
'প্রকৃতিকে সম্মান করুন। নিজেদের বাড়ি তৈরির জন্য গাছ কাটবেন না'। নেপাল বিপর্যয় নিয়ে এমনই মন্তব্য করতে শোনা গেল অগ্নিমিত্রা পালকে। বুধবার নেপালে হড়পা বানের জেরে মহাপ্রলয় ঘটে গিয়েছে। রাক্ষুসে জলস্রোতের গ্রাসে চলে গিয়েছে গ্রামের পর গ্রাম, শহরের পর শহর। ভেঙেছে রাস্তা, একাধিক সেতু। মৃত্যু হয়েছে শয়ে শয়ে মানুষের। লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে প্রাণহানি। নিখোঁজ প্রায় ৩০০ ভারতীয়। তালিকায় রয়েছে বাংলার পর্যটকরাও।
এই পরিস্থিতি নিয়ে আসানসোল থেকে মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল বলেন, 'প্রকৃতি মা যেভাবে আক্রমণ করেছে, আমরা কল্পনাও করতে পারি না। যে কোনও সময়ে, যা কিছু ঘটে যেতে পারে। মানুষের প্রাণ হাতে করে পালানোর জন্য ৩ সেকেন্ডও সময় ছিল না। নেপালের বিপর্যয় আমাদের বুঝিয়ে দিল, প্রকৃতিকে আমাদের সম্মান করতে হবে। নিজেদের ঘর তৈরির জন্য গাছ কাটবেন না।'
আচমকা তিব্বত থেকে নেপালের ভোটে কোশী নদী বেয়ে নেমেছে হাজারটা জলপ্রপাতের সমান হড়পা বান। যার তোড়ে নিশ্চিহ্ন হয়ে গিয়েছে নেপালের রাসুয়া, ধাদিং সহ একাধিক জেলা। বহু গ্রাম-শহর বিধ্বস্ত।
উল্লেখ্য, নেপালে নিখোঁজ রাজ্যের পর্যটকদের পরিবারদের পাশে থাকার বার্তা দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি জানিয়েছেন, সেক্রেটরিয়েট থেকে এবং হেড কোয়ার্টার থেকে কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে। তিনি ঈশ্বরে বিশ্বাসী। ভগবানের কাছে তিনি প্রার্থনা করবেন, যাতে সকলে সুস্থ অবস্থায় ফিরে আসেন। এছাড়া তিনি এই ইভেন্ট থেকেই নেপালের পাশে থাকবেন বলেও জানিয়ে দেন।
ইতিমধ্যেই চালু করা হয়েছে হেল্পলাইন নম্বর। বিষয়টা নিয়ে খোদ মুখ খুলেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি জানিয়েছেন, নেপালে থাকা ভারতীয় নাগরিক কিংবা তাঁদের পরিবারের সদস্যরা প্রয়োজন হলে কাঠমান্ডুতে ভারতীয় দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারবেন। দূতাবাসের ফোন ও WhatsApp নম্বর +977 985 131 6807 এবং +977 970 910 7500।