Advertisement

Bageshwar Baba: 'আপনাদের খাওয়া নিয়ে কেন বলব?', আমিষকাণ্ডে সুরবদল বাগেশ্বরের

বাগেশ্বর বাবা বলেন, 'দুর্গাপুজোর বিষয়ে আমি বলেছিলাম, দেবীর আশেপাশের জায়গায় পবিত্রতা বজায় রাখুন। মাছ, মাংস প্যান্ডেলে নয়, বাড়িতে বসে খান। আমি কারও খাদ্যাভ্যাস বা জীবনে কোন নিয়ম লাগু করতে পারি নাকি! কিন্তু ধর্মগুরু হয়েছি বলে হিংসার বিরুদ্ধে কথা তো বলাই যায়।'

বাগেশ্বর বাবা (ছবি: ফেসবুক @ बागेश्वर धाम सरकार)বাগেশ্বর বাবা (ছবি: ফেসবুক @ बागेश्वर धाम सरकार)
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 11 Sep 2026,
  • अपडेटेड 6:00 PM IST
  • দুর্গাপুজোর বিষয়ে আমি বলেছিলাম, দেবীর আশেপাশের জায়গায় পবিত্রতা বজায় রাখুন
  • মাছ, মাংস প্যান্ডেলে নয়, বাড়িতে বসে খান
  • আমি কারও খাদ্যাভ্যাস বা জীবনে কোন নিয়ম লাগু করতে পারি নাকি!

দুর্গা পুজোয় আমিষ খাওয়া নিয়ে মন্তব্য করে বিতর্কে জড়িয়েছেন বাগেশ্বর বাবা। বিজেপি বিরোধী সব দল একত্রে বাগেশ্বরধামের ধীরেন্দ্রকৃষ্ণ শাস্ত্রীর বিরুদ্ধে সরব হন। এই পরিস্থিতিতে নিজের হয়ে সাফাই দিলেন বাগেশ্বর বাবা। স্কটল্যান্ড থেকে তিনি বললেন, ‘আমি আপনার খাওয়া নিয়ে কেন বলব? আপনারা তো আমাদের নিজের। আমি কেন বলব?'

তিনি আরও দাবি করেন, দুর্গাপুজোয় তিনি দেবীর আশপাশের জায়গায় পবিত্রতা রাখতে বলেছিলেন। তাঁর অন্য কোনও উদ্দেশ্য ছিল না। বাগেশ্বর বাবা বলেন, 'দুর্গাপুজোর বিষয়ে আমি বলেছিলাম, দেবীর আশেপাশের জায়গায় পবিত্রতা বজায় রাখুন। মাছ, মাংস প্যান্ডেলে নয়, বাড়িতে বসে খান। আমি কারও খাদ্যাভ্যাস বা জীবনে কোন নিয়ম লাগু করতে পারি নাকি! কিন্তু ধর্মগুরু হয়েছি বলে হিংসার বিরুদ্ধে কথা তো বলাই যায়।'

আর বাগেশ্বর বাবার মন্তব্যেই পরিষ্কার, তিনি এই বিতর্ক থেকে এবার বেরিয়ে আসতে চাইছেন। নিজেকে এর থেকে দূর করতে চাইছেন। 

কী বলেছিলেন বাগেশ্বর বাবা? 
হাওড়ার লিলুয়ায় ‘হনুমান কথা’র আসরে এসেছিলেন ধীরেন্দ্রকৃষ্ণ শাস্ত্রী। ওই অনুষ্ঠানে ধীরেন্দ্রকৃষ্ণ শাস্ত্রী বলেন, 'কিছু মনে করবেন না, পশ্চিমবঙ্গের একটি বিষয় আমার ভাল লাগে না। এখানে নবরাত্রির সময় দুর্গা প্যান্ডেলের পিছনে বা মঞ্চের নীচে অনেকে আমিষ খাবার খায়। প্যান্ডেলের পিছনে নোংরা নোংরা খাবার তৈরি করা হয়। আমার এটা একেবারেই পছন্দ নয়।'

এরপরই তাঁর কথা নিয়ে শুরু হয়ে যায় বিতর্ক। এমন পরিস্থিতিতে ড্যামেজ কন্ট্রোলে নামেন বিজেপির তাবড় নেতারা। 

বিজেপি সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য বলেন, 'নবমীতে বাঙালি পাঁঠার মাংস খায়। আর অষ্টমীতে খায় লুচি। সেটাই খাবে। আর বাগেশ্বর বাবা অন্য দুনিয়ার মানুষ। ওঁর অনেক ভক্ত আছেন। গোটা দেশে ওঁর ভক্ত আছেন। আমিও গিয়েছিলাম ওঁর সঙ্গে দেখা করতে। ওঁর চেহারায় আলাদা গ্লো আছে। নমস্কার করেছি। আমায় ওড়না পরিয়েছেন। কিন্তু বাংলার মানুষ কী খাবেন কী খাবেন না সেটা বলার অধিকার নেই।'

Advertisement

যদিও বাগেশ্বর বাবার পাশেই দাঁড়িয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দ অধিকারী। তিনি বলেন, 'তিনি (বাগেশ্বর বাবা) দেশপ্রেম, রাষ্ট্রবাদ, অখণ্ড ভারতের কথা বলেছেন। তাঁর ঐতিহ্য-সংস্কৃতির কথা তাঁর মতন করে বলেছেন। যাঁর গ্রহণ করার করবেন, যাঁর গ্রহণ করার করবেন না। তিনি কারও উপর কিছু চাপিয়ে দিতে চাননি।' এমন পরিস্থিতিতে বাগেশ্বর বাবার ছবি যারা পুড়িয়েছেন, তাদের গ্রেফতার করার নির্দেশও দেন মুখ্যমন্ত্রী। 

 

Read more!
Advertisement
Advertisement