Advertisement

CJP Volunteer Father Death: পিটিয়ে মারা হয়নি বাঁকুড়ার CJP সমর্থকের বাবাকে? বড় দাবি করল পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ

বাঁকুড়ার সিজেপি সমর্থকের বাবার মৃত্যু ঠিক কীভাবে? তাঁকে পিটিয়ে মারা হয়নি? যা জানাচ্ছে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ।

সিজেপি ভলেন্টিয়ারের বাবার মৃত্যু নিয়ে কী বলছে পুলিশ?সিজেপি ভলেন্টিয়ারের বাবার মৃত্যু নিয়ে কী বলছে পুলিশ?
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 18 Aug 2026,
  • अपडेटेड 6:58 AM IST
  • বাঁকুড়ার সিজেপি সমর্থকের বাবার মৃত্যু ঠিক কীভাবে?
  • তাঁকে পিটিয়ে মারা হয়নি?
  • যা জানাচ্ছে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ

ককরোচ জনতা পার্টির সমর্থক এবং ভলেন্টিয়ারের বাবাকে পিটিয়ে মারার অভিযোগ উঠেছে পশ্চিমবঙ্গের বাঁকুড়ায়। আর সেই ঘটনা নিয়ে এবার ভিন্নমত সামনে আনল পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ। তাদের দাবি, সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে বাঁকুড়ার ইন্দাসের ঘটনাকে ঘিরে বিভ্রান্তিকর ও ভুয়ো তথ্য ছড়ানো হচ্ছে। বিষয়টা নিয়ে এক্স-এ পোস্টও করেছে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ।

সেই পোস্টে তারা লিখেছে, 'ঘটনার প্রকৃত তথ্য হল, ১৩ অগস্ট রাতে কয়েকজন দুষ্কৃতী ইন্দাসের বাসিন্দা শেখ আব্দুল হাফিজ ওরফে রিকের বাড়িতে গিয়ে তাঁকে হেনস্থা করে বলে অভিযোগ। ওই দিন সকালে রিক স্কুলের পরিকাঠামো সম্পর্কে খোঁজ নিতে ইন্দাসের কারিসুন্দা পশ্চিমপাড়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গিয়েছিলেন বলে জানা যায়। সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করেই রাতে তাঁকে হেনস্থা করা হয় বলে অভিযোগ উঠেছে। ওই ঘটনার সময় রিকের বাবা শেখ মহম্মদ মাফিক সামান্য আহত হন। তাঁর মাথায় একটা সেলাই পড়ে।'

এরপরই সিজেপি কর্মীর বাবার মৃত্যু নিয়ে বিরাট দাবি করে পুলিশ। তারা লেখে, '১৫ অগাস্ট সকালে গুরুতরভাবে রক্তচাপ ওঠানামা করে শেখ মহম্মদ মাফিকের। তাই তিনি নিজেই বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজে ভর্তি হন। চিকিৎসকরা তাঁকে পরীক্ষা করেন। তাঁর শরীরে কোনও গুরুতর আঘাতের সন্ধান পাননি। দুঃখজনকভাবে, ওই রাতেই মাফিকের মৃত্যু হয়।'

পুলিশের দাবি, এরপরই সোশ্যাল মিডিয়ায় ভিত্তিহীন ও মিথ্যা দাবি ছড়াতে শুরু করে। একাধিক জায়গায় অভিযোগ করা হয়, নৃশংস শারীরিক হামলার কারণে মাফিকের মৃত্যু হয়েছে। যদিও এই দাবি সত্যি নয় বলেই জানিয়েছে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ।

পুলিশ আরাও জানিয়েছে, ইতিমধ্যেই এই ঘটনায় অ্যাকশন নেওয়া হয়েছে। বাঁকুড়া পুলিশ বিস্তারিত তদন্ত শুরু করেছে। দায়ের হওয়া এফআইআরের ভিত্তিতে পুলিশ ৮ জনকে গ্রেফতার করেছে। মূলত প্রাথমিক এফআইআরে নাম থাকা ৩ জন এবং আরও ৫ জন সন্দেহভাজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ধৃতদের ৮ দিনের পুলিশ হেফাজতে পাঠানো হয়েছে বলে জানায় পুলিশ। এছাড়াও পলাতক ২ অভিযুক্তের সন্ধানে জোরদার তল্লাশি চলছে। রিকের বাড়িতে একজন পুলিশকর্মীকে নিরাপত্তার জন্য মোতায়েন করা হয়েছে।

Advertisement

এমন পরিস্থিতিতে পুলিশের অনুরোধ, এই ঘটনাকে ঘিরে বিভ্রান্তিকর বা ভুয়ো তথ্য না ছড়ানোর। যারা গুজব ছড়াচ্ছে তাদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ারও হুঁশিয়ারি দিয়ে রেখেছে তারা।

কী অভিযোগ?
সিজেপি-এর ‘স্কুল ঠিক করো’ কর্মসূচির অংশ হিসেবে স্থানীয় স্কুলগুলির শিক্ষার পরিকাঠামো ও পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে হাফিজ একটি স্কুলে গিয়েছিলেন। পরে ওই রাতেই একদল হামলাকারী লাঠি, লোহার রড এবং শাবল নিয়ে তাঁদের বাড়িতে ঢুকে হামলা চালায় বলে অভিযোগ উঠেছে। তাঁর বাবা শেখ মহম্মদ মাফিকের ওপর চড়াও হয় তারা। তারপর হাসপাতালে মৃত্যু হয় মাফিকের। যদিও এই দাবি উড়িয়ে দিল পুলিশ।

এই ঘটনায় ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক পারদ তুঙ্গে উঠেছে। সিজেপি, কংগ্রেস, সিপিআইএম, তৃণমূলের মতো দলগুলি এর নেপথ্যে বিজেপির হাত দেখছে।  

 

Read more!
Advertisement
Advertisement