
আজ পশ্চিম মেদিনীপুরের কেশপুরে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর কর্মসূচি রয়েছে। দমদম থেকে হেলিকপ্টারে চেপে সেখানেই যাচ্ছিলেন তিনি। তবে হঠাৎই কোলাঘাটে তাঁর কপ্টারের জরুরি অবতরণ করান হয়।
কেন এমার্জেন্সি ল্যান্ডিং?
যতদূর খবর, দমদম থেকে কিছুক্ষণ আগেই হেলিকপ্টারে ওঠেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তবে কেশপুরে যাওয়ার পথে কোলাঘাটে জরুরি অবতরণ করতে হয় কপ্টারের।
এখন প্রশ্ন হল, কেন হেলিকপ্টারের জরুরি অবতরণ করানোর প্রয়োজন পড়ল? জানা যাচ্ছে, কেশপুরে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সভাস্থলের পাশেই বানান হয়েছিল একটি অস্থায়ী হেলিপ্যাড। সেখানেই নামার কথা ছিল কপ্টারের। কিন্তু হঠাৎই আবহাওয়া ভীষণই খারাপ হয়ে যায়। তুমুল ঝড়বৃষ্টি শুরু হয়। যার ফলে কেশপুরের হেলিপ্যাডের হাল হয়ে যায় খারাপ। সেখানে কপ্টার নামানো সম্ভব হবে না বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। এমন পরিস্থিতিতে দ্রুত খবর যায় কপ্টারে। তখনই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় কোলাঘাটে জরুরি অবতরণ করানো হবে কপ্টারের।
কেশপুরে কীভাবে যাচ্ছেন?
যতদূর খবর, জরুরি অবতরণ করার পরই মুখ্যমন্ত্রীর জন্য প্ল্যান বি স্টার্ট করাহয়। সেখান থেকেই মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী সড়ক পথে কেশপুরের উদ্দেশে রওনা দিয়েছেন। সেখানেই কর্মসূচিতে অংশ নেবেন তিনি।
বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, কোলাঘাট থেকে কেশপুর খুব একটা বেশি দূর নয়। তাই মুখ্যমন্ত্রী খুব শীঘ্রই সেখানে পৌঁছে যাবেন। তারপর সেরে ফেলবেন নিজের কর্মসূচি। এরপর মেদিনীপুরে তাঁর আরও কর্মসূচি সেরে রওনা দেবেন বাঁকুড়ার উদ্দেশে।
আরও জানা যাচ্ছে, আবহাওয়ার দিকে এখনও নজর রাখা হচ্ছে। ঝড়বৃষ্টি পরিস্থিতি যদি ঠিক থাকে, তাহলে পরবর্তী সময় কলকাতায় ফেরার জন্য এই কপ্টারটিকে উড়িয়ে আনা হতে পারে। তবে এখনই সেই বিষয়ে কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি বলেই খবর।