Advertisement

নাবালিকাকে গণধর্ষণের পরে বার বার আছড়ে ভাঙা হয়েছিল মেরুদণ্ড? শিউরে ওঠা তথ্য

সিট সূত্রের খবর, ধৃত আনন্দ সর্দার ও দিবাকর জেরায় জানিয়েছে, ধর্ষণের পর নাবালিকাকে বারবার মাটিতে আছাড় মারা হয়েছিল। তদন্তে আরও উঠে এসেছে, এই ঘটনায় অভিযুক্ত প্রভাস মণ্ডল ও কবির মোল্লারও ভূমিকা ছিল বলে অভিযোগ।

বারুইপুর ধর্ষণকাণ্ড।-ফাইল ছবিবারুইপুর ধর্ষণকাণ্ড।-ফাইল ছবি
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 10 Jul 2026,
  • अपडेटेड 10:56 AM IST
  • বারুইপুরের নাবালিকা অপহরণ, গণধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় তদন্ত যত এগোচ্ছে, ততই সামনে আসছে নতুন নতুন তথ্য।
  • বৃহস্পতিবার তদন্তকারী বিশেষ তদন্তকারী দল (সিট) সূত্রে জানা গিয়েছে, নির্যাতনের সময় নাবালিকার ঘাড় ও পিঠে একাধিকবার আঘাত করা হয়েছিল।

বারুইপুরের নাবালিকা অপহরণ, গণধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় তদন্ত যত এগোচ্ছে, ততই সামনে আসছে নতুন নতুন তথ্য। বৃহস্পতিবার তদন্তকারী বিশেষ তদন্তকারী দল (সিট) সূত্রে জানা গিয়েছে, নির্যাতনের সময় নাবালিকার ঘাড় ও পিঠে একাধিকবার আঘাত করা হয়েছিল। সেই আঘাতের জেরেই তাঁর মেরুদণ্ড ভেঙে যায় এবং ঘাড়েও গুরুতর চোট লাগে বলে তদন্তে উঠে এসেছে। ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ এবং ময়নাতদন্তের রিপোর্টে এই তথ্যের ইঙ্গিত মিলেছে বলে দাবি তদন্তকারীদের।

সিট সূত্রের খবর, ধৃত আনন্দ সর্দার ও দিবাকর জেরায় জানিয়েছে, ধর্ষণের পর নাবালিকাকে বারবার মাটিতে আছাড় মারা হয়েছিল। তদন্তে আরও উঠে এসেছে, এই ঘটনায় অভিযুক্ত প্রভাস মণ্ডল ও কবির মোল্লারও ভূমিকা ছিল বলে অভিযোগ।

ফরেনসিক তদন্তের স্বার্থে ঘটনাস্থল থেকে নাবালিকার চুল, নখ-সহ একাধিক নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। সেগুলি পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। পাশাপাশি সিসিটিভি ফুটেজও বাজেয়াপ্ত করে ফরেনসিক বিশ্লেষণের জন্য পাঠিয়েছে পুলিশ।

তদন্তকারীদের দাবি, ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদে জানা গিয়েছে, নাবালিকাকে লক্ষ্য করে আগেই পরিকল্পনা করা হয়েছিল। ঘটনার দিন অভিযুক্তরা রেললাইনের ধারে এক জায়গায় জড়ো হয়। অভিযোগ, সেখানেই তাঁরা নাবালিকাকে অপহরণের পরিকল্পনা করে। তদন্তে জানা গিয়েছে, অভিযুক্তদের মধ্যে প্রভাসের সঙ্গে ওই পরিবারের পরিচয় থাকায়, নাবালিকাকে বাইরে নিয়ে আসার দায়িত্ব তার ওপরই দেওয়া হয়েছিল।

পুলিশের দাবি, পরে নাবালিকাকে একটি নির্জন স্থানে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তাঁর উপর যৌন নির্যাতন চালানো হয় বলে অভিযোগ। তদন্তকারীদের মতে, নির্যাতনের সময় সে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করলে তাঁকে শারীরিকভাবে আক্রমণ করা হয়। পরে সে অচৈতন্য হয়ে পড়লে প্রমাণ লোপাটের উদ্দেশ্যে তাঁর দেহ একটি পুকুরে ফেলে দেওয়া হয়েছিল বলে ধৃতদের জেরায় উঠে এসেছে।

তদন্তকারী সংস্থার দাবি, ধৃতদের বয়ানের সঙ্গে ময়নাতদন্তের প্রাথমিক রিপোর্টের মিল পাওয়া গিয়েছে। তদন্তে গণধর্ষণ ও খুনের অভিযোগের পক্ষে প্রয়োজনীয় সাক্ষ্যপ্রমাণ সংগ্রহের কাজও প্রায় শেষ পর্যায়ে।

Advertisement

ইতিমধ্যে অপহরণের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রত্যক্ষদর্শীর বয়ান নথিভুক্ত করা হয়েছে। আরও কয়েকজন সাক্ষীর গোপন জবানবন্দি রেকর্ড করার জন্য আদালতের অনুমতি চাওয়া হচ্ছে। তদন্তকারীদের আশা, প্রয়োজনীয় ফরেনসিক রিপোর্ট হাতে এলেই দ্রুত চার্জশিট জমা দিয়ে বিচারপ্রক্রিয়া শুরু করা সম্ভব হবে।

 

Read more!
Advertisement
Advertisement