Advertisement

এ বার মমতার সাংসদীয় দলেও বড় ভাঙন? অভিষেকের বিরুদ্ধে ক্ষোভ কিন্তু দিল্লিতেও

দলীয় সূত্রে জানা যাচ্ছে, পরিস্থিতি সামাল দিতে তৃণমূল এখন থেকেই আইনি পরামর্শ নিতে শুরু করেছে। নজর রাখা হচ্ছে স্পিকারের ভূমিকার দিকেও। প্রয়োজনে সুপ্রিম কোর্টে যাওয়ার প্রস্তুতিও রাখা হচ্ছে বলে খবর। দলের শীর্ষ নেতৃত্ব, বিশেষ করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, দিল্লিতে ইন্ডিয়া জোটের বৈঠকে অংশ নেওয়ার সময় শীর্ষ আইনজীবীদের সঙ্গে আলাদা করে আলোচনা করতে পারেন।

Aajtak Bangla
  • দিল্লি,
  • 04 Jun 2026,
  • अपडेटेड 2:29 PM IST
  • রাজ্যে রাজনৈতিক অস্থিরতা ক্রমেই তীব্র হচ্ছে।
  • দলের ভেতরে ভাঙন স্পষ্ট হয়ে উঠেছে, আর তার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছেন তৃণমূল কংগ্রেসের এককালের দ্বিতীয় শীর্ষ নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।

রাজ্যে রাজনৈতিক অস্থিরতা ক্রমেই তীব্র হচ্ছে। দলের ভেতরে ভাঙন স্পষ্ট হয়ে উঠেছে, আর তার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছেন তৃণমূল কংগ্রেসের এককালের দ্বিতীয় শীর্ষ নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সূত্রের দাবি, লোকসভায় তৃণমূলের সংসদীয় দলনেতা হিসেবে তাঁর বিরুদ্ধে অনাস্থা আনার প্রস্তুতিও শুরু হয়েছে। দলের একাধিক সাংসদের সঙ্গে নেতৃত্বের যোগাযোগও নাকি ক্রমশ কমে এসেছে।

এরই মধ্যে বিধানসভায় পরিস্থিতি আরও জটিল আকার নিয়েছে। সেখানে ৫৮ জন বিধায়কের সমর্থন নিয়ে বিরোধী দলনেতার ভূমিকায় উঠে এসেছেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বিধানসভায় বসেই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে একের পর এক তীব্র আক্রমণ শানিয়েছেন। এই ঘটনার পর লোকসভায় তৃণমূলের ভাঙন নেতৃত্ব দেবেন কে, তা নিয়েও রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর জল্পনা। সম্ভাব্য নাম হিসেবে উঠে আসছে বিদ্রোহী সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদারের নাম। অন্যদিকে রাজ্যসভায় সুখেন্দুশেখর রায়ের অবস্থান নিয়েও দলে অস্বস্তি বাড়ছে।

দলের অভ্যন্তরীণ অস্থিরতা আরও বাড়িয়েছে সাংসদদের পারস্পরিক বিরোধ। কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় ও কাকলি ঘোষ দস্তিদারের মধ্যে সাম্প্রতিক মতবিরোধ প্রকাশ্যে এসেছে, যা ঘিরে নতুন করে চাপানউতোর তৈরি হয়েছে। এমনকি কাকলি ইতিমধ্যেই লোকসভার স্পিকারের কাছে অভিযোগও জানিয়েছেন। এখন প্রশ্ন, চিফ হুইপ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে অন্য সাংসদরাও কি একই অবস্থান নেবেন?

এই পরিস্থিতির মধ্যেই দিল্লিতে তৃণমূলকে আরও চাপে ফেলতে কেন্দ্রীয় সরকারের কিছু আইনগত ও সাংবিধানিক পদক্ষেপ নিয়েও জল্পনা বাড়ছে। ডিলিমিটেশন বিল নতুন করে আনা হতে পারে বলেও আলোচনা চলছে। পাশাপাশি ‘এক দেশ, এক নির্বাচন’ সংক্রান্ত বিল নিয়েও দ্রুত অগ্রগতির ইঙ্গিত মিলেছে।

দলীয় সূত্রে জানা যাচ্ছে, পরিস্থিতি সামাল দিতে তৃণমূল এখন থেকেই আইনি পরামর্শ নিতে শুরু করেছে। নজর রাখা হচ্ছে স্পিকারের ভূমিকার দিকেও। প্রয়োজনে সুপ্রিম কোর্টে যাওয়ার প্রস্তুতিও রাখা হচ্ছে বলে খবর। দলের শীর্ষ নেতৃত্ব, বিশেষ করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, দিল্লিতে ইন্ডিয়া জোটের বৈঠকে অংশ নেওয়ার সময় শীর্ষ আইনজীবীদের সঙ্গে আলাদা করে আলোচনা করতে পারেন।

Advertisement

রাজনৈতিক মহলের মতে, এই সংঘাতের ভবিষ্যৎ নির্ভর করছে আদালত ও সাংবিধানিক প্রক্রিয়ার উপর, যেখানে মহারাষ্ট্রের শিবসেনা ও এনসিপি মামলার নজির গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে।

 

Read more!
Advertisement
Advertisement