Advertisement

CM Suvendu Adhikari: ভবানীপুর না নন্দীগ্রাম, কোন আসন ছাড়লেন? জানালেন CM শুভেন্দু

নন্দীগ্রামের আসনটি ছাড়ছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। বুধবার ভবানীপুরের বিধায়ক হিসেবে শপথ নেন শুভেন্দু।  শপথবাক্য পাঠ করান প্রোটেম স্পিকার তাপস রায়। বিধানসভার বাইরে এসে সাংবাদিকদের তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে নন্দীগ্রাম আসনটি ছাড়ার কথা ঘোষণা করেন। 

মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীমুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 13 May 2026,
  • अपडेटेड 1:46 PM IST

নন্দীগ্রামের আসনটি ছাড়ছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। বুধবার ভবানীপুরের বিধায়ক হিসেবে শপথ নেন শুভেন্দু।  শপথবাক্য পাঠ করান প্রোটেম স্পিকার তাপস রায়। বিধানসভার বাইরে এসে সাংবাদিকদের তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে নন্দীগ্রাম আসনটি ছাড়ার কথা ঘোষণা করেন। 

প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হারানো ভবানীপুরের আসনটিই ধরে রাখবেন শুভেন্দু। এই আসনে ১৫ হাজারের বেশি ভোটে জয়ী হন তিনি। সেই আসন থেকে আজ বিধায়ক হিসেবে শপথ নিয়েছেন।

নন্দীগ্রাম ও ভবানীপুর দুই জায়গা থেকে জয়ী হন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী। নিয়ম অনুযায়ী, দুটি আসনে বিধায়ক হিসেবে থাকা যায় না। একটি আসন থেকে ইস্তফা দিতে হত। এক্ষেত্রে তিনি ভবানীপুরকে বেছে নেওয়ায় নন্দীগ্রাম আসনে উপনির্বাচন হবে। 

যদিও নন্দীগ্রাম আসনটি ছাড়ার ইঙ্গিত আগেই দিয়েছিলেন শুভেন্দু। উপনির্বাচন হবে নন্দীগ্রামে। মমতার পর ভবানীপুর থেকে আরও একবার মুখ্যমন্ত্রী পেল বাংলা। এবার নন্দীগ্রামে প্রার্থী কে হবেন? তা নিয়ে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে। 

নন্দীগ্রামে BJP কার্যালয়ে গিয়ে শুভেন্দু আগেই জানিয়েছিলেন, আগামী ১০ দিনের মধ্যেই যে কোনও একটি আসন ছেড়ে দিতে হবে তাঁকে। বলেন, 'সব সিদ্ধান্ত তো আমি নিতে পারি না। আমার পার্টির কেন্দ্রীয় নেতারা যেটা ঠিক করবেন, সেটাই হবে। আমার মতামত তাঁদের কাছেই দেব।' তাঁর সংযোজন, 'যা-ই হোক, আমি কর্তব্য থেকে সরে যাব না। আমি ছোটবেলা থেকেই শৃঙ্খলাপরায়ণ। তাই সবটা একা সিদ্ধান্ত নিতে পারব না। দলের নেতারা যা বলবেন, তাই হবে।'
 

নন্দীগ্রামে BJP কার্যালয়ে গিয়ে শুভেন্দু আগেই জানিয়েছিলেন, আগামী ১০ দিনের মধ্যেই যে কোনও একটি আসন ছেড়ে দিতে হবে তাঁকে। বলেন, 'সব সিদ্ধান্ত তো আমি নিতে পারি না। আমার পার্টির কেন্দ্রীয় নেতারা যেটা ঠিক করবেন, সেটাই হবে। আমার মতামত তাঁদের কাছেই দেব।' তাঁর সংযোজন, 'যা-ই হোক, আমি কর্তব্য থেকে সরে যাব না। আমি ছোটবেলা থেকেই শৃঙ্খলাপরায়ণ। তাই সবটা একা সিদ্ধান্ত নিতে পারব না। দলের নেতারা যা বলবেন, তাই হবে।'

Advertisement

তবে তিনি আশ্বাস দেন, 'বলেছি তো আপনাদের হলদিয়া আর নন্দীগ্রাম জুড়ে দেব। গোকুলনগরের হাসপাতাল এমন করে বানাব যাতে রেফার না করতে হয় কাউকে। ৬ মাসের মধ্যে জলের কানেকশন করে দেব।' কোন কোন দিন আসবেন তাও তিনি জানিয়ে দেন।

Read more!
Advertisement
Advertisement