Advertisement

Engine Van: 'ইঞ্জিন ভ্যান চলতে দেব না', কড়া বার্তা পরিবহন মন্ত্রীর, শুনে কী বলছেন চালকেরা?

Engine Van: রাস্তায় ইঞ্জিন ভ্যান চলাচল ব্যান করছে রাজ্যের পরিবহন দফতর। সম্প্রতি এই দাবি করেছেন খোদ পরিবহনমন্ত্রী অর্জুন সিং। এরজন্য চালকদের এক থেকে দেড় মাস সময় দেওয়া হয়েছে।

কড়া বার্তা পরিবহন মন্ত্রীর, শুনে কী বলছেন চালকেরা?কড়া বার্তা পরিবহন মন্ত্রীর, শুনে কী বলছেন চালকেরা?
Aajtak Bangla
  • বারাসত,
  • 26 Aug 2026,
  • अपडेटेड 5:57 PM IST
  • টোটো নিয়ে কড়াকড়ি শুরু করেছিল পূর্বতন রাজ্য সরকারও।
  • টোটোর পাশাপাশি রাজ্যের রাস্তায় চলবে না ইঞ্জিন ভ্যানও।
  • গাড়িগুলি থেকে ব্যাপক মাত্রায় পরিবেশ দূষণ হয়।

টোটো নিয়ে কড়াকড়ি শুরু করেছিল পূর্বতন রাজ্য সরকারও। নতুন সরকার ক্ষমতায় এসেই মেইন রোডে টোটো না চলার বার্তা একেবারে স্পষ্ট করে দিয়েছে। তবে এবার টোটোর পর আরও একধাপ এগোলেন রাজ্যের পরিবহন মন্ত্রী অর্জুন সিং। সাফ জানালেন, টোটোর পাশাপাশি রাজ্যের রাস্তায় চলবে না ইঞ্জিন ভ্যানও।

সম্প্রতি,উত্তরপাড়ায় টিটাগড় ওয়াগনস লিমিটেডের রেল ডিজাইন ও অপারেশন সেন্টারের উদ্বোধনে গিয়ে ইঞ্জিন ভ্যান বন্ধ করার পক্ষে জোর সওয়াল করলেন অর্জুন সিং । পরিবহণমন্ত্রীর বক্তব্য  ইঞ্জিন ভ্যানের বৈধ রেজিস্ট্রেশন থাকে না, দুর্ঘটনায় মৃত্যু হলে বিমার সুবিধা পাওয়া যায় না, যাত্রী ও চালকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত নয়। এছাড়া, গাড়িগুলি থেকে ব্যাপক মাত্রায় পরিবেশ দূষণ হয়।

চালকদের কী বিকল্প অপশন দিলেন রাজ্যের মন্ত্রী?

ইঞ্জিন ভ্যান বন্ধ করে দেওয়ার পাশাপাশি চালকদেরও কথাও ভাবছে রাজ্য সরকার। পরিবহনমন্ত্রী জানান, চালকদের ১ থেকে দেড় মাস সময় দেওয়া হয়েছে। ইঞ্জিন ভ্যানচালকদের পিকআপ ভ্যান কেনার জন্য অর্থসংস্থানের ব্যবস্থা করতে সাহায্য করা হবে। তবে গাড়ির বৈধ রেজিস্ট্রেশন, বিমা এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র থাকতে হবে। মন্ত্রী জানান, সরকারি নিয়ম মেনে গাড়ি চালালে কোনও ইউনিয়ন, দালাল বা অন্য কাউকে অতিরিক্ত টাকা দিতে হবে না।

এছাড়াও, প্রতিটি বিধানসভা এলাকায় ১০০টি করে অটো এবং আট-নয় আসনের ম্যাজিক গাড়িকে পারমিট দেওয়ার পরিকল্পনার কথাও জানিয়েছেন পরিবহণমন্ত্রী। আবেদনকারীদের সরকারি নিয়ম মেনেই অনুমতি নিতে হবে।

ইঞ্জিন ভ্যান কোনগুলি?

কলকাতা শহরে খুব বেশি ইঞ্জিন ভ্য়ান দেখা যায় না। এগুলি মূলত গ্রামাঞ্চলে দেখা যায়। এক একটি ইঞ্জিন ভ্যানে কখনও ৮-১০ জন ব্যক্তিও সওয়ার হন। যা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। সাধারণ পা চালিত ভ্যানের মতোই এই ভ্যানের নীচে ইঞ্জিন ফিট করা থাকে। যা মূলত ডিজেলের সাহায্যে চলে। শহরতলিতে মূলত ছোট ছোট দোকানে জিনিস ডেলিভারি করার জন্য আড়তদাররা এই গাড়িগুলির উপর নির্ভর করে। 

Advertisement

ইঞ্জিন ভ্যান চালকেরা কী জানাচ্ছে?

মধ্যমগ্রাম এলাকার ইঞ্জিন ভ্যান চালক তপন সরকার এ প্রসঙ্গে bangla.aajtak.in-কে বলেন, "মাত্র কয়েক মাস আগে ১.৩০ লক্ষ টাকা দিয়ে ইঞ্জিন ভ্যান কিনেছি। এখনও সেই কিস্তি টানছি। আগে সরকার এমন কোনও নিয়মের কথা জানায়নি। এখন হঠাৎ করে বন্ধ করে দেওয়া হলে সমস্যায় পড়ব। কারণ সংসার চালাতে আমি এই ভ্যানের উপরেই নির্ভরশীল।"  

তবে একইসঙ্গে রাজ্য সরকারের পিকআপ ভ্যানের ক্ষেত্রে সহযোগিতার উদ্যোগেরও প্রশংসা করে তিনি বলেন, "যদি সরকার নিয়ম করে ইঞ্জিন ভ্যান বন্ধ করে, তাহলে তো চালানোর প্রশ্ন নেই। কিন্তু পিকআপ ভ্যান কেনার জন্য টাকার ব্যবস্থা করা হলে, তা আমার মতো চালকের জন্য অনেক সুবিধাজনক হবে। যদি সেই টাকায় সুদ না নেয় বা কিছু টাকা সরকার ভর্তুকি দেয়, তবে সুবিধা হবে।"

 

Read more!
Advertisement
Advertisement