Advertisement

Adenovirus Symptom And Treatment : আতঙ্কের নয়া নাম অ্যাডিনো ভাইরাস, জানুন উপসর্গ ও চিকিৎসা

এক্ষেত্রে অ্যাডিনো ভাইরাসের হাত থেকে শিশুদের রক্ষা করতে বাবা-মায়েদের সতর্ক হওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকেরা। এমনকী এর উপসর্গ এবং কীভাবে এর থেকে রক্ষা পাওয়া যাবে সেই বিষয়েও পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকেরা। এর যে যে উপসর্গগুলির কথা চিকিৎসকেরা বলছেন সেগুলি হল, জ্বর, সর্দি, কাশি, গলা ব্যথা, নাক দিয়ে জল পড়া, চোখ লাল হয়ে যাওয়া এবং শ্বাস নিতে সমস্যা।

প্রতীকী ছবিপ্রতীকী ছবি
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 20 Feb 2023,
  • अपडेटेड 9:17 AM IST
  • বাড়ছে অ্যাডিনো ভাইরাসে সংক্রমণ
  • জেনে নিন উপসর্গগুলি
  • রইল রক্ষা পাওয়ার উপায়ও

বিগত বেশকিছু মাস ধরেই করোনা অনেকটাই নিয়ন্ত্রিত। মোটের ওপর সাধারণ জীবন যাপনে ফিরেছেন সাধারণ মানুষ। তারই মাঝে এবার নতুন আতঙ্ক। আর আতঙ্কের নয়া নাম অ্যাডিনো ভাইরাস। মূলত শিশুরা আক্রান্ত হচ্ছে এই ভাইরাসে। জেলা থেকে শহর, সর্বত্রই শিশুদের দেহে দেখা যাচ্ছে এই ভাইরাস। হাসপাতালেও ভর্তি করতে হচ্ছে তাদের। এখনও পর্যন্ত বেশ কয়েকজন শিশুর মৃত্যুও হয়েছে। চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন বর্তমানে শিশুরা মূলত যে রোগে আক্রান্ত হচ্ছে, তার বেশিরভাগই অ্যাডেনো ভাইরাস।

অ্যাডিনো ভাইরাসের উপসর্গ (Adenovirus Symptoms)
এক্ষেত্রে অ্যাডিনো ভাইরাসের হাত থেকে শিশুদের রক্ষা করতে বাবা-মায়েদের সতর্ক হওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকেরা। এমনকী এর উপসর্গ এবং কীভাবে এর থেকে রক্ষা পাওয়া যাবে সেই বিষয়েও পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকেরা। এর যে যে উপসর্গগুলির কথা চিকিৎসকেরা বলছেন সেগুলি হল, জ্বর, সর্দি, কাশি, গলা ব্যথা, নাক দিয়ে জল পড়া, চোখ লাল হয়ে যাওয়া এবং শ্বাস নিতে সমস্যা। আর শিশুর দেহে এই ধরণের উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। চিকিৎসকরা আরও বলছেন, শিশুর বয়স যত কম, এই রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কাও বেশি। 

বাবা-মায়েদের পরামর্শ (Adenovirus Treatment)
শিশু চিকিৎসকেরা কোভিডের মতোই অ্যাডিনো ভাইরাসকে সংক্রামক জানিয়ে মাস্ক পরা ও দূরত্ববিধি মেনে চলার পরামর্শও দিচ্ছেন। পাশাপাশি শিশুদের বাবা-মায়ের উদ্দেশে ৫টি গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। রাজ্য স্বাস্থ্য অধিকর্তা সিদ্ধার্থ নিয়োগী বিবৃতি দিয়ে অ্যাডিনো ভাইরাস মোকাবিলায় বাবা-মায়ের উদ্দেশ্যে পাঁচ পরামর্শ দিয়েছেন। সেগুলি হল, অসুস্থ শিশুকে স্কুলে না পাঠানো, ভিড় এড়িয়ে চলা, বাস-ট্রেন-সহ ভিড় এলাকায় মাস্ক পরা, নিজের থেকে অ্যান্টিবায়োটিক না খাওয়া এবং জ্বর, মাথাব্যথা, সর্দি-কাশির উপসর্গ হলেই শিশুকে চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যাওয়া। এককথায় এই ভাইরাসের প্রভাব মারাত্মক বলেই মনে করছেন চিকিৎসকেরা। তাই শিশুদের স্বাস্থ্যের স্বার্থে তাদের বাবা-মায়েদের আরও বেশি করে সতর্ক থাকারই পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

Advertisement

 

Read more!
Advertisement
Advertisement