
আবার নতুন করে ঘূর্ণিঝড়ের অ্যালার্ট। আন্দামান সাগর থেকে এগিয়ে আসা নতুন একটি ওয়েদার সিস্টেম শক্তি বাড়াচ্ছে। সেটা আজই বঙ্গোপসাগরে একটি নিম্নচাপে পরিণত হতে পারে। এরপর সেটি ঘূর্ণিঝড়ের রূপ নিতে পারে বলে দাবি। যদিও এই নিম্নচাপ ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হবে কি না, সেটা নিশ্চিত করেনি ভারতীয় আবহাওয়া দফতর বা আইএমডি। তবে তারপরও সাধারণ মানুষের মনে প্রশ্ন, এখন নিম্নচাপের ঠিক কী অবস্থা? এটা কোথায় আছড়ে পড়তে পারে? সাইক্লোনে পরিণত হতে পারে কবে? আর এই সব বিষয়ের লেটেস্ট আপডেট জেনে নিন।
কী জানিয়েছে আইএমডি?
থাইল্যান্ড উপসাগর ও সংলগ্ন মায়ানমারের উপরে তৈরি হয়েছিল একটি ঘূর্ণাবর্ত। সেটি ২১ অক্টোবর রাতেই উত্তর আন্দামান সাগরে এন্ট্রি নিয়েছে। এই সিস্টেমটি সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ৫.৮ কিমি উচ্চতায় রয়েছে। এটি পশ্চিম-উত্তর-পশ্চিম দিকে এগোতে পারে। আর ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর দক্ষিণ পূর্ব ও সংলগ্ন মধ্য-পূর্ব বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপ তৈরি হতে পারে।
এরপরই নিম্নচাপ শক্তি বাড়াতে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। ২৫ অক্টোবর, অর্থাৎ রবিবার এটি গভীর নিম্নচাপে পরিণত হতে পারে। সোমবার, ২৬ অক্টোবর এটি আরও শক্তিশালী হতে পারে। আর সেই নিম্নচাপের দিকেই এখন নজর রেখেছেন বিশেষজ্ঞরা। সেটাই পরিণত হতে পারে সাইক্লোনে।
কবে তৈরি হতে পারে সাইক্লোন?
এই নিয়ে এখনও নির্দিষ্ট করে কিছু বলেনি আইএমডি। তবে কয়েকটি আন্তর্জাতিক আবহাওয়া মডেল বিষয়টি নিয়ে মুখ খুলেছে। তারা জানিয়েছে, ২৯ অক্টোবর নাগাদ গভীর নিম্নচাপ ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হতে পারে। আর তেমনটা হলে নতুন করে দুর্যোগের আশঙ্কা তৈরি হচ্ছে।
কোথায় আছড়ে পড়বে নিম্নচাপ?
এই বিষয়েও এখনও নিশ্চিত করে কিছু বলা যাচ্ছে না। তবে আবহাওয়া বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, সিস্টেমটা প্রথমে পশ্চিম-উত্তর-পশ্চিম বা উত্তর-পশ্চিম দিকে এগিয়ে যাবে। পরে সেটি বাঁক নিতে পারে অন্ধ্রপ্রদেশ, ওড়িশা উপকূলের দিকে।
যার জেরে ইতিমধ্যেই অ্যালার্ট জারি হয়েছে ওড়িশায়। সেখানে ২৬ থেকে ২৯ অক্টোবর বৃষ্টি হতে পারে। যদিও পশ্চিমবঙ্গে এখনও তেমন কিছু হয়নি।
বাংলায় কী হবে?
নিম্নচাপটি পশ্চিম-উত্তর-পশ্চিম দিকে এগোলে পূর্ব ভারতের উপকূলে প্রভাব পড়তে পারে। সেক্ষেত্রে ভারী বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা থাকছে। এমনকী ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। সমুদ্র উত্তাল থাকার আশঙ্কা রয়েছে। তবে পশ্চিমবঙ্গের কোন কোন জেলায় ঝড়বৃষ্টি হবে, এই নিয়ে এখনই নিশ্চিত করে কিছু বলা হয়নি।