. এন. রবির কাছে একটি আনুষ্ঠানিক চিঠি জমা দিয়েছেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক বদলি নিয়ে রাজ্যপালকে চিঠি (ছবি: পিটিআই ও লোকভবন) বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক বদলি নিয়ে রাজ্যপালকে চিঠি (ছবি: পিটিআই ও লোকভবন)
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 21 Sep 2026,
  • अपडेटेड 8:02 AM IST
  • পাস হয়েছে 'ওয়েস্ট বেঙ্গল ইউনিভার্সিটিজ অ্যান্ড কলেজেস (অ্যাডমিনিস্ট্রেশন অ্যান্ড রেগুলেশন) (অ্যামেন্ডমেন্ট) বিল, ২০২৬
  • এই বিলের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীদের অন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে বদলি করার ক্ষমতা পেয়েছে সরকার
  • এমতাবস্থায় পশ্চিমবঙ্গ ও দেশের বিভিন্ন স্বনামধন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের একাধিক প্রবীণ শিক্ষাবিদ রাজ্যপাল আর. এন. রবির কাছে একটি আনুষ্ঠানিক চিঠি জমা দিয়েছেন

এবার বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ও শিক্ষাকর্মীদের বদলি নীতির বিরোধীতা করে রাজ্যপাল আর. এন. রবির কাছে চিঠি জমা দিলেন শিক্ষাবিদদের একাংশ। তাদের দাবি, এই বিল পাশ হলে শিক্ষাক্ষেত্রে স্বায়ত্তশাসন নষ্ট হবে। গবেষণা করা কঠিন হয়ে পড়বে। 

প্রসঙ্গত, ১০ সেপ্টেম্বর পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় পাস হয়েছে 'ওয়েস্ট বেঙ্গল ইউনিভার্সিটিজ অ্যান্ড কলেজেস (অ্যাডমিনিস্ট্রেশন অ্যান্ড রেগুলেশন) (অ্যামেন্ডমেন্ট) বিল, ২০২৬'। এই বিলের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীদের অন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে বদলি করার ক্ষমতা পেয়েছে সরকার। 

এমতাবস্থায় পশ্চিমবঙ্গ ও দেশের বিভিন্ন স্বনামধন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের একাধিক প্রবীণ শিক্ষাবিদ রাজ্যপাল আর. এন. রবির কাছে একটি আনুষ্ঠানিক চিঠি জমা দিয়েছেন। তাঁদের দাবি, এই বিল আদতে রাজ্যের সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে স্বায়ত্তশাসনের পরিপন্থী। সেই সঙ্গে এই বিল পাশ হলে কোনও প্রতিষ্ঠানের স্থিতিশীলতা সমস্যায় পড়তে পারে। সেই সঙ্গে গবেষণাতেও সমস্যা হতে পারে। পড়ুয়াদের ভবিষ্যৎও ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। 

এছাড়া শিক্ষাবিদদের আশঙ্কা, এই আইনি পরিবর্তনের ফলে বিশ্ববিদ্যালয়গুলির প্রশাসনিক কাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। এমনকী পেশাগত স্বাধীনতা সমস্যার মুখে পড়তে পারে। তাই তাঁরা রাজ্যপালের কাছে বিষয়টি খতিয়ে দেখার অনুরোধ করেছেন। 

পাস হয়েছে বিল
এই কয়েক দিন আগেই বিধানসভায় একদিনের বিশেষ অধিবেশন বসেছিল এই বিলের জন্য। সেখানেই পাস হয়েছে ‘দ্য ওয়েস্ট বেঙ্গল ইউনিভার্সিটিস অ্যান্ড কলেজেস (অ্যাডমিনিস্ট্রেশন অ্যান্ড রেগুলেশন) (অ্যামেন্ডমেন্ড) বিল ২০২৬। এই বিলের পক্ষে ভোট পড়েছে ১৭১টি। ও দিকে মমতাপন্থী তৃণমূলের ১১ বিধায়ক সহ বিপক্ষে ভোট দিলেন মোট ১৫ জন। তবে এই বিলের পক্ষে বা বিপক্ষে ভোট দেয়নি ঋতব্রত তৃণমূল। তাঁরা ওয়াকআউট করেছিলেন। 

প্রথম থেকেই প্রশ্নের মুখে বিল
পশ্চিমবঙ্গের বিশ্ববিদ্যালয়গুলির শিক্ষকদের বদলির দাবি তুলেছিল শাসকদল বিজেপি। তাদের দাবি, একাংশের প্রফেসর ইউনিভার্সিটিগুলিতে শুধু রাজনীতি করে বেড়ান। তাঁরা কোনও কাজ করেন না। তাঁদের কাজই শুধু পড়ুয়াদের ভুল বোঝানো। বাম রাজনীতির দিকে ছাত্রছাত্রীদের ঠেলে দেওয়া। এই পরিস্থিতির পরিবর্তন চেয়ে এই বিল আনা হয়েছে বলে দাবি করে তারা। 

Advertisement

যদিও শিক্ষাবিদদের যুক্তি ছিল, এই বিল কার্যকর করলে অনেক বিশ্ববিদ্যালয় ক্ষতিগ্রস্ত হবে। পিএইচডি করা পড়ুয়ারা বিপদে পড়বে। তাই এই বিল প্রত্যাহারের পক্ষেই সওয়াল করেছেন তারা। এখন দেখার পরিস্থিতি ঠিক কোন দিকে যায়। বিল নিয়ে ঠিক কী মন্তব্য করেন পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল। 

 

Read more!
Advertisement
Advertisement