Advertisement

Anubrata Mondal: মমতার তৃণমূল ছাড়ছেন? ফোনে অনুব্রত বললেন, 'গলা ব্যথা'

এবার কি দিদির সঙ্গ ছেড়ে ঋতব্রতপন্থী তৃণমূলে যোগ দিতে যাচ্ছেন স্নেহধন্য অনুব্রত মণ্ডল। দীর্ঘদিন জেল খেটে আসা সত্ত্বেও তাঁর কোনও দোষ দেখেননি মমতা। অথচ তাঁর দুর্দিনে কেষ্ট শিবির বদল করতে চলেছেন? bangla.aajtak.in-এর প্রশ্নে কি বললেন অনুব্রত মণ্ডল?

অনুব্রত মণ্ডল অনুব্রত মণ্ডল
রূপসা ঘোষাল
  • বীরভূম,
  • 11 Jul 2026,
  • अपडेटेड 4:10 PM IST
  • দিদির সঙ্গ ছেড়ে ঋতব্রতপন্থী তৃণমূলে যোগ?
  • ঋতব্রতর সঙ্গে তাঁর কথা হয়ে গিয়েছে?
  • অনুব্রত মণ্ডলের জবাব, 'গলায় খুব ব্যথা'

তিনি দিদির স্নেহের 'কেষ্ট'। তাই তো গরু পাচার মামলায় অভিযুক্ত হিসেবে দীর্ঘদিন জেল খেটে আসা সত্ত্বেও তাঁর কোনও দোষ দেখেননি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু সেই অনুব্রত মণ্ডলই কি এবার দিদির সঙ্গ ছাড়তে চলেছেন? জল্পনা রটেছে, ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে তাঁর ফোন কলে কথা পাকা হয়ে গিয়েছে। বিদ্রোহী তৃণমূল শিবিরে আসতে চলেছেন বীরভূমের একদা দৌর্দণ্ডপ্রতাপ এই তৃণমূল নেতা। bangla.aajtak.in-এর প্রশ্নে কি এই জল্পনাতেই সিলমোহর দিলেন অনুব্রত মণ্ডল? 

শুক্রবার বিধানসভায় প্রাক্তন ডেপুটি স্পিকার আশিস বন্দ্যোপাধ্যায় ঋতব্রতর সঙ্গে দেখা করেন বলে খবর। সূত্রের খবর, তারপরেই বিধানসভা থেকে ঋতব্রত শিবিরের এক বিধায়ক ফোন করেন অনুব্রতকে। ঋতব্রত শিবিরে যোগদানের বিষয়ে কথা প্রায় পাকা হয়ে যায় তাঁদের মধ্যে। 

এ প্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হলে bangla.aajtak.in-কে অনুব্রত মণ্ডল প্রথমে বলেন, 'আমার গলায় খুব ব্যথা, আমি কথা বলতে পারছি না একদম।' অসুস্থতার কথা জানালেও অনুব্রত স্বীকার করেন তাঁর সঙ্গে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের এখন যোগাযোগ রয়েছে। তিনি বলেন, 'ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে তো আজকে নয়, অনেকদিন ধরেই যোগাযোগ। ওঁর সঙ্গে যোগাযোগ আছে।'

সূত্রের খবর, ঋতব্রতপন্থীদের দলে নাম লেখালে ফের বীরভূমের জেলা সভাপতি পদেই বসবেন অনুব্রত মণ্ডল। ফোনে নাকি দু'জনে এই কথাই পাকা হয়েছে। যদিও এই নিয়ে প্রকাশ্যে কারও তরফেই কোনও বিবৃতি আসেনি।  শনিবার ঋতব্রত শিবিরের কর্মসমিতির বৈঠক রয়েছে। ওই বৈঠকের পর কোনও ঘোষণা হতে পারে বলে অনুমান করা হচ্ছে। 

অনুব্রত মণ্ডল বরাবরই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুগত।  এক বার অনুব্রতের প্রসঙ্গে জনসভা থেকে মমতা বলেছিলেন, 'কেষ্টর মাথায় অক্সিজেন কম যায়।' যা নিয়ে রাজ্য রাজনীতিতে ব্যঙ্গ কম হয়নি। তবে মমতার স্নেহধন্য সেই অনুব্রতই নির্বাচনের পর থেকে খানিকটা বেসুরো হয়েছিলেন।  তাঁর মুখে শোনা যায়, কংগ্রেসকে ‘চটানো’ উচিত হয়নি। আবার কখনও শোনা যায়, সম্মান না-পেলে আর দল করবেন না, এমন কথাও। সেক্ষেত্রে কি দুর্দিনে কেষ্টও শেষ পর্যন্ত দিদির হাত ছেড়ে দিলেন? তাঁর শনিবারের জবাব খানিকটা সে দিকেই ইঙ্গিত করল। 

Advertisement

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে তিনি আছেন কি না, এ প্রশ্ন শুনে ফোনের অপর প্রান্ত থেকে কেষ্ট বলেন, 'গলায় খুব ব্যথা করছে বলতে পারছি না। জ্বরে মরছি আমি।' 

 

Read more!
Advertisement
Advertisement