Advertisement

Lahek Ali: বারুইপুরে গ্রেফতার CPIM নেতা লাহেক আলি, গুরুতর অভিযোগ তাঁর বিরুদ্ধে

বারুইপুরে গণপিটুনি এবং গোলমালের ঘটনায় ইন্ধন দেওয়ার গুরুতর অভিযোগ। রবিবার রাতে নিজের বাড়ি থেকেই গ্রেফতার হলেন CPIM নেতা লাহেক আলি। কী বলছেন সুজন চক্রবর্তী?

লাহেক আলি লাহেক আলি
Aajtak Bangla
  • বারুইপুর ,
  • 13 Jul 2026,
  • अपडेटेड 7:53 AM IST
  • গণপিটুনি এবং গোলমালের ঘটনায় ইন্ধন দেওয়ার অভিযোগ
  • নিজের বাড়ি থেকেই গ্রেফতার লাহেক আলি
  • রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি সুজনের

বারুইপুরে নাবালিকা ধর্ষণ ও খুনের ঘটনার পর গণপিটুনিতে মৃত্যু হয় এলাকার বাসিন্দা ইন্দ্রজিৎ মণ্ডলের। সেই গণপিটুনিতে উস্কানি দেওয়ার অভিযোগে এবার পুলিশের হাতে গ্রেফতার CPIM নেতা লাহেক আলি। রবিবার রাতে তাঁকে বাড়ি থেকেই গ্রেফতার করে পুলিশ। বিধানসভা নির্বাচনে বারুইপুর পশ্চিমের বামফ্রন্ট প্রার্থী ছিলেন তিনি। তাঁর নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে ইতিমধ্যেই সরব বামেরা। 

উল্লেখ্য, বারুইপুরের অশান্তির নেপথ্যে রাজনৈতিক যোগ থাকতে পারে বলে আগেই উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। শনিবার বারুইপুরে গিয়ে তিনি বলেন, ‘গণপিটুনিতে নিহত ইন্দ্রজিৎ নির্দোষ। যাঁরা ভোটে প্রত্যাখ্যাত হয়েছেন, এর পিছনে তাঁদের উস্কানি রয়েছে।' সেই মন্তব্যের একদিনের মধ্যেই গ্রেফতার হলেন লাহেক আলি। 

৫ জুলাই বারুইপুরের সূর্যপুরে এক পুকুর থেকে নির্যাতিতা নাবালিকার দেহ উদ্ধার হয়। তারপর থেকেই অশান্ত হয়ে ওঠে এলাকা। দফায় দফায় বিক্ষোভ, পুলিশের উপর হামলা, গাড়ি ভাঙচুর, পথ ও রেললাইন অবরোধের মতো ঘটনা ঘটে। নাবালিকার খুনে জড়িত সন্দেহে পিটিয়ে খুন করা হয় ইন্দ্রজিৎ মণ্ডল নামে এক যুবককে। পরে তদন্তে উঠে আসে, নাবালিকার উপর নির্যাতন বা খুনের ঘটনায় তাঁর কোনও যোগ ছিল না। 

ধর্ষণ ও খুনের ঘটনার পর বারুইপুরের বিক্ষোভস্থলেই ছিলেন লাহেক আলি সহ বাম নেতাকর্মীরা।  তাঁর বিরুদ্ধে অশান্তিতে ইন্ধনের অভিযোগ তুলছিল BJP। এই অশান্তির নেপথ্যে জড়িতদের কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না বলে আগেই হুঁশিয়ারি দেন শুভেন্দু অধিকারী। ধর্ষণ-খুনে অভিযুক্তদের কঠোর সাজার পাশাপাশি গণপিটুনি এবং গোলমালে ইন্ধন জোগানোর ক্ষেত্রেও কঠোর সাজার প্রতিশ্রুতি দেন তিনি। এরপরই দেখা গেল, বাম এই নেতাকে গ্রেফতার করল পুলিশ। সোমবার তাঁকে বারুইপুর মহকুমা আদালতে হাজির করানো হবে। 

লাহেকের রুদ্ধে একাধিক গুরুতর ধারায় মামলা করা হয়েছে। তালিকায় রয়েছে খুন, অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র, দাঙ্গা, সরকারি কর্মীদের উপর হামলা, জনসম্পত্তি নষ্ট, ধর্মীয় বিদ্বেষ ছড়ানোর মতো অপরাধগুলিতে ইন্ধন জোগানো। রেলওয়ে আইনের একাধিক ধারাতেও তাঁর বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে বলে প্রাথমিক ভাবে জানা যাচ্ছে। 

Advertisement

এই গ্রেফতারি নিয়ে CPIM নেতা সুজন চক্রবর্তী বলেন, 'রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবে গ্রেফতার করা হয়েছে লাহেককে। ঘটনার পর থেকেই লাহেকের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ধরনের অপপ্রচার চালানো হচ্ছিল।  ইন্দ্রজিৎ গণপিটুনিতে নিহত হওয়ার পরে লাহেক ঘটনাস্থলে পৌঁছেছিল।'

 

Read more!
Advertisement
Advertisement