
নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর বিধানসভার উপনির্বাচন কবে? সেই তারিখ জানিয়ে দিল ভারতের নির্বাচন কমিশন। তারা জানিয়েছে, ৬ অক্টোবর ২০২৬ (মঙ্গলবার) এই দুই আসনে ভোটগ্রহণ হবে। ভোটগণনা হবে ৯ অক্টোবর, রবিবার।
মাথায় রাখতে হবে, পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা ভোটের পর রেজিনগর বিধানসভা কেন্দ্র থেকে পদত্যাগ করেছেন আম জনতা উন্নয়ন পার্টির প্রধান হুমায়ুন কবীর। এছাড়া নন্দীগ্রাম বিধানসভা কেন্দ্র থেকে পদত্যাগ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি এখন শুধু ভবানীপুর বিধানসভা ধরে রেখেছেন। এমন পরিস্থিতিতে এই দুই আসনে নির্বাচনের দিন ঘোষণা করে দিয়েছে নির্বাচন কমিশন।
কবে মনোনয়ন?
তাহলে বোঝাই যাচ্ছে, পুজোর আগেই শেষ হয়ে যাচ্ছে গোটা ভোটপ্রক্রিয়া।
আর কোথায় কোথায় নির্বাচন?
ইতিমধ্যেই কমিশন জানিয়েছে, তামিলনাড়ু, পুদুচেরি ও পশ্চিমবঙ্গ মিলিয়ে ৫টি বিধানসভা কেন্দ্র এবং অসমের ১টি লোকসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচনের সময়সূচি সংক্রান্ত। আর ইতিমধ্যেই সেই সূচি সামনে আনল কমিশন।
রেকর্ড ভোটে জেতার দাবি
কিছুদিন আগেই নন্দীগ্রামে প্রশাসনিক সভা করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। এদিন সভামঞ্চ থেকে বেশ কয়েকটি প্রকল্পের বার্তা দিয়ে একাধিক বড় ঘোষণা করেন তিনি। হরিপুরে নবনির্মিত দমকল কেন্দ্রের সূচনা, স্বনির্ভর গোষ্ঠীকে ৩০ হাজার টাকা ট্রান্সফার করা, আবাস যোজনার টাকা দেওয়ার মতো একাধিক বড় ঘোষণা করার পাশাপাশি আসন্ন নন্দীগ্রাম উপনির্বাচন নিয়েও বড় বার্তা দেন শুভেন্দু অধিকারী।
নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনে তিনি যে বিরাট ভোটে বিজেপির জয় চান, তা আরও একবার স্পষ্ট করে আমজনতার কাছে রেকর্ড ভোটে বিজয়ী করার আহ্বান জানান মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, 'রেকর্ড ভাঙবেন তো? আমাকে একবার ৮২ হাজার ভোটে জিতিয়েছিলেন। এবার রেকর্ড ভাঙতে হবে। ফলতাকে হারাতে হবে। ফলতার উপরে যেতে হবে। আর আমি রাজ্যের উন্নয়ন তো করবই। নন্দীগ্রাম আমার অগ্রাধিকারের এক নম্বর থাকবে।'
ফলতায় বিজেপি কত ভোটে জিতেছিল?
ফলতা পুনর্নিবাচনে মোট ভোটার ছিল ২ লক্ষ ৩৬ হাজার ৪৪৪ জন। ভোটদানের হার ছিল ৮৮.১৩ শতাংশ। এরমধ্যে বিজেপি ভোট পেয়েছিল ১ লক্ষ ৪৯ হাজার ৬৬৬টি। দ্বিতীয় স্থানে থাকা CPM পেয়েছিল ৪০,৬৪৫ ভোট। অর্থাৎ ১ লক্ষ ৯ হাজার ২১ ভোটে জয় পেয়েছিল পদ্ম শিবির। এদিন নন্দীগ্রামে দাঁড়িয়ে ফলতার সেই রেকর্ড ভাঙার বার্তাই দিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী।