Advertisement

Babughat Mayapur ferry service: বাবুঘাট থেকে ফেরিতে মায়াপুর! বড় খবর দিল রাজ্য পর্যটন দফতর

Babughat-Mayapur Ferry: কলকাতার বাবুঘাট থেকে ফেরিতে মায়াপুর। এমনই পরিকল্পনা রাজ্য সরকারের। শুধু মায়াপুর নয়, গঙ্গার দু’পাড়ের ধর্মীয়, ঐতিহাসিক এবং সাংস্কৃতিক গুরুত্বপূর্ণ জায়গাগুলিকেও জলপথে জুড়ে দেওয়ার ভাবনা।

শুধু মায়াপুর নয়, গঙ্গার দু’পাড়ের ধর্মীয়, ঐতিহাসিক এবং সাংস্কৃতিক গুরুত্বপূর্ণ জায়গাগুলিকেও জলপথে জুড়ে দেওয়ার ভাবনা। শুধু মায়াপুর নয়, গঙ্গার দু’পাড়ের ধর্মীয়, ঐতিহাসিক এবং সাংস্কৃতিক গুরুত্বপূর্ণ জায়গাগুলিকেও জলপথে জুড়ে দেওয়ার ভাবনা।
Aajtak Bangla
  • কলকাতা ,
  • 30 Aug 2026,
  • अपडेटेड 6:59 PM IST
  • কলকাতার বাবুঘাট থেকে ফেরিতে মায়াপুর। 
  •  এমনই পরিকল্পনা রাজ্য সরকারের।
  • ভবিষ্যতে গঙ্গার বুকে ফেরি বা ভেসেলে চেপেই ঘুরে দেখা যেতে পারে বাংলার একাধিক দর্শনীয় স্থান।

Babughat-Mayapur Ferry: কলকাতার বাবুঘাট থেকে ফেরিতে মায়াপুর। এমনই পরিকল্পনা রাজ্য সরকারের। শুধু মায়াপুর নয়, গঙ্গার দু’পাড়ের ধর্মীয়, ঐতিহাসিক এবং সাংস্কৃতিক গুরুত্বপূর্ণ জায়গাগুলিকেও জলপথে জুড়ে দেওয়ার ভাবনা। ফলে ভবিষ্যতে গঙ্গার বুকে ফেরি বা ভেসেলে চেপেই ঘুরে দেখা যেতে পারে বাংলার একাধিক দর্শনীয় স্থান। ব্যাপারটি যে বেশ মনোরম হবে, তা বলাই বাহুল্য। রাজ্য সরকারের পরিকল্পনায় ধর্মীয় পর্যটনের পাশাপাশি হেরিটেজ ট্যুরিজমকেও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। সেই ভাবনা থেকেই বাবুঘাট-মায়াপুর ফেরি পরিষেবা চালুর পরিকল্পনা। প্রস্তাবিত এই রুটে দু’টি হাইব্রিড ডিজেল-ইলেকট্রিক ফেরি চালানোর কথা ভাবা হয়েছে।  

বাবুঘাট থেকে মায়াপুর, জলপথে 
মায়াপুর বাংলার অন্যতম জনপ্রিয় ধর্মীয় পর্যটন কেন্দ্র। প্রতি বছর দেশ-বিদেশের বহু মানুষ সেখানে যান। কলকাতা থেকে সড়ক বা রেলপথে মায়াপুর যাওয়া যায়। কলকাতার দিক থেকে যাওয়া বেশ লম্বা সময়ের ব্যাপার। হেকটিকও বটে। জলপথে সেটা যাওয়া গেলে যে বেশ মনোরম ও দ্রুত হবে, তা বলাই যায়। 

পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে বাবুঘাট থেকেই ফেরিতে উঠে গঙ্গার বুক দিয়ে মায়াপুর পৌঁছনো যাবে। শুধু গন্তব্যে পৌঁছনো নয়, বরং আলাদা একটি ভ্রমণ অভিজ্ঞতাও মিলবে।

একই জলপথে বেলুড় মঠ, দক্ষিণেশ্বর
শুধু মায়াপুর নয়, গঙ্গার তীরে থাকা একাধিক ধর্মীয় স্থানকেও জলপথ পর্যটনের সঙ্গে যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে। তার মধ্যে রয়েছে দক্ষিণেশ্বর এবং বেলুড় মঠ।

রাজ্যের পর্যটন মন্ত্রী শংকর ঘোষ জানিয়েছেন, নদীর তীরে অবস্থিত গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় ও ঐতিহাসিক স্থানগুলিকে জলপথের মাধ্যমে যুক্ত করার বিষয়ে সরকার কাজ করছে। ফলে ভবিষ্যতে পর্যটকেরা এক যাত্রাতেই গঙ্গার তীরের একাধিক দর্শনীয় স্থান ঘুরে দেখতে পারেন।

অন্নপূর্ণা থেকে হংসেশ্বরী 
প্রস্তাবিত প্ল্যানে অন্নপূর্ণা মন্দির, হংসেশ্বরী মন্দির, দক্ষিণেশ্বর এবং বেলুড় মঠের মতো জায়গাগুলিকে একই জলপথ পর্যটনের সঙ্গে যুক্ত করার কথা ভাবা হয়েছে।  

চন্দননগর-শ্রীরামপুর-ব্যান্ডেল-ব্যারাকপুরও জুড়বে জলপথে
ধর্মীয় পর্যটনের পাশাপাশি বাংলার ঔপনিবেশিক ইতিহাসও তুলে ধরতে চাইছে রাজ্য। সেই কারণে ব্যারাকপুর, শ্রীরামপুর, চন্দননগর এবং ব্যান্ডেল-কে জলপথে যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে।

Advertisement

এই অঞ্চলের সঙ্গে জড়িয়ে ব্রিটিশ শাসন, স্বাধীনতা আন্দোলন এবং ইউরোপীয় উপনিবেশের বহু ইতিহাস। বিশেষ করে চন্দননগরের পুরনো স্থাপত্য ও ফরাসি ঐতিহ্যের কারণে জায়গাটি পর্যটকদের কাছে আকর্ষণীয়। শ্রীরামপুর, ব্যান্ডেল এবং ব্যারাকপুরও ইতিহাসের নানা গুরুত্বপূর্ণ ঘটনার সাক্ষী। 

পরিবেশবান্ধব ভেসেলে জলপথ পর্যটনে জোর
রাজ্যের পরিকল্পনায় শুধু নতুন রুট তৈরিই নয়, পরিবেশের বিষয়টিও গুরুত্ব পাচ্ছে। ভবিষ্যতে এই রুটগুলিতে যে ভেসেল চালানোর পরিকল্পনা রয়েছে, তাতে পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তি ব্যবহারের উপর জোর দেওয়া হচ্ছে। তবে প্রস্তাবিত রুট ও পরিষেবা কবে থেকে পুরোপুরি চালু হবে, তা এখনও চূড়ান্ত নয়। 

Read more!
Advertisement
Advertisement