
রাস উৎসবের আবহে মঙ্গলবার নদিয়ায় এসেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বুধবার কৃষ্ণনগর গভর্নমেন্ট কলেজ ময়দানে জনসভা করলেন তিনি। আর সেখান থেকেই রাজ্যবাসীকে ডেঙ্গি নিয়ে বার্তা দিলেন মমতা। এদিন জনসভা থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, "পুরসভা, পঞ্চায়েতকে সতর্ক থাকতে হবে। জল, আবর্জনা জমতে দেওয়া যাবে না।''
প্রসঙ্গত ক্রমেই ভয়াবহ হচ্ছে রাজ্যের ডেঙ্গি পরিস্থিতি । প্রায় প্রত্যেক দিন নিয়ম করে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে কারও না কারও মৃত্যুর খবর মিলছে । এই অবস্থায় বিরোধীরাও নিয়ম করে শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসকে এবং রাজ্য প্রশাসনকে কাঠগড়ায় তুলছে । এহেন পরিস্থিতিতে গত মঙ্গলবার গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নদিয়া সফরে যাওয়ার আগে রাজ্যের স্বাস্থ্য আধিকারিকদের ডেঙ্গি পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। স্থানীয় প্রশাসন, জেলা প্রশাসন এবং স্বাস্থ্য দফতরের মেলবন্ধন আরও বাড়ানোর ওপর জোর দিয়েছেন তিনি। এদিন মুখ্যমন্ত্রী ডেঙ্গি নিয়ে আশার কথা শুনিয়েছেন।
ইতিমধ্যেই স্বাস্থ্য ভবন ও রাজ্য সরকারের তরফ থেকে সতর্কতা নেওয়া সত্ত্বেও যেভাবে বাড়ছে, তাতে যথেষ্ট উদ্বিগ্ন রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধান ।আর সেই কারণে এদিন ডেঙ্গি প্রবণ জেলাগুলিতে আলাদা করে দল পাঠানোর নির্দেশ দিলেন মুখ্যমন্ত্রী । এই দলে স্বাস্থ্য দফতরের আধিকারিকরা ছাড়াও থাকবেন বিশেষজ্ঞ ডাক্তার । তাঁরা খতিয়ে দেখবেন কেন ওই জেলাগুলিতে বা নির্দিষ্ট পৌর এলাকায় ডেঙ্গির ঘটনা বাড়ছে । এদিন ডেঙ্গির ক্রমবর্ধমান পরিস্থিতি নিয়ে নবান্নে বৈঠক করেন রাজ্যের মুখ্যসচিব হরিকৃষ্ণ দ্বিবেদী । তিনি সমস্ত জেলার জেলাশাসককে বাড়তি গুরুত্ব দিয়ে ডেঙ্গি মোকাবিলায় নামার পরামর্শ দিয়েছেন । বিশেষ করে বেশ কিছু জায়গায় নবান্নের কাছে খবর রয়েছে ঠিকমতো নিকাশির কাজ হচ্ছে না । সেই গুলিকে চিহ্নিত করে নবান্নকে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি । একই সঙ্গে এদিন জেলাগুলিকে বলা হয়েছে, প্রতিদিনের ডেঙ্গি রিপোর্ট স্বাস্থ্য দফতরের পাশাপাশি রাজ্যের প্রধান প্রশাসনিক ভবনকেও পাঠাতে হবে । এদিন বৈঠকে আরও বেশি সংখ্যক পরীক্ষার কথা বলা হয়েছে ।
ডেঙ্গি প্রসঙ্গে মমতার বক্তব্য
কৃষ্ণনগর গভর্নমেন্ট কলেজের ময়দান থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, "আমি এখানে প্রতি বছর আসি৷ কোভিডের সময় একটা সমস্যা হয়েছিল। ডেঙ্গি একটু আছে৷ নানা জিন নিয়ে ডেঙ্গি আসে। শীত এলে আস্তে আস্তে কমবে। পুরসভা, পঞ্চায়েত নজরে রাখুন। আবর্জনা জমতে দেবেন না। পুজোর জন্য অনেক সামগ্রী পড়ে আছে। সেখানে বাসা বাঁধে। জল যেন না জমে। পরিষ্কার রাখতে হবে।’’
ইতিমধ্যেই স্বাস্থ্য ভবন ও রাজ্য সরকারের তরফ থেকে সতর্কতা নেওয়া সত্ত্বেও যেভাবে ডেঙ্গি বাড়ছে, তাতে যথেষ্ট উদ্বিগ্ন রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধান । আর সেই কারণে ডেঙ্গি প্রবণ জেলাগুলিতে আলাদা করে দল পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী । এই দলে স্বাস্থ্য দফতরের আধিকারিকরা ছাড়াও থাকবেন বিশেষজ্ঞ ডাক্তার । তাঁরা খতিয়ে দেখবেন কেন ওই জেলাগুলিতে বা নির্দিষ্ট পৌর এলাকায় ডেঙ্গির ঘটনা বাড়ছে কেন । ডেঙ্গির ক্রমবর্ধমান পরিস্থিতি নিয়ে মঙ্গলবারই নবান্নে বৈঠক করেন রাজ্যের মুখ্যসচিব হরিকৃষ্ণ দ্বিবেদী । তিনি সমস্ত জেলার জেলাশাসককে বাড়তি গুরুত্ব দিয়ে ডেঙ্গি মোকাবিলায় নামার পরামর্শ দিয়েছেন । বিশেষ করে বেশ কিছু জায়গায় নবান্নের কাছে খবর রয়েছে ঠিকমতো নিকাশির কাজ হচ্ছে না । সেই গুলিকে চিহ্নিত করে নবান্নকে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি । একই সঙ্গে জেলাগুলিকে বলা হয়েছে, প্রতিদিনের ডেঙ্গি রিপোর্ট স্বাস্থ্য দফতরের পাশাপাশি রাজ্যের প্রধান প্রশাসনিক ভবনকেও পাঠাতে হবে।