Advertisement

Maa Canteen: ৫ টাকায় মাছ ভাত কী সবার জন্য়? 'মা ক্যান্টিনে'র নিয়ম জেনে নিন

বাংলার ৪০০ ক্যান্টিনে ৫ টাকায় মাছ-ভাত। বড় ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর। মঙ্গলবার কল্যাণীর প্রশাসনিক বৈঠকের পর এই ঘোষণা করেন। রাজ্য সরকারের ভর্তুকিপ্রাপ্ত ক্যান্টিনগুলিতে এবার থেকে সপ্তাহে নির্দিষ্ট দিনে মাছ-ভাত মিলবে মাত্র ৫ টাকায়।

৪০০টি ক্যান্টিনে মাছ ভাত পাওয়া যাবে মাত্র ৫ টাকায়।৪০০টি ক্যান্টিনে মাছ ভাত পাওয়া যাবে মাত্র ৫ টাকায়।
Aajtak Bangla
  • কলকাতা ,
  • 26 May 2026,
  • अपडेटेड 8:30 PM IST
  • বাংলার ৪০০ ক্যান্টিনে ৫ টাকায় মাছ-ভাত।
  • মঙ্গলবার কল্যাণীর প্রশাসনিক বৈঠকের পর এই ঘোষণা করেন।
  • সপ্তাহে নির্দিষ্ট দিনে মাছ-ভাত মিলবে মাত্র ৫ টাকায়।

বাংলার ৪০০ ক্যান্টিনে ৫ টাকায় মাছ-ভাত। বড় ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর। মঙ্গলবার কল্যাণীর প্রশাসনিক বৈঠকের পর এই ঘোষণা করেন। রাজ্য সরকারের ভর্তুকিপ্রাপ্ত ক্যান্টিনগুলিতে এবার থেকে সপ্তাহে নির্দিষ্ট দিনে মাছ-ভাত মিলবে মাত্র ৫ টাকায়। রাজনৈতিক মহলের মতে, বাঙালির খাদ্যাভ্যাস এবং ‘মাছ-ভাতের সংস্কৃতি’কে সামনে রেখেই এই পদক্ষেপ রাজ্য সরকারের।

কল্যাণীর প্রশাসনিক বৈঠকের পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন মুখ্যমন্ত্রী। জানান, রাজ্যের ৪০০টি ক্যান্টিনে এই পরিষেবা চালু করা হবে। ইতিমধ্যেই ‘মা ক্যান্টিন’ প্রকল্প রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে জনপ্রিয়। এতদিন সেখানে ৫ টাকায় ভাত, ডাল, তরকারি এবং ডিমের ঝোল দেওয়া হত। এবার সেই তালিকায় যোগ হচ্ছে মাছ-ভাতও।

চলতি বছর বিধানসভা ভোটের প্রচারে মাছ-মাংস-ডিম নিয়ে বাংলার রাজনীতিতে তুমুল বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। তৃণমূলের অভিযোগ ছিল, বিজেপি ক্ষমতায় এলে বাংলায় মাছ, মাংস এবং ডিম খাওয়ার উপর নানা বিধিনিষেধ আসতে পারে। একাধিক জনসভায় এই ইস্যুতে সরব হয়েছিলেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও। তিনি বলেছিলেন, 'বাংলা মাছ-ভাতে বাঁচে। বাঙালিকে মাছ খেতে বারণ করলে তারা কী খাবে? তোমার মাথা?'

যদিও সেই অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছিল বিজেপি। দলের একাধিক নেতা প্রকাশ্যে মাছ-ভাত খেয়ে বাঙালির খাদ্য সংস্কৃতির পাশে থাকার বার্তা দিয়েছিলেন। প্রচারে দেখা গিয়েছিল বিজেপি নেতা অনুরাগ ঠাকুরও মাছ হাতে নিয়ে হাঁটছেন। তাঁর দাবি ছিল, বিজেপি শাসিত কোনও রাজ্যেই খাদ্যাভ্যাস নিয়ে হস্তক্ষেপ করা হয় না। এমনকি অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মাও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে মাটন-ভাত খাওয়ার আমন্ত্রণ জানান।

বাংলায় বিজেপির মসনদ দখলের পরও চলে মাছ-ভাত পর্ব। জেলায় জেলায় বিজেপি কর্মীদের মাছ-ভাত খেয়ে সেলিব্রেট করতে দেখা যায়।

এহেন আবহেই মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর এই ঘোষণা যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল। বিশেষ করে বাংলার সাংস্কৃতিক পরিচয়ের সঙ্গে মাছ-ভাতের ওতপ্রোত সম্পর্ক রয়েছে। তাই ভর্তুকিপ্রাপ্ত ক্যান্টিনে মাছ-ভাত চালুর সিদ্ধান্তকে রাজনৈতিক ভাবেও গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।

Advertisement

২০২১ সালে ‘মা ক্যান্টিন’ প্রকল্প চালু হয়েছিল। সেই সময় রাজ্যের তৎকালীন সরকার এই প্রকল্পের জন্য বাজেটে ১০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছিল। মূল লক্ষ্য ছিল কম খরচে শ্রমজীবী এবং নিম্ন আয়ের মানুষদের পুষ্টিকর খাবার পৌঁছে দেওয়া। দুপুর সাড়ে ১২টা থেকে বিকেল ৩টে পর্যন্ত ক্যান্টিনগুলি চালু থাকত।

এখন মাছ-ভাত সংযোজনের ফলে এই প্রকল্প আরও জনপ্রিয় হবে বলেই মনে করছে প্রশাসন। মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, খুব দ্রুত জেলার প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা করে পরিষেবা চালু করা হবে। কোথায় কোথায় মাছ-ভাত মিলবে এবং সপ্তাহে কত দিন দেওয়া হবে, সে বিষয়ে শীঘ্রই বিস্তারিত জানানো হবে। 

Read more!
Advertisement
Advertisement