
‘প্রতিবাদ করার অধিকার তাঁরও আছে’; মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে এমনটাই বললেন অগ্নিমিত্রা পল। তাঁর বক্তব্য, গণতান্ত্রিক দেশে সভা করার অধিকার যেমন রয়েছে, তেমনই প্রতিবাদ করার অধিকারও রয়েছে। সেই অধিকার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়েরও আছে। তবে একই সঙ্গে রাজ্যে দীর্ঘদিনের শাসন, দুর্নীতি নিয়ে মানুষের ক্ষোভ এবং সরকার পরিবর্তনের প্রসঙ্গও তুলে ধরেন তিনি।
হাওড়ার শরৎ সদনে একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন অগ্নিমিত্রা। ‘সেবা মেরা সহযোগ’ কর্মসূচির অংশ হিসাবেই ওই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। সেখানেই সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন তিনি। একাধিক রাজনৈতিক এবং প্রশাসনিক বিষয় নিয়ে তাঁকে প্রশ্ন করা হয়।
মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে নিয়েও প্রশ্ন করা হয়েছিল অগ্নিমিত্রাকে। তবে এই বিষয়ে কোনও মন্তব্য করতে চাননি তিনি। অগ্নিমিত্রা জানান, দলের শীর্ষ নেতৃত্বই ওই বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানাবে।
তবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সভা নিয়ে প্রশ্ন করা হলে অগ্নিমিত্রা বলেন, গণতন্ত্রে প্রত্যেকেরই সভা করার অধিকার রয়েছে। প্রতিবাদ করার অধিকারও রয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়েরও সেই অধিকার রয়েছে।
তবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে সরব হন অগ্নিমিত্রা। তাঁর দাবি, বাংলার মানুষ দীর্ঘ সময় ধরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তাঁর দলকে রাজ্য চালানোর সুযোগ দিয়েছেন। কিন্তু সেই সুযোগের যথাযথ ব্যবহার হয়নি বলে মনে করেন তিনি।
তাঁর দাবি, দুর্নীতি ও ঔদ্ধত্যের মতো বিষয়গুলি নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। সেই ক্ষোভ থেকেই রাজ্যে পরিবর্তনের ভাবনা তৈরি হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।
অগ্নিমিত্রার কথায়, শুধু সভা বা প্রতিবাদ করলেই মানুষের সিদ্ধান্ত বদলানো সম্ভব নয়। তাঁর দাবি, বাংলার মানুষ রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত নিতে সময় নেন। তাঁরা পরিস্থিতি দেখেন। বিচার করেন। কিন্তু একবার কোনও সিদ্ধান্তে পৌঁছে গেলে সেই সিদ্ধান্ত থেকে সহজে সরে আসেন না।
সংবাদদাতা: বৈদ্যনাথ ঝা