Advertisement

Digha Dress Code: দিঘায় সমুদ্রে শাড়ি-সালোয়ারে আপত্তি, তাহলে কী পরে নামবেন মহিলারা? ব্যাখ্যা BJP নেত্রীর

Digha Sea Bath Dress Code: দিঘায় শাড়ি বা সালোয়ার-কামিজ পরে সমুদ্রে নামা নিরাপদ নয়। সম্প্রতি এমনই মন্তব্য করেছেন রাজ্যের স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায়। তাঁর বক্তব্য, ঢেউয়ের টানে শাড়ি বা সালোয়ার জড়িয়ে গিয়ে প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটে।

দিঘায় প্রায়শই অসাবধানতার কারণে একাধিক দুর্ঘটনা ঘটে। দিঘায় প্রায়শই অসাবধানতার কারণে একাধিক দুর্ঘটনা ঘটে।
সৌমিক মজুমদার
  • কলকাতা ,
  • 04 Aug 2026,
  • अपडेटेड 8:38 PM IST
  • দিঘার সমুদ্রে স্নান করতে গেলে কী পোশাক পরা উচিত?
  • শারদ্বত মুখোপাধ্যায়ের বক্তব্য, ঢেউয়ের টানে শাড়ি বা সালোয়ার জড়িয়ে গিয়ে প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটে।
  • দুর্ঘটনা কমাতেই নিরাপদ পোশাকের বিষয়ে সচেতনতা বাড়ানো প্রয়োজন।

Digha Sea Bath Dress Code: দিঘায় শাড়ি বা সালোয়ার-কামিজ পরে সমুদ্রে নামা নিরাপদ নয়। সম্প্রতি এমনই মন্তব্য করেছেন রাজ্যের স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায়। তাঁর বক্তব্য, ঢেউয়ের টানে শাড়ি বা সালোয়ার জড়িয়ে গিয়ে প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটে। তাই নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে 'ভারতীয় সংস্কৃতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ' স্নানের পোশাক ব্যবহারের পরামর্শ দিয়েছেন তিনি। এই বিষয় দিঘায় নিয়মও জারি হতে পারে। কিন্তু সেই পোশাক ঠিক কী?  

দিঘায় প্রায়শই অসাবধানতার কারণে একাধিক দুর্ঘটনা ঘটে। বিশেষ করে মহিলাদের ক্ষেত্রে শাড়ি বা সালোয়ার-কামিজ পরে জলে নামলে পোশাক জড়িয়ে গিয়ে ভারসাম্য হারানোর আশঙ্কা থাকে। বড় ঢেউ এলে দ্রুত হাঁটা, সাঁতার কাটা বা উঠে দাঁড়ানো কঠিন হয়ে পড়ে। প্রশাসনের দাবি, এই ধরনের দুর্ঘটনা কমাতেই নিরাপদ পোশাকের বিষয়ে সচেতনতা বাড়ানো প্রয়োজন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রীর মন্তব্যের পর বিষয়টি নিয়ে নানা রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়াও সামনে এসেছে। কেউ কেউ এটিকে নারী-স্বাধীনতার সঙ্গে জুড়ে দেখার চেষ্টা করলেও, বিজেপি নেত্রী কেয়া ঘোষ সেই ব্যাখ্যার সঙ্গে একমত নন।

এই প্রসঙ্গে কেয়া ঘোষ বলেন, 'অনেকেই এটা নিয়ে নারী-বিরোধী ন্যারেটিভ তৈরির চেষ্টা করছেন। কিন্তু শারদ্বতবাবু তো সেই অর্থে বলেননি। উনি মহিলাদের নিরাপত্তার কথা ভেবেই এই মন্তব্য করেছেন। শাড়ি বা সালোয়ার অনেক সময় পায়ে জড়িয়ে যায়। অনেকে আবার নাইটি পরেও সমুদ্রে নেমে যান। এমন পোশাক পরে ঢেউয়ের মধ্যে দ্রুত হাঁটা বা সাঁতার কাটা যায় না। তাই দুর্ঘটনার ঝুঁকি বেড়ে যায়। আমি এই ভাবনাকে পূর্ণ সমর্থন করি।'

‘ভারতীয় সংস্কৃতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ’ পোশাক বলতে কী বোঝানো হচ্ছে?
এই প্রশ্নেরও জবাব দিয়েছেন কেয়া ঘোষ। তাঁর বক্তব্য, 'এখন অনেক মেয়েই শর্ট কুর্তি পরেন। চুড়িদারের মতো এমন পোশাকও পরা যেতে পারে, যা জলের তোড়ে পায়ে জড়িয়ে যাবে না। আসলে এমন পোশাকই পরা উচিত, যাতে সহজে চলাফেরা করা যায় এবং দুর্ঘটনার ঝুঁকি কম থাকে।'

একই সঙ্গে তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন, কেউ চাইলে সাঁতারের সুইমস্যুটও পরতে পারেন। তাঁর কথায়, 'সাঁতারের পোশাক পরতেই পারেন। তাতে কোনও সমস্যা নেই। যদিও আমাদের সমাজ এখনও পুরোপুরি প্রগতিশীল হয়ে ওঠেনি। তবে কেউ যদি নিজে স্বচ্ছন্দ বোধ করেন, তা হলে সেই পোশাক পরতে বাধা থাকার কথা নয়।'

Advertisement

তবে কেয়া ঘোষের মতে, মূল বিষয়টি পোশাক নয়, নিরাপত্তা। তিনি বলেন, 'শাড়ি বা সালোয়ারের মতো এমন কিছু পরা উচিত নয়, যা জড়িয়ে গিয়ে হাত-পা ফেলতে অসুবিধা হবে। সমুদ্রে নামার সময় নিরাপত্তাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।'

পশ্চিমী বহু দেশেই সমুদ্রে শুধুমাত্র স্নানের পোশাক পরলেই নামতে দেওয়া হয়। লাইফগার্ডদের মতে, সমুদ্রে স্নানের সময় এমন পোশাক পরাই উচিত যা শরীরে আঁটসাঁট থাকে, জল টেনে ভারী হয়ে না যায় এবং জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত নড়াচড়া করতে সাহায্য করে। দিঘায় পর্যটকদের নিরাপত্তা বাড়াতে প্রশাসনও এ বিষয়ে সচেতনতামূলক প্রচারের পরিকল্পনা করছে। 

Read more!
Advertisement
Advertisement