Advertisement

Bardhaman: 'তোলাবাজি করলে বেঁধে রাখা হবে', হুঁশিয়ারি বিজেপি বিধায়কের

সংকল্প অভিযান এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর জন্মদিন উপলক্ষে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় প্রদীপ জ্বালানোর আয়োজন করেছিল বিজেপি। পূর্ব বর্ধমানের মেমারিতে ওই কর্মসূচির অন্যতম উদ্যোক্তা ছিলেন স্থানীয় বিজেপি বিধায়ক মানব গুহ। ওই মঞ্চ থেকেই তোলাবাজি বন্ধ করতে কড়া পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি দেন তিনি।

মানব গুহমানব গুহ
স্বপন কুমার মুখার্জি
  • কলকাতা,
  • 20 Sep 2026,
  • अपडेटेड 4:58 PM IST
  • শাসকদলের নেতাদের নাম ভাঁড়িয়ে তোলাবাজির অভিযোগ কানে আসতে রাস্তায় নামলেন বিধায়ক।

শাসকদলের নেতাদের নাম ভাঁড়িয়ে তোলাবাজির অভিযোগ কানে আসতে রাস্তায় নামলেন বিধায়ক। বিজেপি বিধায়কের হুশিয়ারি, তাঁদের নাম ব্যবহার করে তোলাবাজি করলে রাস্তায় বেঁধে রাখা হবে। পাশাপাশি তোলাবাজি বন্ধ করতে কড়া পদক্ষেপ করার কথা বললেন তিনি।

সংকল্প অভিযান এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর জন্মদিন উপলক্ষে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় প্রদীপ জ্বালানোর আয়োজন করেছিল বিজেপি। পূর্ব বর্ধমানের মেমারিতে ওই কর্মসূচির অন্যতম উদ্যোক্তা ছিলেন স্থানীয় বিজেপি বিধায়ক মানব গুহ। ওই মঞ্চ থেকেই তোলাবাজি বন্ধ করতে কড়া পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি দেন তিনি। মানবের কথায়, গত তিন-চার মাস ধরে মেমারিতে তোলাবাজি বন্ধ করার কথা বলা হলেও এখনও কিছু মানুষ সেই কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। তাঁর অভিযোগ, কোথাও দোকানে গিয়ে বিধায়কের নাম করেই ৫ হাজার টাকা চাওয়া হচ্ছে, কোথাও আবার সাব-মার্সিবল বসানো, জলের লাইন করে দেওয়া কিংবা বেআইনি নির্মাণের সুযোগ করে দেওয়ার নামে টাকা নেওয়ার অভিযোগ উঠছে। মানব বলেন, কেউ দোকানে গিয়ে বলছে, আমাকে বিধায়ক পাঠিয়েছে। ৫ হাজার টাকা দিতে হবে। এই রকমের তোলাবাজকে বেঁধে রাখা হবে।

শুধু মেমারি পুরসভা নয়, পঞ্চায়েত এলাকাতেও বিধায়কের নাম করে টাকা চাওয়া হলে একইভাবে ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি। জানিয়েছেন, প্রয়োজনে তিনি নিজে ঘটনাস্থলে যাবেন এবং পরবর্তী পদক্ষেপ করবেন। আইন মেনে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

রাজ্যের নতুন সরকারের বয়স প্রায় চার মাস। এর মধ্যে জায়গায় জায়গায় তোলাবাজির অভিযোগ উঠেছে। বিজেপি শীর্ষ নেতৃত্ব এ নিয়ে প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন। সাবধানবাণী, হুঁশিয়ারিও শোনা গিয়েছে তাঁদের গলায়। মেমারির বিজেপি বিধায়কের অবশ্য দাবি, তাঁর বিধানসভা এলাকায় এই অন্যায়কাজ মূলত তৃণমূল করছে। তবে নাম নেওয়া হচ্ছে বিজেপির। তিনি বলেন, ‘‘তৃণমূল থেকে বিজেপিতে আসা কিছু ব্যক্তি এবং বিজেপির কিছু নেতা-কর্মীও তোলাবাজদের আশ্রয় দিচ্ছেন। পুরনো দুষ্কৃতীরা নতুন করে গেরুয়া শিবিরে ঢুকে এই রকমের কাজ করছে কি না, দেখতে হবে।’’ বিধায়কের সংযোজন, কে (তোলাবাজি) করছে সেটা বড় কথা নয়। তৃণমূলের লোক করছে, আমার দলের লোক করছে না অন্য কেউ করছে, এটা ইস্যু নয়। তোলাবাজি বন্ধ করতে হবে, এটাই ইস্যু।

Advertisement

বেআইনি নির্মাণ এবং পুরসভার অনুমতি ছাড়া বিভিন্ন কাজের প্রবণতা নিয়েও সরব হন বিধায়ক। তিনি জানান, পুরসভার অনুমতি ছাড়া কোনও নির্মাণকাজ করা যাবে না। সাব-মার্সিবল বসানো, জলের লাইন দেওয়া কিংবা বাড়ি নির্মাণ— প্রত্যেক কাজে নিয়ম মেনে অনুমতি নেওয়ার অভ্যাস তৈরি করতে হবে। পাশাপাশি সাধারণ মানুষও যেন বেআইনি ভাবে সুবিধা নেওয়ার জন্য তোলাবাজদের টাকা দেওয়া বন্ধ করেন।

 

রিপোর্টারঃ সুজাতা মেহেরা
 


 

TAGS:
Read more!
Advertisement
Advertisement