Advertisement

Darjeeling Barbecue Incident: নববধূর আর্জিতেই বারবিকিউতে কেরোসিন? CCTV-র তৃতীয় ব্যক্তি হোমস্টের কর্মচারী নন!

বারবিকিউ কাণ্ডে দোষ কার? কার গাফিলতিতে নিকিতা ঝলসে গেলেন? এই নিয়ে দোষারোপ, পাল্টা দোষারোপ চলছে। নববধূর স্বামী সমীরের অভিযোগ, হোমস্টের বিরুদ্ধে। পাল্টা নিকিতার অনুরোধেই বারবিকিউতে কেরোসিন ঢালার দাবি হোমস্টে কর্তৃপক্ষের। যদিও কে কেরোসিন ঢালল, তাঁর পরিচয় নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে।

সিটঙের হোমস্টে-তে ঠিক কী ঘটেছিল? সিটঙের হোমস্টে-তে ঠিক কী ঘটেছিল?
Aajtak Bangla
  • সিটং,
  • 19 Sep 2026,
  • अपडेटेड 8:46 AM IST
  • বারবিকিউ কাণ্ডে দোষ কার?
  • কার গাফিলতিতে নিকিতা ঝলসে গেলেন?
  • কে কেরোসিন ঢালল?

বিয়ে হয়েছিল মাত্র ২ মাস আগে। নতুন জীবনের শুরুটা দার্জিলিঙের পাহাড়ে ঘেরা পরিবেশে করতে চেয়েছিলেন নিকিতা ও সমীর। কিন্তু সেই পাহাড়েই যে তাঁদের সঙ্গে ভয়াবহ ঘটনা ঘটে যাবে, তার সামান্য আঁচটুকুও পায়নি এই নবদম্পতি। 

দার্জিলিঙে মধুচন্দ্রিমায় গিয়ে বারবিকিউয়ের আগুনে ঝলসে গিয়েছেন উত্তর দিনাজপুরের চোপড়ার বাসিন্দা নিকিতা সাহা। আর এই ভয়ঙ্কর দুর্ঘটনার জন্য সিটঙের হোমস্টে কর্তৃপক্ষকেই দায়ী করেছেন স্বামী সমীর। তাঁর অভিযোগ, আগুনের মধ্যে ছুড়ে ফেলা হয়েছিল তেলের ড্রাম। তাতেই আগুনের গ্রাসে চলে যান নিকিতা। 

বর্তমানে শিলিগুড়ির হাসপাতালে ভর্তি করেছেন অগ্নিদগ্ধ নিকিতা। চলছে যমে-মানুষে টানাটানি। তাঁর শরীরের ৬০ শতাংশ ঝলসে গিয়েছে বলে হাসপাতাল সূত্রে খবর। তরুণীর অবস্থা আশঙ্কাজনক। 

ঠিক কী ঘটেছিল ওই দিন রাতে?
স্ত্রীকে আগুনের লেলিহান শিখা থেকে বাঁচাতে গিয়ে সমীরও অল্পবিস্তর আহত হয়েছেন। তিনি সংবাদমাধ্যমে বলেন, 'হোমস্টের পরিষেবা খুব খারাপ ছিল প্রথম থেকেই। বারবিকিউয়ের ব্যবস্থা আছে কি না, তা আমরা জিজ্ঞাসা করায় ওরা হ্যাঁ বলেছিল। হোটেলের এক কর্মী এসে প্রথমে বারবিকিউ প্রক্রিয়া শুরু করেন। তবে তিনি কিছুই জানতে না, তা স্পষ্ট বোঝা গিয়েছিল। তিনি এসে বসে আমাদের সঙ্গে কথাবার্তা বলেন। বারবিকিউয়ের আগুন কমে যাওয়ায় তিনি ড্রাম হাতে তুলে আগুনে ছুড়ে ফেলেন। তারপরই আগুন ধরে যায় আমার স্ত্রীর গায়ে। ভিডিওতে সব দেখা গিয়েছে। ৬০ শতাংশের উপর অগ্নিদগ্ধ হয়েছেন আমার স্ত্রী।' সমীরের আরও অভিযোগ, 'হোমস্টের তরফে প্রথমে কেউ সাহায্যও করতে আসেননি। হাসপাতালে নিয়ে যেতেও সময় লেগেছে। এই হোমস্টের বিরুদ্ধে শাস্তি চাই। ন্যায়বিচার চাই।'

হোমস্টে কর্তৃপক্ষের দাবি ভিন্ন
যদিও সমীরের কোনও অভিযোগই মানতে চাননি হোমস্টে কর্তৃপক্ষ। মালিক নেহাল আইরন সংবাদমাধ্যমে বলেন, 'CCTV ফুটেজে দম্পতির সঙ্গে তৃতীয় যে ব্যক্তিকে দেখা গিয়েছে উনি আমাদের কর্মচারী নন। তাছাড়া বারবার সতর্ক করার পরও ওই দম্পতি আগুনের একদম কাছে সেঁটে বলেছিলেন। বারবিকিউয়ের মাঝেই ওঁরা রাতের খাবারের অর্ডার দেন। আমাদের কর্মী বারবিকিউয়ের সামনেই ছিলেন। কিন্তু তিনি উঠে যাওয়ার পর ১৫-২০ সেকেন্ডের মধ্যেই ওঁরা অন্য একজনকে ডাকেন। জানান, তাঁদের ঠান্ডা লাগছে। কেরোসিন ঢেলে আগুন বাড়িয়ে দেওয়ার অনুরোধ ওঁরাই করেছিলেন। যে ব্যক্তি কেরোসিন ঢালেন তিনি আমাদের হোটেলের কেউ নন।' পাশাপাশি নিকিতা নাইলনের পোশাক পরেছিলেন বলে আগুন দ্রুত তাঁর গায়ে লেগে যায় বলেও দাবি মালিকের। 

Advertisement

ঘটনায় FIR দায়ের করে তদন্ত শুরু করেছে দার্জিলিং পুলিশ। সুপার ওয়াই শ্রীকান্ত জগন্নাথরাও জানান, আগুনে কী ঢালা হয়েছিল তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। 
 

 

Read more!
Advertisement
Advertisement