Advertisement

১৫ বছর পর গণশক্তিতে রাজ্যের বিজ্ঞাপন, প্রথম পাতায় মোদী-শুভেন্দু

রাজ্যের রাজনৈতিক পালাবদলের দিনেই দেখা গেল এক বিরল দৃশ্য। প্রায় ১৫ বছর পর ফের সরকারি বিজ্ঞাপন প্রকাশিত হল বামেদের মুখপত্র ‘গণশক্তি’ পত্রিকায়। আর সেই বিজ্ঞাপন প্রকাশ করেছে সদ্য শপথ নেওয়া বিজেপি সরকার। ফলে রাজনৈতিক মহলে এই ঘটনাকে ঘিরে শুরু হয়েছে জোর আলোচনা।

ফাইল ছবিফাইল ছবি
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 09 May 2026,
  • अपडेटेड 4:23 PM IST
  • রাজ্যের রাজনৈতিক পালাবদলের দিনেই দেখা গেল এক বিরল দৃশ্য।
  • প্রায় ১৫ বছর পর ফের সরকারি বিজ্ঞাপন প্রকাশিত হল বামেদের মুখপত্র ‘গণশক্তি’ পত্রিকায়।

রাজ্যের রাজনৈতিক পালাবদলের দিনেই দেখা গেল এক বিরল দৃশ্য। প্রায় ১৫ বছর পর ফের সরকারি বিজ্ঞাপন প্রকাশিত হল বামেদের মুখপত্র ‘গণশক্তি’ পত্রিকায়। আর সেই বিজ্ঞাপন প্রকাশ করেছে সদ্য শপথ নেওয়া বিজেপি সরকার। ফলে রাজনৈতিক মহলে এই ঘটনাকে ঘিরে শুরু হয়েছে জোর আলোচনা।

২০১১ সালে তৃণমূল কংগ্রেস ক্ষমতায় আসার পর থেকেই ‘গণশক্তি’-তে সরকারি বিজ্ঞাপন কার্যত বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। দীর্ঘ দেড় দশক ধরে রাজ্যের সরকারি বিজ্ঞাপনের তালিকা থেকে কার্যত বাদই ছিল সিপিএমের মুখপত্র। কিন্তু ২০২৬ সালে বাংলায় বিজেপি সরকার গঠনের পর সেই ছবিতে বদল এল।

শনিবার বিজেপি সরকারের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানের দিন ‘গণশক্তি’-র প্রথম পাতাতেই প্রকাশিত হয়েছে রাজ্য সরকারের বিজ্ঞাপন। সেখানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং নতুন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর ছবি দিয়ে রাজ্যবাসীকে শপথ অনুষ্ঠানের বার্তা জানানো হয়েছে।

১৫ বছর পর বামপন্থী মুখপত্রে মোদী ও শুভেন্দুর ছবি-সহ সরকারি বিজ্ঞাপন প্রকাশ ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নানা ব্যাখ্যা সামনে আসছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, এটি নতুন সরকারের একটি তাৎপর্যপূর্ণ রাজনৈতিক বার্তা হতে পারে। ক্ষমতায় এসেই বিজেপি হয়তো বোঝাতে চাইছে যে, সংবাদমাধ্যমের ক্ষেত্রে তারা রাজনৈতিক বিভাজনের পথে হাঁটতে চায় না।

আবার অন্য একাংশের মতে, এর মধ্যে রয়েছে কৌশলী রাজনৈতিক সমীকরণও। বিশেষ করে প্রশাসনিক স্তরে বাম আমলের অভিজ্ঞ আধিকারিকদের নিয়ে শুভেন্দু অধিকারীর ইতিবাচক মন্তব্যের পর, বামেদের মুখপত্রে সরকারি বিজ্ঞাপন দেওয়া সেই ‘সেতুবন্ধন’-এরই ইঙ্গিত হতে পারে।

যদিও সিপিএমের তরফে এ বিষয়ে এখনও কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি। তবে অতীতে বিজেপির দলীয় বিজ্ঞাপন ‘গণশক্তি’-তে প্রকাশিত হওয়ার সময় বাম শিবিরের একাংশ জানিয়েছিল, বিজ্ঞাপন প্রকাশ একটি সংবাদপত্রের বাণিজ্যিক সিদ্ধান্ত, এর সঙ্গে রাজনৈতিক সমঝোতার সম্পর্ক খোঁজা উচিত নয়।

তবু সাধারণ মানুষের আলোচনায় এখন একটাই প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে, বাংলার রাজনীতিতে কি সত্যিই নতুন এক সৌজন্যের রাজনীতি শুরু হল, নাকি এর আড়ালে রয়েছে আরও গভীর রাজনৈতিক সমীকরণ?
 

Advertisement

 

Read more!
Advertisement
Advertisement