Advertisement

Beti Bachao Beti Padhao WB: বাংলায় চালু ‘বেটি বাঁচাও, বেটি পড়াও’, মেয়েদের লাভ কী? শুভেন্দু যা বললেন

Beti Bachao Beti Padhao: বাংলায় চালু ‘বেটি বাঁচাও, বেটি পড়াও’, মেয়েদের কী লাভ হবে? ১৮১ হেল্পলাইন-সহ একাধিক উদ্যোগের বিষয়ে এক নজরে জেনে নিন।

বাংলায় চালু ‘বেটি বাঁচাও, বেটি পড়াও’, মেয়েদের কী লাভ?বাংলায় চালু ‘বেটি বাঁচাও, বেটি পড়াও’, মেয়েদের কী লাভ?
Aajtak Bangla
  • কলকাতা ,
  • 14 Aug 2026,
  • अपडेटेड 4:17 PM IST
  • 'বেটি বাঁচাও, বেটি পড়াও' কর্মসূচিতে জুড়ছে পশ্চিমবঙ্গ।
  • জানালেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। 
  • প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর এই কর্মসূচি এবার বাংলাতেও লাগু করা হবে।

'বেটি বাঁচাও, বেটি পড়াও' কর্মসূচিতে জুড়ছে পশ্চিমবঙ্গ। জানালেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। 'কন্যারত্ন দিবস'  অনুষ্ঠানে জানান, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর এই কর্মসূচি এবার বাংলাতেও লাগু করা হবে। এর সঙ্গে মহিলাদের জন্য ১৮১ হেল্পলাইন-সহ আরও কয়েকটি ব্যবস্থা চালুর কথাও জানিয়েছেন তিনি। শুভেন্দুর বক্তব্য, 'প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীজির যে ‘বেটি পড়াও, বেটি বাঁচাও’ স্কিম তিনি এনেছেন, সমস্ত রাজ্যে সেটা চালু থাকলেও পশ্চিমবঙ্গ এতদিন সেই কর্মসূচিতে যুক্ত হয়নি। আমরা আনুষ্ঠানিক ভাবে আজ থেকে ‘বেটি বাঁচাও, বেটি পড়াও’-এর সঙ্গে হেল্পলাইন নম্বর ১৮১-সহ অনেকগুলো নতুন ব্যবস্থার মধ্য দিয়ে নিজেদেরকে যুক্ত করলাম।'

‘বেটি বাঁচাও, বেটি পড়াও’ কী?
‘বেটি বাঁচাও, বেটি পড়াও’ বা Beti Bachao Beti Padhao (BBBP) কেন্দ্রীয় সরকারের কর্মসূচি। ২০১৫ সালে শুরু হয়। মূল লক্ষ্য কন্যাসন্তানদের প্রতি বৈষম্য কমানো, কন্যাসন্তানের জন্ম ও সুরক্ষা নিয়ে সচেতনতা বাড়ানো এবং মেয়েদের শিক্ষায় অংশগ্রহণ বাড়ানো। পাশাপাশি স্কুলছুট কমানো এবং মেয়েদের মর্যাদা ও অধিকার নিয়ে সামাজিক মানসিকতার পরিবর্তন আনাও এই কর্মসূচির অন্যতম উদ্দেশ্য। 

তবে একটি বিষয় মনে রাখবেন। 'বেটি বাঁচাও, বেটি পড়াও' কোনও সরাসরি টাকা দেওয়ার স্কিম নয়। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, এটি মূলত সচেতনতা, সামাজিক পরিবর্তন, মেয়েদের স্কুলে ভর্তি ও পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়া এবং নিরাপত্তা নিয়ে কাজ করে।

বাংলার মেয়েদের কী লাভ হবে?
পশ্চিমবঙ্গে এই কর্মসূচি কার্যকর হলে মেয়েদের শিক্ষা ও নিরাপত্তা নিয়ে সরকারি দফতরগুলির মধ্যে কো-অর্ডিনেশন বাড়ানো হবে। বিশেষ করে মেয়েদের স্কুলছুট রোধ, উচ্চশিক্ষায় উৎসাহ, কন্যাসন্তানের অধিকার এবং নারী নিরাপত্তা নিয়ে সচেতনতা বাড়ানোর মতো কর্মসূচি নেওয়া হবে।

এর পাশাপাশি অনুষ্ঠানে ১৮১ মহিলা হেল্পলাইন নিয়েও ঘোষণা করেন শুভেন্দু। এই নম্বরে ফোন করে সাহায্য নিতে পারবে মেয়েরা। 

মেয়েদের জন্য আরও একাধিক ঘোষণা
কন্যারত্ন দিবসের অনুষ্ঠানে শুভেন্দু জানান, এ বছর ২০ লক্ষেরও বেশি ছাত্রীকে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। তাঁর দাবি, ইতিমধ্যেই ১০ লক্ষ ১৩ হাজার ছাত্রীর জন্য টাকা পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। মোট বরাদ্দ প্রায় ৪০০ কোটি টাকা।

Advertisement

কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রীদের উচ্চশিক্ষা যাতে অর্থাভাবে মাঝপথে বন্ধ না হয়ে যায়, সে জন্য ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত সহায়তার কথা বাজেটে ঘোষণা করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

এ ছাড়া ৬০ শতাংশের বেশি নম্বর পাওয়া পড়ুয়াদের জন্য বিবেকানন্দ মেরিট স্কলারশিপ চালু রাখার কথা জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। বিদেশে পড়াশোনা বা জাতীয় স্তরের পরীক্ষায় সাফল্যের পরে উচ্চশিক্ষার জন্য স্বামী বিবেকানন্দের নামে ১০০ কোটি টাকার তহবিল তৈরির কথাও বলেন তিনি।

পাশাপাশি শুভেন্দু জানান, বর্তমানে কন্যারত্নদের যে ১,০০০ টাকা করে অনুদান দেওয়া হয়, তা ২০২৭ শিক্ষাবর্ষ থেকে বাড়িয়ে ২,০০০ টাকা করা হবে বলে জানিয়েছেন শুভেন্দু। 

Read more!
Advertisement
Advertisement