Advertisement

Kolkata News: অনন্যার ওয়ার্ড অফিসের ডায়েরিতে টাকার হিসাব, কন্ডোম পাওয়ার অভিযোগ

কলকাতা পুরনিগমের ১০৯ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর অনন্যা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মুকুন্দপুরের ওয়ার্ড অফিস ঘিরে একাধিক অভিযোগ। অফিস থেকে উদ্ধার হওয়া একাধিক ডায়েরিতে প্রোমোটার, চাকরিপ্রার্থী এবং একটি বেসরকারি হাসপাতালের নামের পাশে টাকার অঙ্ক লেখা রয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে।

ফাইল ছবিফাইল ছবি
Aajtak Bangla
  • কলকাতা ,
  • 15 Jun 2026,
  • अपडेटेड 6:54 PM IST
  • মুকুন্দপুরের ওয়ার্ড অফিস ঘিরে একাধিক অভিযোগ।
  • কন্ডোম-গর্ভনিরোধক মিলেছে বলেও দাবি করেছেন এক স্থানীয়।  
  • টাকা তোলার হিসাব ওই খাতাগুলিতে নথিভুক্ত রয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে।

কলকাতা পুরনিগমের ১০৯ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর অনন্যা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মুকুন্দপুরের ওয়ার্ড অফিস ঘিরে একাধিক অভিযোগ। অফিস থেকে উদ্ধার হওয়া একাধিক ডায়েরিতে প্রোমোটার, চাকরিপ্রার্থী এবং একটি বেসরকারি হাসপাতালের নামের পাশে টাকার অঙ্ক লেখা রয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে। টিভি নাইন বাংলার প্রতিবেদন অনুযায়ী, সেখান থেকে কন্ডোম-গর্ভনিরোধক মিলেছে বলেও দাবি করেছেন এক স্থানীয়।  ঘটনার সময় অনন্যা বন্দ্যোপাধ্যায় একটি সরকারি অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। সেই সময়েই তাঁর মুকুন্দপুরের ওয়ার্ড অফিসে থেকে একাধিক নথি সামনে আসে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, উদ্ধার হওয়া ডায়েরিগুলিতে বিভিন্ন ব্যক্তি ও সংস্থার নামের পাশে নির্দিষ্ট টাকার পরিমাণ লেখা রয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, এলাকার বিভিন্ন নির্মাণ প্রকল্প এবং চাকরি দেওয়ার নাম করে টাকা তোলার হিসাব ওই খাতাগুলিতে নথিভুক্ত রয়েছে। এর সত্যতা যাচাই করেনি bangla.aajtak.in।

অভিযোগ অনুযায়ী, কয়েক জন স্থানীয় প্রোমোটারের কাছ থেকে ১০ লক্ষ থেকে ১৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত নেওয়ার উল্লেখ রয়েছে ডায়েরিতে। এমনকি একটি বেসরকারি হাসপাতালের নামও সেখানে রয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী স্থানীয়দের একাংশের দাবি, এলাকায় নির্মিত প্রায় প্রতিটি বহুতলের ক্ষেত্রেই ৫০ হাজার থেকে ১ লক্ষ টাকা পর্যন্ত নেওয়া হত।

আরও চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে একটি হলুদ রঙের খাতা ঘিরে। স্থানীয়দের দাবি, ওই খাতায় চাকরি দেওয়ার নামে কার কাছ থেকে কত টাকা নেওয়া হয়েছে, তার বিস্তারিত হিসাব রয়েছে। স্বাস্থ্য দফতর, এসডব্লিউএম এবং অন্যান্য সরকারি বিভাগের নাম উল্লেখ করে সম্ভাব্য চাকরিপ্রার্থীদের তালিকাও সেখানে নথিভুক্ত ছিল বলে অভিযোগ তোলা হচ্ছে। মুকুন্দপুর, বিকাশ গুহ কলোনি এবং মুকুন্দপুর ৬বি-সহ বিভিন্ন এলাকা ভাগ করে নাম লেখা ছিল বলেও দাবি।

উল্লেখ্য, ডায়েরি বা অন্যান্য সামগ্রী উদ্ধারের ঘটনাকে কেন্দ্র করে এখনও পর্যন্ত কোনও সরকারি তদন্ত বা প্রশাসনিক পদক্ষেপের বিষয়ে কোনও অফিসিয়াল ঘোষণা করা হয়নি।   

Read more!
Advertisement
Advertisement