Advertisement

Baruipur Incident: বারুইপুরে নাবালিকার সঙ্গে কী ঘটেছিল? নীল টুপি পরা লোকটা কে? CCTV ফুটেজ

বারুইপুরে প্রকাশ্যে চাঞ্চল্যকর CCTV। যেখানে দেখা গিয়েছে নীল টুপি পরা এক ব্যক্তিকে। কীভাবে জানা গেল নির্যাতিতার দেহ কোথায় লুকনো রয়েছে? জেনে নিন বিস্তারিত...

বারুইপুর CCTV ফুটেজ বারুইপুর CCTV ফুটেজ
Aajtak Bangla
  • বারুইপুর ,
  • 06 Jul 2026,
  • अपडेटेड 3:32 PM IST
  • বারুইপুরে প্রকাশ্যে চাঞ্চল্যকর CCTV
  • নীল টুপি পরা এক ব্যক্তিকে দেখা গিয়েছে
  • নির্যাতিতার দেহ কোথায় লুকনো ছিল?

বারুইপুর কাণ্ডে প্রকাশ্যে এসেছে একটি CCTV ফুটেজ। যা মূলত নির্যাতিতার দেহ উদ্ধারে বিশেষ ভাবে সহায়ক হয়েছে। ওই ফুটেজে দেখা গিয়েছে, নীল টুপি পরা এক ব্যক্তি ১২ বছরের ওই নির্যাতিতা কিশোরীকে সাহায্য করার জন্য এগিয়ে আসছেন। স্থানীয়রা এই ফুটেজ দেখেই একটি পুকুর পর্যন্ত পৌঁছন এবং সেখান থেকেই নির্যাতিতার দেহ উদ্ধার হয়। এই ফুটেজ তদন্ত বড় হাতিয়ার হয়ে দাঁড়ায় পুলিশের কাছে। 

১২ বছরের ওই কিশোরীর অপহরণ, গণধর্ষণ এবং খুনের ঘটনা উত্তপ্ত করে তুলেছে রাজ্য রাজনীতি। মমতাপন্থী তৃণমূলের তরফে এই ঘটনার জন্য শুভেন্দু অধিকারীর সরকারকেই কাঠগড়ায় দাঁড় করা হয়েছে। তাদের অভিযোগ, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বারুইপুরে নির্যাতিতার পরিবারের সঙ্গে দেখা কতে যাওয়ার চেষ্টা করেছিলেন, কিন্তু তাঁকে গৃহবন্দি করে রাখা হয়। 

ঠিক কী ঘটেছিল বারুইপুরে?
গত শনিবার বিকেল সাড়ে ১২টা নাগাদ, বারুইপুরের সূর্যপুর এলাকায় ধোপধোপি II গ্রাম পঞ্চায়েতে এই মর্মানতিক ঘটনাটি ঘটেছে। এক বন্ধুর জন্মদিনের উপহার কিনতে বেরিয়েছিল ওই কিশোরী। তবে দীর্ঘক্ষণ বাড়ি না ফেরায় পরিবারের লোকজন তাকে খুঁজতে শুরু করে। সারারাত খোঁজার পরও তাকে খুঁজে পাওয়া যায়নি। পরিবারের অভিযোগ, ৪ স্থানীয় ব্যক্তি তাকে অপহরণ করে নিয়ে গিয়েছে। 

সূত্রের খবর, শনিবার রাত ৮টা নাগাদ স্থানীয় বাসিন্দারা এবং নির্যাতিতার পরিবার CCTV ফুটেজ দেখতে পান। সেখানে দেখা যায় ২ জন সন্জেহভাজনকে। একজন তাদের মধ্যে নীল টুপি পরে ছিল। তার সঙ্গেই দেখা যায় ওই কিশোরীকে। 

ওই ফুটেজ ব্যবহার করেই তদন্ত এগোয়। পরবর্তীতে স্থানীয়রা নীল টুপি পরা ওই যুবকের বাড়ির সামনে পৌঁছয় রবিবার বিকেল ৪টে। পাওয়া যায় ওই ব্যক্তিকে। চাপে পড়ে ওই ব্যক্তি মেয়েটির দেহ কোথায় ফেলা হয়েছে সেই স্থান দেখিয়ে দেয়। 

সূর্যপুর হাট সংলগ্ন পুকুর থেকে দেহ পাওয়া যায় রবিবার রাত ৯টা নাগাদ। একটি বস্তার মধ্যে ভরা ছিল সেটি। CCTV ফুটেজে চিহ্নিচ হওয়া ওই ব্যক্তি স্বীকার করে ৩-৪ জন মেয়েটিকে টেনে নিয়ে গিয়েছিল। এরপরই বিক্ষোভে ফেটে পড়ে জনতা। ওই যুবককে গণপিটুনি দেওয়া শুরু হয়। কোনওমতে এলাকায় পৌঁছে পুলিশ তাকে উদ্ধার করে।

Advertisement

পরবর্তীতে স্থানীয়রা ২৬ বছরের ইন্দ্রজিৎ তাঁতিকে গণপিটুনিতে মেরে ফেলে বলে অভিযোগ। নির্যাতিতার দেহ উদ্ধারকে কেন্দ্র করে গোটা এলাকায় হিংসা ছড়িয়ে পড়ে। বারুইপুর-জয়নগর রোড অপরোধ করা হয়। টায়ার জ্বালিয়ে প্রতিবাদ জানানো হয়। গাছের গুঁড়িও পোড়ায় উত্তেজিত জনতা। এমনকী পুলিশের গাড়ি ভাঙচুর করা হয়। সূর্যপুর স্টেশন অবরোধ করা হয়। শিয়ালদা-নামখানা লোকাল লাইনে ট্রেন পরিষেবা ব্যাহত হয়। 

মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানিয়েছেন, এই ঘটনায় কাউকে রেয়াত করা হবে না। তিনি জানিয়েছেন, বাবা-মা যেভাবে চাইছেন, সেভাবেই ন্যাবিচার দেওয়া হবে। ক্যাপিটাল পানিশমেন্টের কথা জানিয়েছেন তিনি। 

 

Read more!
Advertisement
Advertisement