Advertisement

Parivartan Yatra: ভোটের আগে বড় প্ল্যান জানালেন শমীক, 'পরিবর্তন যাত্রা'য় চমক BJP-র

শুক্রবার 'পরিবর্তন যাত্রা'র প্রচার সূচি ও থিম সং প্রকাশ করল গেরুয়া শিবির। এদিন বাইপাস সংলগ্ন এক হোটেলে আয়োজিত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য, বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী এবং কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার।

শমীক জানান, ৩৮টি সাংগঠনিক জেলা ছুঁয়ে মোট ৫৬টি বড় জনসভা ও ২৫০টি ছোট সভা হবে। শমীক জানান, ৩৮টি সাংগঠনিক জেলা ছুঁয়ে মোট ৫৬টি বড় জনসভা ও ২৫০টি ছোট সভা হবে।
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 27 Feb 2026,
  • अपडेटेड 6:53 PM IST
  • শুক্রবার 'পরিবর্তন যাত্রা'র প্রচার সূচি ও থিম সং প্রকাশ করল গেরুয়া শিবির।
  • এদিন বাইপাস সংলগ্ন এক হোটেলে আয়োজিত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য, বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী এবং কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার।
  • শমীক জানান, ৩৮টি সাংগঠনিক জেলা ছুঁয়ে মোট ৫৬টি বড় জনসভা ও ২৫০টি ছোট সভা হবে।

শুক্রবার 'পরিবর্তন যাত্রা'র প্রচার সূচি ও থিম সং প্রকাশ করল গেরুয়া শিবির। এদিন বাইপাস সংলগ্ন এক হোটেলে আয়োজিত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য, বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী এবং কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার। শমীক জানান, ৩৮টি সাংগঠনিক জেলা ছুঁয়ে মোট ৫৬টি বড় জনসভা ও ২৫০টি ছোট সভা হবে। সবশেষে হবে প্রধানমন্ত্রীর মেগা জনসভা। সেই সভার দিনক্ষণ পরে ঘোষণা করা হবে।

দলীয় সূত্রে খবর, ১ মার্চ থেকে কর্মসূচি শুরু হবে। রাজ্যের ২৫০টি বিধানসভা কেন্দ্র অতিক্রম করবে। মোট ৫,০০০ কিলোমিটারেরও বেশি পথ পাড়ি দেবে। কোচবিহার থেকে রায়দিঘি; উত্তরবঙ্গ ও দক্ষিণবঙ্গ মিলিয়ে মোট ৯টি স্থান থেকে একযোগে যাত্রা শুরু হবে। দোলযাত্রা উপলক্ষে ৩ ও ৪ মার্চ কর্মসূচি স্থগিত থাকবে। তারপর ৫ মার্চ থেকে ফের জোরকদমে সফর শুরু হবে।

সবশেষে হবে প্রধানমন্ত্রীর মেগা জনসভা। সেই সভার দিনক্ষণ পরে ঘোষণা করা হবে।

শমীক ভট্টাচার্যের কথায়, 'এই যাত্রা কেবল বিজেপি কর্মীদের জন্য নয়। তৃণমূল, কংগ্রেস বা সিপিএম; যে কোনও দলের কর্মী, যাঁরা রাজ্যের বর্তমান পরিস্থিতিতে হতাশ, তাঁদের সকলকে আমরা আহ্বান জানাচ্ছি। পশ্চিমবঙ্গকে বাঁচাতে এগিয়ে আসুন।' তাঁর অভিযোগ, তৃণমূল আমলে গণতান্ত্রিক অধিকার ক্ষুণ্ণ হয়েছে। দুর্নীতি প্রাতিষ্ঠানিক রূপ পেয়েছে।

বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেন, 'তোষণ, অনুপ্রবেশ, নারী নির্যাতন; এটাই এখন বাংলার বাস্তব। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বলেছেন, বিজেপিকে ক্ষমতায় এনে বাংলার হারানো গৌরব ফিরিয়ে দেবেন। সেই বার্তা ঘরে ঘরে পৌঁছে দিতেই এই পরিবর্তন যাত্রা।'  

কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার জানান, প্রতিদিন গড়ে ১১০ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করা হবে। '৩৮টি সাংগঠনিক জেলা ছুঁয়ে ৫৬টি বড় সভা এবং ২৫০টি ছোট সভার শেষে প্রধানমন্ত্রীর জনসভা হবে। লক্ষাধিক মানুষের সমাবেশ ঘটবে। পরিবর্তনের গঙ্গার ভগীরথ হয়ে উঠবে এই কর্মসূচি,' দাবি তাঁর।

রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, নির্বাচনের আগে বিজেপির সংগঠনমূলক শক্তি প্রদর্শনের বড় মঞ্চ হয়ে উঠতে পারে এই ‘পরিবর্তন যাত্রা’। উত্তরবঙ্গ ও দক্ষিণবঙ্গ; দুই অঞ্চলেই সমান গুরুত্ব দিচ্ছে দল। কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের উপস্থিতি কর্মীদের মনোবল বাড়াবে বলেও মনে করা হচ্ছে। নির্বাচনের আগে বাংলার মাটিতে এই 'পরিবর্তন যাত্রা' কতটা প্রভাব ফেলবে, এখন সেদিকেই তাকিয়ে রাজনৈতিক মহল।

Advertisement

Read more!
Advertisement
Advertisement