Advertisement

Chandrima Bhattacharya: 'যুবসাথী' ও 'যুবশ্রী', দুটোই চলবে, স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন চন্দ্রিমা

যুবসাথী প্রকল্প চালু হলেও ‘যুবশ্রী’ বন্ধ হচ্ছে না, এ কথা স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিলেন রাজ্যের অর্থমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। যুবসাথী ঘোষণার পর বেকার যুবক-যুবতীদের নিয়ে বিরোধীদের তরফে বিভ্রান্তিকর প্রচার চালানো হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 07 Feb 2026,
  • अपडेटेड 5:00 PM IST
  • যুবসাথী প্রকল্প চালু হলেও ‘যুবশ্রী’ বন্ধ হচ্ছে না, এ কথা স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিলেন রাজ্যের অর্থমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য।
  • যুবসাথী ঘোষণার পর বেকার যুবক-যুবতীদের নিয়ে বিরোধীদের তরফে বিভ্রান্তিকর প্রচার চালানো হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

যুবসাথী প্রকল্প চালু হলেও ‘যুবশ্রী’ বন্ধ হচ্ছে না, এ কথা স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিলেন রাজ্যের অর্থমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। যুবসাথী ঘোষণার পর বেকার যুবক-যুবতীদের নিয়ে বিরোধীদের তরফে বিভ্রান্তিকর প্রচার চালানো হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী যুবসাথীকে দৈনিক ৫০ টাকা করে ‘ভাতা’ বলে কটাক্ষ করেছেন। এই প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য বলেন, 'যে দেশের প্রধানমন্ত্রী বছরে দু’কোটি বেকারের চাকরি দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ক্ষমতায় এসে বছরে দু’লক্ষ মানুষেরও কর্মসংস্থান করতে পারেননি, উল্টে দেশের নবরত্ন সংস্থাগুলি বিক্রি করে দিয়েছেন, তাঁদের মুখে বেকারদের নিয়ে এই ধরনের কথা মানায় না।'

অর্থমন্ত্রী জানান, যুবশ্রী প্রকল্প মূলত একটি বেকার ভাতা। ইতিমধ্যেই এই প্রকল্পের আওতায় ১২ লক্ষ যুবক-যুবতীকে মোট ১৮০ কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে। একজন উপভোক্তা সর্বোচ্চ এক লক্ষ টাকা পর্যন্ত পেতে পারেন। এই প্রকল্পটি শ্রম দপ্তরের অধীন।

নতুন যুবসাথী প্রকল্পের ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে তিনি বলেন, 'মাধ্যমিক উত্তীর্ণ যুবক-যুবতীদের উৎসাহিত করতেই মুখ্যমন্ত্রী এই বিশেষ প্রকল্প চালু করেছেন। পাঁচ বছর পর্যন্ত এই সহায়তা মিলবে। পাশাপাশি কেউ যদি কন্যাশ্রী বা বিবেকানন্দ মেধা স্কলারশিপের মতো শিক্ষা সংক্রান্ত ভাতা পান, তাতেও যুবসাথী পাওয়ার ক্ষেত্রে কোনও বাধা থাকবে না।'

এদিকে বিজেপি বিধায়ক ও অর্থনীতিবিদ অশোক লাহিড়ী কটাক্ষ করে বলেন, '১৫ বছর ধরে এই সরকার কিছুই করেনি বলেই ভোটের মুখে এসে ভাতা বিলি করছে।' এর জবাবে চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য পাল্টা বলেন, 'মা-মাটি-মানুষের সরকার যদি কিছুই না করত, তাহলে বারবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে তৃণমূল কীভাবে ক্ষমতায় ফিরত? ২০১১, ২০১৬ এবং ২০২১, প্রতিটি নির্বাচনে তৃণমূলের আসন বেড়েছে। অশোকবাবু নিশ্চিন্ত থাকুন, এবারও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে বিধায়কের সংখ্যা সর্বকালীন রেকর্ড ছাড়াবে।'

চন্দ্রিমা আরও বলেন, 'মুখ্যমন্ত্রী আগেই জানিয়ে দিয়েছেন, আপনারা অনেকেই আর ফিরে আসবেন না। আমাদের সরকারের সামাজিক প্রকল্পের স্রোতে বিরোধীরা ভেসে যাবে।'

Advertisement

 

Read more!
Advertisement
Advertisement